ব্রাজিলকে বিদায় করে নরওয়ের ইতিহাস

শেষ বাঁশি। নিউ জার্সিতে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল নরওয়ে। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নিল আর্লিং হলান্ডের দল। অন্যদিকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ শেষ হলো শেষ ষোলোতেই।
ম্যাচের নায়ক হলান্ড। ৭৯ মিনিটে হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন তিনি। ৯০ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের আরেকটি পাস থেকে বাঁ পায়ের নিচু শটে করেন দ্বিতীয় গোল। শেষ মুহূর্তে নেইমার পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমালেও ব্রাজিল আর ফেরার সুযোগ পায়নি।
নরওয়ের জয়ের বড় কারিগর গোলরক্ষক ওরিয়ান নাইলান্ডও। প্রথমার্ধে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি ঠেকান তিনি। শেষদিকে সতীর্থ আজেরের কাছ থেকে আসা বিপজ্জনক বলও অবিশ্বাস্য সেভে লাইন থেকে সরিয়ে দেন।
সুযোগ নষ্ট, পেনাল্টি মিস আর শেষ মুহূর্তের দেরি করা লড়াইয়ে ব্রাজিলের বিদায় নিশ্চিত হলো। স্কোরলাইন বলছে ব্রাজিল ১, নরওয়ে ২। কিন্তু রাতটা মনে থাকবে নরওয়ের ইতিহাস হয়ে, আর ব্রাজিলের জন্য বড় হতাশা হয়ে।
শেষ বাঁশি। নিউ জার্সিতে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠল নরওয়ে। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা করে নিল আর্লিং হলান্ডের দল। অন্যদিকে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলের বিশ্বকাপ শেষ হলো শেষ ষোলোতেই।
ম্যাচের নায়ক হলান্ড। ৭৯ মিনিটে হেডে গোল করে নরওয়েকে এগিয়ে দেন তিনি। ৯০ মিনিটে আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের আরেকটি পাস থেকে বাঁ পায়ের নিচু শটে করেন দ্বিতীয় গোল। শেষ মুহূর্তে নেইমার পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমালেও ব্রাজিল আর ফেরার সুযোগ পায়নি।
নরওয়ের জয়ের বড় কারিগর গোলরক্ষক ওরিয়ান নাইলান্ডও। প্রথমার্ধে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি ঠেকান তিনি। শেষদিকে সতীর্থ আজেরের কাছ থেকে আসা বিপজ্জনক বলও অবিশ্বাস্য সেভে লাইন থেকে সরিয়ে দেন।
সুযোগ নষ্ট, পেনাল্টি মিস আর শেষ মুহূর্তের দেরি করা লড়াইয়ে ব্রাজিলের বিদায় নিশ্চিত হলো। স্কোরলাইন বলছে ব্রাজিল ১, নরওয়ে ২। কিন্তু রাতটা মনে থাকবে নরওয়ের ইতিহাস হয়ে, আর ব্রাজিলের জন্য বড় হতাশা হয়ে।
যোগ করা সময়ের গভীরে পেনাল্টি থেকে গোল করলেন নেইমার। ৯০+১০ মিনিটে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরান তিনি।
স্কোরলাইন এখন ব্রাজিল ১, নরওয়ে ২। হলান্ডের ৭৯ ও ৯০ মিনিটের দুই গোলের পর নেইমারের পেনাল্টি ব্রাজিলকে শেষ মুহূর্তে আশা দিলেও ম্যাচ এখনো নরওয়ের নিয়ন্ত্রণেই।
শেষ বাঁশির আগে ব্রাজিলের দরকার আরেকটি গোল। আর নরওয়ে দাঁড়িয়ে ইতিহাসের খুব কাছে, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার দ্বারপ্রান্তে।
যোগ করা সময়ের গভীরে পেনাল্টি থেকে গোল করলেন নেইমার। ৯০+১০ মিনিটে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্রাজিলকে ম্যাচে ফেরান তিনি।
স্কোরলাইন এখন ব্রাজিল ১, নরওয়ে ২। হলান্ডের ৭৯ ও ৯০ মিনিটের দুই গোলের পর নেইমারের পেনাল্টি ব্রাজিলকে শেষ মুহূর্তে আশা দিলেও ম্যাচ এখনো নরওয়ের নিয়ন্ত্রণেই।
শেষ বাঁশির আগে ব্রাজিলের দরকার আরেকটি গোল। আর নরওয়ে দাঁড়িয়ে ইতিহাসের খুব কাছে, বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার দ্বারপ্রান্তে।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিলের খেলায় হতাশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৯০+৬ মিনিটে ওডেগার্ডকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন নেইমার। এরপর মাঝমাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে। রেফারিকে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করতে হয়।
তবে নাটক এখানেই শেষ হয়নি। ৯০+৮ মিনিটে বক্সে আকাশী বলের লড়াইয়ে কাসেমিরোকে কনুই দিয়ে আঘাত করেন নরওয়ের বদলি ডিফেন্ডার লিও অস্টিগার্ড। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
ব্রাজিল পায় দেরিতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ। কিন্তু তখন প্রশ্ন একটাই, সময় কি আর আছে?
