

মসুর ডাল আমাদের প্রতিদিনের খাবারের খুবই পরিচিত একটি অংশ। এটি প্রোটিন, আঁশ, আয়রন ও নানা ধরনের পুষ্টি উপাদানে ভরপুর। তাই অনেকেই নিয়মিত খাদ্যতালিকায় মসুর ডাল রাখেন। তবে যতই উপকারী হোক না কেন, কিছু মানুষের ক্ষেত্রে এই ডাল ক্ষতির কারণও হতে পারে।

সকালের ঘুমঘুম ভাব কাটাতে এক কাপ কফি অনেকেরই নিত্যদিনের সঙ্গী। কাজের ফাঁকে ক্লান্তি কমাতেও অনেকে কফির ওপর নির্ভর করেন। পরিমিত কফি বেশির ভাগ সুস্থ মানুষের জন্য সাধারণত সমস্যা তৈরি করে না। তবে সবার শরীরে ক্যাফেইনের প্রভাব এক রকম নয়।

খাওয়ার পর পেটের ওপরের দিকে জ্বালা, অস্বস্তি বা ব্যথা হলে অনেকেই সেটিকে গ্যাস বা অ্যাসিডিটির সমস্যা বলে ধরে নেন। কখনও কখনও সাধারণ বদহজমের কারণেও এমন হতে পারে। তবে ব্যথা যদি হঠাৎ তীব্র হয়, দীর্ঘক্ষণ থাকে বা পেট থেকে পিঠের দিকে ছড়িয়ে পড়ে, তাহলে বিষয়টি শুধু অ্যাসিডিটি নাও হতে পারে।

হার্টের অসুখ সবসময় লক্ষণ দিয়ে শুরু হয় না। অনেকের শরীরে হৃদ্যন্ত্রের ধমনিতে ধীরে ধীরে চর্বি ও কোলেস্টেরল জমলেও বাইরে থেকে কোনো সমস্যা বোঝা যায় না। সময়ের সঙ্গে এই প্লাক শক্ত হয়ে সেখানে ক্যালসিয়াম জমতে পারে।

ফুসফুসের ক্যানসার বলতেই অনেকের প্রথমে মনে আসে ধূমপানের কথা। আবার কেউ মনে করেন, ধূমপান না করলে এই রোগ হওয়ার আশঙ্কা নেই। কারও ধারণা, শুধু দীর্ঘদিনের কাশি থাকলেই ফুসফুসের ক্যানসার হয়েছে বুঝতে হবে। আবার কেউ ভাবেন, একবার ধূমপান ছেড়ে দিলেই ক্যানসারের ঝুঁকি সঙ্গে সঙ্গে আগের মতো হয়ে যায়।

মাথাব্যথা, কোমরব্যথা, দাঁতের ব্যথা কিংবা শরীরের অন্য কোনো জায়গায় ব্যথা হলেই অনেকে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই ব্যথানাশক ওষুধ খেয়ে নেন। ব্যথা কমে গেলেই মনে হয় সমস্যা মিটে গেছে। কিন্তু এই অভ্যাস যদি বারবার হতে থাকে, তখন ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কথাও মনে রাখা জরুরি।