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ব্রাজিলের খেলায় হতাশা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ৯০+৬ মিনিটে ওডেগার্ডকে ফাউল করে হলুদ কার্ড দেখেন নেইমার। এরপর মাঝমাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনাও ছড়িয়ে পড়ে। রেফারিকে হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করতে হয়।
তবে নাটক এখানেই শেষ হয়নি। ৯০+৮ মিনিটে বক্সে আকাশী বলের লড়াইয়ে কাসেমিরোকে কনুই দিয়ে আঘাত করেন নরওয়ের বদলি ডিফেন্ডার লিও অস্টিগার্ড। সঙ্গে সঙ্গে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।
ব্রাজিল পায় দেরিতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ। কিন্তু তখন প্রশ্ন একটাই, সময় কি আর আছে?
৯০ মিনিটে ব্রাজিলকে আরও বড় ধাক্কা দেন আর্লিং হলান্ড। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের পাস থেকে এক টাচে বল সেট করে বাঁ পায়ের নিচু শটে বল পাঠান নিচের ডান কোণে। আলিসনের কিছুই করার ছিল না।
হলান্ডের ম্যাচের দ্বিতীয় গোল, বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা এখন ৭। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি ও এমবাপ্পের সমানেও উঠে গেলেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার।
নিউ জার্সিতে তখন স্কোরলাইন নরওয়ে ২, ব্রাজিল ০। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সামনে তখন প্রায় অসম্ভব লড়াই।
৯০ মিনিটে ব্রাজিলকে আরও বড় ধাক্কা দেন আর্লিং হলান্ড। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের পাস থেকে এক টাচে বল সেট করে বাঁ পায়ের নিচু শটে বল পাঠান নিচের ডান কোণে। আলিসনের কিছুই করার ছিল না।
হলান্ডের ম্যাচের দ্বিতীয় গোল, বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা এখন ৭। গোল্ডেন বুটের দৌড়ে মেসি ও এমবাপ্পের সমানেও উঠে গেলেন নরওয়ের এই স্ট্রাইকার।
নিউ জার্সিতে তখন স্কোরলাইন নরওয়ে ২, ব্রাজিল ০। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের সামনে তখন প্রায় অসম্ভব লড়াই।
নিউ জার্সিতে বড় ধাক্কা খেল ব্রাজিল। ৭৯ মিনিটে আর্লিং হলান্ডের গোলে এগিয়ে গেছে নরওয়ে। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের সহায়তা থেকে হেডে বল জালে পাঠান নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার।
পুরো ম্যাচেই নরওয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছিল। ব্রাজিল পেনাল্টি মিস করেছে, এন্দ্রিক পরিষ্কার সুযোগ নষ্ট করেছেন, আর শেষদিকে নেইমারকে নামিয়েও গোল বের করতে পারেনি সেলেসাও। সেই সুযোগটাই কাজে লাগাল নরওয়ে।
স্কোরলাইন এখন ব্রাজিল ০, নরওয়ে ১। শেষ দশ মিনিটে ব্রাজিলকে এখন ম্যাচ বাঁচাতেই ঝাঁপাতে হবে।
নিউ জার্সিতে বড় ধাক্কা খেল ব্রাজিল। ৭৯ মিনিটে আর্লিং হলান্ডের গোলে এগিয়ে গেছে নরওয়ে। আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপের সহায়তা থেকে হেডে বল জালে পাঠান নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার।
পুরো ম্যাচেই নরওয়ে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করছিল। ব্রাজিল পেনাল্টি মিস করেছে, এন্দ্রিক পরিষ্কার সুযোগ নষ্ট করেছেন, আর শেষদিকে নেইমারকে নামিয়েও গোল বের করতে পারেনি সেলেসাও। সেই সুযোগটাই কাজে লাগাল নরওয়ে।
স্কোরলাইন এখন ব্রাজিল ০, নরওয়ে ১। শেষ দশ মিনিটে ব্রাজিলকে এখন ম্যাচ বাঁচাতেই ঝাঁপাতে হবে।
গোলশূন্য ম্যাচে আক্রমণে নতুন মাত্রা আনতে নেইমারকে মাঠে নামাল ব্রাজিল। ৬৭ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির বদলে নামেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড। এর এক মিনিট পর রায়ানের জায়গায় ডানিলোকেও নামান কার্লো আনচেলত্তি।
এর আগে ৬৪ মিনিটে রক্ষণে পরিবর্তন আনে নরওয়ে। চোট কাটিয়ে ফেরা এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গতি সামলাতে বেশ পরীক্ষা দেওয়া ইউলিয়ান রায়ারসন উঠে যান, তাঁর জায়গায় রাইট-ব্যাকে নামেন ফ্রেডরিক আউরসনেস।
ভিনিসিয়ুসের থ্রু বল থেকে এন্দ্রিকের বড় সুযোগ মিসের পর ব্রাজিল এখন বেঞ্চের তারকাদের দিকে তাকিয়ে। নেইমার মাঠে নামায় শেষ ভাগে সেলেসাওর আক্রমণ আরও আগ্রাসী হতে পারে। ম্যাচ এখনো ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
গোলশূন্য ম্যাচে আক্রমণে নতুন মাত্রা আনতে নেইমারকে মাঠে নামাল ব্রাজিল। ৬৭ মিনিটে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির বদলে নামেন ব্রাজিলের তারকা ফরোয়ার্ড। এর এক মিনিট পর রায়ানের জায়গায় ডানিলোকেও নামান কার্লো আনচেলত্তি।
এর আগে ৬৪ মিনিটে রক্ষণে পরিবর্তন আনে নরওয়ে। চোট কাটিয়ে ফেরা এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের গতি সামলাতে বেশ পরীক্ষা দেওয়া ইউলিয়ান রায়ারসন উঠে যান, তাঁর জায়গায় রাইট-ব্যাকে নামেন ফ্রেডরিক আউরসনেস।
ভিনিসিয়ুসের থ্রু বল থেকে এন্দ্রিকের বড় সুযোগ মিসের পর ব্রাজিল এখন বেঞ্চের তারকাদের দিকে তাকিয়ে। নেইমার মাঠে নামায় শেষ ভাগে সেলেসাওর আক্রমণ আরও আগ্রাসী হতে পারে। ম্যাচ এখনো ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
মাঠে নামার এক মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দেওয়ার সেরা সুযোগ পেয়েছিলেন এন্দ্রিক। ৫৯ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত থ্রু বল ধরে একেবারে পরিষ্কার অবস্থানে চলে যান সদ্য নামা এই ফরোয়ার্ড।
কিন্তু দ্বিতীয় স্পর্শটি ভালো না হওয়ায় সময় পেয়ে যান নাইলান্ড। নরওয়ের গোলরক্ষক দ্রুত কোণ ছোট করে ফেলেন, আর চাপের মুখে এন্দ্রিকের দুর্বল ফিনিশিং বাঁ পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
গোলশূন্য ম্যাচে এটি ছিল ব্রাজিলের বড় সুযোগগুলোর একটি। কুনিয়ার বদলি হিসেবে নামা এন্দ্রিক সুযোগটা কাজে লাগাতে না পারায় হতাশ সেলেসাও শিবির। স্কোরলাইন এখনো ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
মাঠে নামার এক মিনিটের মধ্যেই ব্রাজিলকে এগিয়ে দেওয়ার সেরা সুযোগ পেয়েছিলেন এন্দ্রিক। ৫৯ মিনিটে ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের দুর্দান্ত থ্রু বল ধরে একেবারে পরিষ্কার অবস্থানে চলে যান সদ্য নামা এই ফরোয়ার্ড।
কিন্তু দ্বিতীয় স্পর্শটি ভালো না হওয়ায় সময় পেয়ে যান নাইলান্ড। নরওয়ের গোলরক্ষক দ্রুত কোণ ছোট করে ফেলেন, আর চাপের মুখে এন্দ্রিকের দুর্বল ফিনিশিং বাঁ পোস্টের বাইরে দিয়ে চলে যায়।
গোলশূন্য ম্যাচে এটি ছিল ব্রাজিলের বড় সুযোগগুলোর একটি। কুনিয়ার বদলি হিসেবে নামা এন্দ্রিক সুযোগটা কাজে লাগাতে না পারায় হতাশ সেলেসাও শিবির। স্কোরলাইন এখনো ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
গোলের খোঁজে ৫৮ মিনিটে প্রথম বড় আক্রমণাত্মক পরিবর্তন আনল ব্রাজিল। মাতেউস কুনিয়ার জায়গায় মাঠে নামানো হয়েছে এন্দ্রিককে। গোলশূন্য ম্যাচে আক্রমণে নতুন ধার আনতেই এই বদলি কার্লো আনচেলত্তির।
এর আগে ৫৫ মিনিটে আবারও বাঁ দিক দিয়ে গতি বাড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অস্কার বব ও রায়ারসনকে পেছনে ফেলে এগোলেও শেষ পর্যন্ত কর্নার আদায় করেই থামতে হয় তাঁকে।
কুনিয়ার নেওয়া কর্নার বক্সের ভেতর দিয়ে গেলেও হলুদ জার্সির কেউ সংযোগ করতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে এখনো গোলের অপেক্ষা, স্কোরলাইন ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
গোলের খোঁজে ৫৮ মিনিটে প্রথম বড় আক্রমণাত্মক পরিবর্তন আনল ব্রাজিল। মাতেউস কুনিয়ার জায়গায় মাঠে নামানো হয়েছে এন্দ্রিককে। গোলশূন্য ম্যাচে আক্রমণে নতুন ধার আনতেই এই বদলি কার্লো আনচেলত্তির।
এর আগে ৫৫ মিনিটে আবারও বাঁ দিক দিয়ে গতি বাড়ান ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। অস্কার বব ও রায়ারসনকে পেছনে ফেলে এগোলেও শেষ পর্যন্ত কর্নার আদায় করেই থামতে হয় তাঁকে।
কুনিয়ার নেওয়া কর্নার বক্সের ভেতর দিয়ে গেলেও হলুদ জার্সির কেউ সংযোগ করতে পারেননি। দ্বিতীয়ার্ধে এখনো গোলের অপেক্ষা, স্কোরলাইন ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ব্রাজিলের মাঝমাঠে অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে। ৪৯ মিনিটে কেন্দ্র দিয়ে অনেকটা জায়গা পেয়ে এগিয়ে যান বের্গ। শট নেওয়ার মতো জায়গাও তৈরি করেছিলেন তিনি, কিন্তু শেষ প্রচেষ্টাটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। তাঁর জোরালো শট আলিসনের গোলের অনেক ওপর দিয়ে গ্যালারিতে চলে যায়।
ব্রাজিলের জন্য উদ্বেগের আরেকটি জায়গা বলের দখল। ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপে বল দখলের হিসাব রাখার পর প্রতিটি ম্যাচেই অন্তত ৪০ শতাংশ পজেশন ছিল সেলেসাওদের। এর আগে সর্বনিম্ন ছিল ১৯৯৮ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪০ শতাংশ। কিন্তু এই ম্যাচে এখন পর্যন্ত তাদের দখল মাত্র ৩৬ শতাংশ।
নরওয়ে বল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী, আর ব্রাজিল অপেক্ষা করছে গতি ও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে সুযোগ বের করার। ম্যাচ এখনো ০-০।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ব্রাজিলের মাঝমাঠে অস্বস্তি দেখা যাচ্ছে। ৪৯ মিনিটে কেন্দ্র দিয়ে অনেকটা জায়গা পেয়ে এগিয়ে যান বের্গ। শট নেওয়ার মতো জায়গাও তৈরি করেছিলেন তিনি, কিন্তু শেষ প্রচেষ্টাটি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। তাঁর জোরালো শট আলিসনের গোলের অনেক ওপর দিয়ে গ্যালারিতে চলে যায়।
ব্রাজিলের জন্য উদ্বেগের আরেকটি জায়গা বলের দখল। ১৯৬৬ সাল থেকে বিশ্বকাপে বল দখলের হিসাব রাখার পর প্রতিটি ম্যাচেই অন্তত ৪০ শতাংশ পজেশন ছিল সেলেসাওদের। এর আগে সর্বনিম্ন ছিল ১৯৯৮ সালে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ৪০ শতাংশ। কিন্তু এই ম্যাচে এখন পর্যন্ত তাদের দখল মাত্র ৩৬ শতাংশ।
নরওয়ে বল নিয়ে আত্মবিশ্বাসী, আর ব্রাজিল অপেক্ষা করছে গতি ও ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে সুযোগ বের করার। ম্যাচ এখনো ০-০।
বিরতির পরই আক্রমণে নতুন গতি আনতে জোড়া পরিবর্তন করেছে নরওয়ে। ৪৬ মিনিটে আন্তোনিও নুসার জায়গায় মাঠে নামেন আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। একই সঙ্গে আলেক্সান্ডার সরলথের বদলে নামানো হয়েছে অস্কার ববকে।
প্রথমার্ধে বলের দখলে ভালো থাকলেও গোল পায়নি নরওয়ে। অন্যদিকে ব্রাজিলও পেনাল্টি মিসসহ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেছে। গোলশূন্য স্কোরলাইন নিয়েই শুরু হলো দ্বিতীয়ার্ধ, আর নরওয়ে শুরুতেই বেঞ্চ থেকে নতুন শক্তি নামাল।
বিরতির পরই আক্রমণে নতুন গতি আনতে জোড়া পরিবর্তন করেছে নরওয়ে। ৪৬ মিনিটে আন্তোনিও নুসার জায়গায় মাঠে নামেন আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ। একই সঙ্গে আলেক্সান্ডার সরলথের বদলে নামানো হয়েছে অস্কার ববকে।
প্রথমার্ধে বলের দখলে ভালো থাকলেও গোল পায়নি নরওয়ে। অন্যদিকে ব্রাজিলও পেনাল্টি মিসসহ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেছে। গোলশূন্য স্কোরলাইন নিয়েই শুরু হলো দ্বিতীয়ার্ধ, আর নরওয়ে শুরুতেই বেঞ্চ থেকে নতুন শক্তি নামাল।
নিউ জার্সিতে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে ব্রাজিল ও নরওয়ে গোলশূন্য সমতায়। গোল না হলেও প্রথম ৪৫ মিনিটে নাটকের অভাব ছিল না। নরওয়ের একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়েছে, আর ভিএআর দেখে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেনি ব্রাজিল।
১৪ মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন ওরিয়ান নাইলান্ড। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নিচু শটও পা বাড়িয়ে ফিরিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক। অন্যদিকে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে মার্টিন ওডেগার্ডের একা অবস্থানের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে ব্রাজিলকে বাঁচান আলিসন।
৪৫+৫ মিনিটে কাসেমিরোর দারুণ ক্রসে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। সুযোগ, সেভ, বাতিল গোল আর মিসড পেনাল্টির প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন এখনো ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
নিউ জার্সিতে শেষ ষোলোর লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে ব্রাজিল ও নরওয়ে গোলশূন্য সমতায়। গোল না হলেও প্রথম ৪৫ মিনিটে নাটকের অভাব ছিল না। নরওয়ের একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়েছে, আর ভিএআর দেখে পাওয়া পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেনি ব্রাজিল।
১৪ মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি ঠেকিয়ে দেন ওরিয়ান নাইলান্ড। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের নিচু শটও পা বাড়িয়ে ফিরিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক। অন্যদিকে প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে মার্টিন ওডেগার্ডের একা অবস্থানের শট দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে ব্রাজিলকে বাঁচান আলিসন।
৪৫+৫ মিনিটে কাসেমিরোর দারুণ ক্রসে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। সুযোগ, সেভ, বাতিল গোল আর মিসড পেনাল্টির প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন এখনো ব্রাজিল ০, নরওয়ে ০।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বড় বিপদ থেকে বাঁচল ব্রাজিল। ৪৫+৩ মিনিটে হলান্ডের তৈরি করা বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে একা অবস্থানে শট নেন মার্টিন ওডেগার্ড। বাঁ পায়ের শটটি জালে যাওয়ার আগেই দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন আলিসন।
এর আগের মিনিটে কর্নার সামলে পাল্টা আক্রমণে বেরোতে চেয়েছিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, কিন্তু নরওয়ের কয়েকজন খেলোয়াড় দ্রুত পথ বন্ধ করে দেন। এরপরই অন্য প্রান্তে তৈরি হয় নরওয়ের সবচেয়ে বড় সুযোগ।
নাইলান্ড যেমন ব্রাজিলকে হতাশ করেছেন, তেমনই বিরতির ঠিক আগে আলিসনও ব্রাজিলকে ম্যাচে রাখলেন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে দুই গোলরক্ষকের সেভই এখন পর্যন্ত ০-০ স্কোরলাইন ধরে রেখেছে।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে বড় বিপদ থেকে বাঁচল ব্রাজিল। ৪৫+৩ মিনিটে হলান্ডের তৈরি করা বিশৃঙ্খলার সুযোগ নিয়ে একা অবস্থানে শট নেন মার্টিন ওডেগার্ড। বাঁ পায়ের শটটি জালে যাওয়ার আগেই দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন আলিসন।
এর আগের মিনিটে কর্নার সামলে পাল্টা আক্রমণে বেরোতে চেয়েছিলেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি, কিন্তু নরওয়ের কয়েকজন খেলোয়াড় দ্রুত পথ বন্ধ করে দেন। এরপরই অন্য প্রান্তে তৈরি হয় নরওয়ের সবচেয়ে বড় সুযোগ।
নাইলান্ড যেমন ব্রাজিলকে হতাশ করেছেন, তেমনই বিরতির ঠিক আগে আলিসনও ব্রাজিলকে ম্যাচে রাখলেন। প্রথমার্ধের শেষ মুহূর্তে দুই গোলরক্ষকের সেভই এখন পর্যন্ত ০-০ স্কোরলাইন ধরে রেখেছে।
নরওয়ের বিপক্ষে গোলের খোঁজে মরিয়া ব্রাজিল। ৪১ মিনিটে আবারও সেলেসাওকে হতাশ করেন ওরিয়ান নাইলান্ড। নরওয়ের বক্সের কিনারায় ওডেগার্ডের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির পাস পেয়ে নিচের বাঁ কোণ লক্ষ্য করে শট নেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
তবে পা বাড়িয়ে দুর্দান্ত সেভ করেন নাইলান্ড। ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি ঠেকানোর পর এবার ভিনিসিয়ুসকেও রুখে দিয়ে নরওয়েকে ম্যাচে রাখলেন তিনি।
বল দখলে এখনো ভালো করছে নরওয়ে। ব্রাজিল মূলত গতি আর পাল্টা আক্রমণে সুযোগ খুঁজছে। বিশ্বকাপের আগের চার ম্যাচে ৯ গোল করা দলটির জন্য আজ গোল পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
নরওয়ের বিপক্ষে গোলের খোঁজে মরিয়া ব্রাজিল। ৪১ মিনিটে আবারও সেলেসাওকে হতাশ করেন ওরিয়ান নাইলান্ড। নরওয়ের বক্সের কিনারায় ওডেগার্ডের কাছ থেকে বল কেড়ে নেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র। এরপর গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির পাস পেয়ে নিচের বাঁ কোণ লক্ষ্য করে শট নেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা।
তবে পা বাড়িয়ে দুর্দান্ত সেভ করেন নাইলান্ড। ব্রুনো গিমারায়েসের পেনাল্টি ঠেকানোর পর এবার ভিনিসিয়ুসকেও রুখে দিয়ে নরওয়েকে ম্যাচে রাখলেন তিনি।
বল দখলে এখনো ভালো করছে নরওয়ে। ব্রাজিল মূলত গতি আর পাল্টা আক্রমণে সুযোগ খুঁজছে। বিশ্বকাপের আগের চার ম্যাচে ৯ গোল করা দলটির জন্য আজ গোল পাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
পেনাল্টি মিসের পরও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে চাইছে ব্রাজিল। ২৯ মিনিটে দেখা যায়, বলের দখলে বেশ পিছিয়ে সেলেসাও। তখন তাদের দখলে ছিল মাত্র ২৮ শতাংশ বল। তবে বেশি সময় বল পায়ে রেখেও নরওয়ে তখনো পরিষ্কার শট নিতে পারেনি।
৩১ মিনিটে ব্রাজিলের বড় সুযোগ তৈরি করেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। বাঁ দিক দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে উঠে বাইলাইন ধরে এগিয়ে সংকীর্ণ কোণ থেকে শট নেন তিনি। নাইলান্ড সেটি ঠেকিয়ে দেন, ফিরতি বল অল্পের জন্য ব্রুনো গিমারায়েসের কাছে পৌঁছায়নি।
এরপর দুই দলই আক্রমণে উঠেছে। নুসা আটকে গেলে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে যায় ব্রাজিল, কিন্তু ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। অন্য প্রান্তে নুসার পাস থেকে ওডেগার্ড নিচু শট নিলেও সেটি পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ম্যাচ এখনো গোলশূন্য, তবে ধীরে ধীরে গতি বাড়ছে।
পেনাল্টি মিসের পরও ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরতে চাইছে ব্রাজিল। ২৯ মিনিটে দেখা যায়, বলের দখলে বেশ পিছিয়ে সেলেসাও। তখন তাদের দখলে ছিল মাত্র ২৮ শতাংশ বল। তবে বেশি সময় বল পায়ে রেখেও নরওয়ে তখনো পরিষ্কার শট নিতে পারেনি।
৩১ মিনিটে ব্রাজিলের বড় সুযোগ তৈরি করেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। বাঁ দিক দিয়ে দুর্দান্ত গতিতে উঠে বাইলাইন ধরে এগিয়ে সংকীর্ণ কোণ থেকে শট নেন তিনি। নাইলান্ড সেটি ঠেকিয়ে দেন, ফিরতি বল অল্পের জন্য ব্রুনো গিমারায়েসের কাছে পৌঁছায়নি।
এরপর দুই দলই আক্রমণে উঠেছে। নুসা আটকে গেলে দ্রুত পাল্টা আক্রমণে যায় ব্রাজিল, কিন্তু ভিনিসিয়ুস জুনিয়র বল নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেননি। অন্য প্রান্তে নুসার পাস থেকে ওডেগার্ড নিচু শট নিলেও সেটি পোস্টের বাইরে দিয়ে যায়। ম্যাচ এখনো গোলশূন্য, তবে ধীরে ধীরে গতি বাড়ছে।
সুযোগ পেয়েও এগিয়ে যেতে পারল না ব্রাজিল। ১৪ মিনিটে পেনাল্টি নিতে আসেন ব্রুনো গিমারায়েস, কিন্তু তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নাইলান্ড।
ভিএআর দেখে পাওয়া পেনাল্টি ছিল ব্রাজিলের জন্য ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার সেরা সুযোগ। কিন্তু নাইলান্ডের সেভে স্কোরলাইন থাকে ০-০। অন্যদিকে শুরুতেই গোল বাতিল হওয়া নরওয়ে এই সেভ থেকে আরও আত্মবিশ্বাস পেতে পারে।
প্রথম ১৫ মিনিটেই ম্যাচে নাটক কম হয়নি। নরওয়ের বাতিল গোল, ব্রাজিলের পেনাল্টি পাওয়া, আর তারপর ব্রুনোর মিস। নিউ জার্সির শেষ ষোলোর লড়াই জমে উঠেছে শুরু থেকেই।
সুযোগ পেয়েও এগিয়ে যেতে পারল না ব্রাজিল। ১৪ মিনিটে পেনাল্টি নিতে আসেন ব্রুনো গিমারায়েস, কিন্তু তাঁর শট ঠেকিয়ে দেন নরওয়ের গোলরক্ষক ওরিয়ান নাইলান্ড।
ভিএআর দেখে পাওয়া পেনাল্টি ছিল ব্রাজিলের জন্য ম্যাচে এগিয়ে যাওয়ার সেরা সুযোগ। কিন্তু নাইলান্ডের সেভে স্কোরলাইন থাকে ০-০। অন্যদিকে শুরুতেই গোল বাতিল হওয়া নরওয়ে এই সেভ থেকে আরও আত্মবিশ্বাস পেতে পারে।
প্রথম ১৫ মিনিটেই ম্যাচে নাটক কম হয়নি। নরওয়ের বাতিল গোল, ব্রাজিলের পেনাল্টি পাওয়া, আর তারপর ব্রুনোর মিস। নিউ জার্সির শেষ ষোলোর লড়াই জমে উঠেছে শুরু থেকেই।
১০ মিনিটে পেনাল্টির জোরালো দাবি তোলে ব্রাজিল। ব্রুনো গিমারায়েস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির বোঝাপড়ার পর বল যায় বক্সের বাঁ পাশে মাতেউস কুনিয়ার দিকে। বল ধরার আগেই আয়ারের চ্যালেঞ্জে পড়ে যান কুনিয়া।
প্রথমে পেনাল্টি দেননি রেফারি। তবে ভিএআর পরীক্ষা শেষে পিচসাইড মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি। ১২ মিনিটে স্পটকিক পায় ব্রাজিল।
ম্যাচে প্রথম পরিষ্কার সুযোগই পেনাল্টি থেকে পেল সেলেসাও। কিন্তু সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্কও আছে। পেনাল্টি ছিল কি না, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও মতভেদ তৈরি হয়েছে।
১০ মিনিটে পেনাল্টির জোরালো দাবি তোলে ব্রাজিল। ব্রুনো গিমারায়েস ও গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির বোঝাপড়ার পর বল যায় বক্সের বাঁ পাশে মাতেউস কুনিয়ার দিকে। বল ধরার আগেই আয়ারের চ্যালেঞ্জে পড়ে যান কুনিয়া।
প্রথমে পেনাল্টি দেননি রেফারি। তবে ভিএআর পরীক্ষা শেষে পিচসাইড মনিটরে দেখে সিদ্ধান্ত বদলান তিনি। ১২ মিনিটে স্পটকিক পায় ব্রাজিল।
ম্যাচে প্রথম পরিষ্কার সুযোগই পেনাল্টি থেকে পেল সেলেসাও। কিন্তু সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিতর্কও আছে। পেনাল্টি ছিল কি না, তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও মতভেদ তৈরি হয়েছে।
ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা থেকে বেঁচে যায় ব্রাজিল। ৩ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান বের্গ। কিন্তু আক্রমণের শুরুতে ডান দিক দিয়ে এগোনোর সময় সরলথ অফসাইডে থাকায় গোল বাতিল হয়।
শুরুর কয়েক মিনিটে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখায় নরওয়েকে। বল দখলে রেখে দ্রুত দিক বদল করে ব্রাজিলকে চাপে রাখে তারা। ৬ মিনিটে কর্নারও পায় নরওয়ে, ওডেগার্ডের ডেলিভারি শেষ পর্যন্ত বিপদমুক্ত করেন মারকিনিয়োস।
ব্রাজিল ধীরে ধীরে বল পায়ে সময় নিতে শুরু করে। ৮ মিনিটে বাম দিক দিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দুজনকে কাটিয়ে এগোলেও শেষ পর্যন্ত বাইলাইনের কাছে জায়গা হারান। ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের চেয়ে নরওয়েকেই বেশি ধারালো দেখাচ্ছে।
ম্যাচের শুরুতেই বড় ধাক্কা থেকে বেঁচে যায় ব্রাজিল। ৩ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান বের্গ। কিন্তু আক্রমণের শুরুতে ডান দিক দিয়ে এগোনোর সময় সরলথ অফসাইডে থাকায় গোল বাতিল হয়।
শুরুর কয়েক মিনিটে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখায় নরওয়েকে। বল দখলে রেখে দ্রুত দিক বদল করে ব্রাজিলকে চাপে রাখে তারা। ৬ মিনিটে কর্নারও পায় নরওয়ে, ওডেগার্ডের ডেলিভারি শেষ পর্যন্ত বিপদমুক্ত করেন মারকিনিয়োস।
ব্রাজিল ধীরে ধীরে বল পায়ে সময় নিতে শুরু করে। ৮ মিনিটে বাম দিক দিয়ে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র দুজনকে কাটিয়ে এগোলেও শেষ পর্যন্ত বাইলাইনের কাছে জায়গা হারান। ম্যাচের শুরুতে ব্রাজিলের চেয়ে নরওয়েকেই বেশি ধারালো দেখাচ্ছে।
নিউ জার্সিতে শেষ ষোলোর বড় ম্যাচে মুখোমুখি ব্রাজিল ও নরওয়ে। হলুদ জার্সি ও নীল শর্টসে নেমেছে ব্রাজিল, আর পরিচিত লাল-সাদা জার্সিতে ম্যাচ শুরু করেছে নরওয়ে।
কার্লো আনচেলত্তির একাদশে বাধ্যতামূলক একটি পরিবর্তন আছে। জাপানের বিপক্ষে চোট পাওয়া লুকাস পাকেতা নেই, তাঁর জায়গায় শুরু করেছেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। নেইমার বেঞ্চে, রাফিনিয়াও এখনো পুরো ছন্দে না ফেরায় বেঞ্চেই আছেন।
নরওয়ের দলে ফিরেছেন রায়ারসন। আক্রমণের নেতৃত্বে আছেন আর্লিং হলান্ড, যিনি টানা ১৩ প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচে গোল করেছেন। শেষ আটে উঠলে এই ম্যাচের জয়ী দল খেলবে মেক্সিকো-ইংল্যান্ড ম্যাচের জয়ীর বিপক্ষে।
নিউ জার্সিতে শেষ ষোলোর বড় ম্যাচে মুখোমুখি ব্রাজিল ও নরওয়ে। হলুদ জার্সি ও নীল শর্টসে নেমেছে ব্রাজিল, আর পরিচিত লাল-সাদা জার্সিতে ম্যাচ শুরু করেছে নরওয়ে।
কার্লো আনচেলত্তির একাদশে বাধ্যতামূলক একটি পরিবর্তন আছে। জাপানের বিপক্ষে চোট পাওয়া লুকাস পাকেতা নেই, তাঁর জায়গায় শুরু করেছেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। নেইমার বেঞ্চে, রাফিনিয়াও এখনো পুরো ছন্দে না ফেরায় বেঞ্চেই আছেন।
নরওয়ের দলে ফিরেছেন রায়ারসন। আক্রমণের নেতৃত্বে আছেন আর্লিং হলান্ড, যিনি টানা ১৩ প্রতিযোগিতামূলক আন্তর্জাতিক ম্যাচে গোল করেছেন। শেষ আটে উঠলে এই ম্যাচের জয়ী দল খেলবে মেক্সিকো-ইংল্যান্ড ম্যাচের জয়ীর বিপক্ষে।