আক্রমণে নতুন মুখ আনল আর্জেন্টিনা

লিড ধরে রেখেই আক্রমণে পরিবর্তন আনলেন লিওনেল স্কালোনি। দ্বিতীয়ার্ধের ১৮ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের বদলে মাঠে নামেন নিকোলাস গনসালেস। একই সঙ্গে থিয়াগো আলমাদার জায়গায় নামানো হয় হুলিয়ান আলভারেজকে।
পরিবর্তনের পরই সুযোগ পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক গোলের উদ্দেশে শট নিলেও সেটি লক্ষ্যে থাকেনি। ইতিহাসগড়া গোলের পর আবারও গোলের কাছাকাছি গিয়েছিলেন তিনি।
অস্ট্রিয়া দ্বিতীয়ার্ধে চাপ বাড়ালেও আর্জেন্টিনা এখনো ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। শেষ ভাগে স্কালোনির দল চাইছে লিড ধরে রেখে ম্যাচ শেষ করতে, আর সম্ভব হলে পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়াতে।
লিড ধরে রেখেই আক্রমণে পরিবর্তন আনলেন লিওনেল স্কালোনি। দ্বিতীয়ার্ধের ১৮ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের বদলে মাঠে নামেন নিকোলাস গনসালেস। একই সঙ্গে থিয়াগো আলমাদার জায়গায় নামানো হয় হুলিয়ান আলভারেজকে।
পরিবর্তনের পরই সুযোগ পেয়েছিলেন লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনা অধিনায়ক গোলের উদ্দেশে শট নিলেও সেটি লক্ষ্যে থাকেনি। ইতিহাসগড়া গোলের পর আবারও গোলের কাছাকাছি গিয়েছিলেন তিনি।
অস্ট্রিয়া দ্বিতীয়ার্ধে চাপ বাড়ালেও আর্জেন্টিনা এখনো ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে। শেষ ভাগে স্কালোনির দল চাইছে লিড ধরে রেখে ম্যাচ শেষ করতে, আর সম্ভব হলে পাল্টা আক্রমণে ব্যবধান বাড়াতে।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছে অস্ট্রিয়া। ৫৪ মিনিটে মার্সেল সাবিৎজারের জোরালো শট ঠেকাতে দারুণ সেভ করতে হয় এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে। আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক ডাইভ দিয়ে দলকে রক্ষা করেন।
এরপরও অস্ট্রিয়ার শারীরিক ফুটবল থামেনি। ৫৬ মিনিটে আর্জেন্টিনার অর্ধে লাউতারো মার্তিনেজের ওপর কঠিন চ্যালেঞ্জ করে তারা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এখন আর্জেন্টিনাকে আরও সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
৫৭ মিনিটে পরিবর্তন আনেন লিওনেল স্কালোনি। ব্যথা পাওয়া কুটি রোমেরোকে তুলে মাঠে নামানো হয়েছে নিকোলাস ওতামেন্দিকে। স্কোরলাইন এখনো আর্জেন্টিনা ১-০ অস্ট্রিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণের ধার বাড়িয়েছে অস্ট্রিয়া। ৫৪ মিনিটে মার্সেল সাবিৎজারের জোরালো শট ঠেকাতে দারুণ সেভ করতে হয় এমিলিয়ানো মার্তিনেজকে। আর্জেন্টিনা গোলরক্ষক ডাইভ দিয়ে দলকে রক্ষা করেন।
এরপরও অস্ট্রিয়ার শারীরিক ফুটবল থামেনি। ৫৬ মিনিটে আর্জেন্টিনার অর্ধে লাউতারো মার্তিনেজের ওপর কঠিন চ্যালেঞ্জ করে তারা। ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে এখন আর্জেন্টিনাকে আরও সতর্ক থাকতে হচ্ছে।
৫৭ মিনিটে পরিবর্তন আনেন লিওনেল স্কালোনি। ব্যথা পাওয়া কুটি রোমেরোকে তুলে মাঠে নামানো হয়েছে নিকোলাস ওতামেন্দিকে। স্কোরলাইন এখনো আর্জেন্টিনা ১-০ অস্ট্রিয়া।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর্জেন্টিনা রক্ষণকে পরীক্ষা করার চেষ্টা করছে অস্ট্রিয়া। ৪৬ মিনিটে তাদের একটি আক্রমণ বিপদ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত বল ক্লিয়ার করতে পারে স্কালোনির দল। পরের মিনিটে অস্ট্রিয়ার আরেকটি ক্রস সরাসরি এমিলিয়ানো মার্তিনেজের হাতে জমা পড়ে।
এখন পর্যন্ত ম্যাচে খুব বেশি কাজ করতে হয়নি দিবুকে। তবে ৪৮ মিনিটে খেলা থামাতে হয় কুটি রোমেরো ব্যথা নিয়ে মাটিতে পড়ে থাকায়। প্রতিপক্ষের পা তার ওপর পড়ায় অস্বস্তিতে পড়েন আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার।
স্কোরলাইন এখনো আর্জেন্টিনা ১-০ অস্ট্রিয়া। মেসির ইতিহাসগড়া গোলের লিড ধরে রেখে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর্জেন্টিনা রক্ষণকে পরীক্ষা করার চেষ্টা করছে অস্ট্রিয়া। ৪৬ মিনিটে তাদের একটি আক্রমণ বিপদ তৈরি করলেও শেষ পর্যন্ত বল ক্লিয়ার করতে পারে স্কালোনির দল। পরের মিনিটে অস্ট্রিয়ার আরেকটি ক্রস সরাসরি এমিলিয়ানো মার্তিনেজের হাতে জমা পড়ে।
এখন পর্যন্ত ম্যাচে খুব বেশি কাজ করতে হয়নি দিবুকে। তবে ৪৮ মিনিটে খেলা থামাতে হয় কুটি রোমেরো ব্যথা নিয়ে মাটিতে পড়ে থাকায়। প্রতিপক্ষের পা তার ওপর পড়ায় অস্বস্তিতে পড়েন আর্জেন্টিনা ডিফেন্ডার।
স্কোরলাইন এখনো আর্জেন্টিনা ১-০ অস্ট্রিয়া। মেসির ইতিহাসগড়া গোলের লিড ধরে রেখে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
মেসির ঐতিহাসিক গোলের পর শুরু দ্বিতীয়ার্ধের খেলা।
মেসির ঐতিহাসিক গোলের পর শুরু দ্বিতীয়ার্ধের খেলা।
ডালাসে প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। শুরুতে পেনাল্টি মিস করে বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন লিওনেল মেসি। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে প্রথমার্ধের শেষ দিকে ইতিহাসগড়া গোল করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
বাঁ দিক থেকে ফাকুন্দো মেদিনার দারুণ পাস পেয়ে নিজের চেনা ভঙ্গিতে নিয়ার পোস্টে নিখুঁত শটে গোল করেন মেসি। এই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন তিনি। ১৭ গোল নিয়ে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার নম্বর টেন।
মেসির এই বিশ্বকাপে এটি চতুর্থ গোল। গোলের পর ডালাসের গ্যালারি আর্জেন্টিনা উৎসবে পরিণত হয়। অস্ট্রিয়া শুরুতে হাই প্রেসে আর্জেন্টিনাকে অস্বস্তিতে ফেললেও গোলের ধাক্কায় শেষ দিকে তারাই কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ে।
ডালাসে প্রথমার্ধ শেষে অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। শুরুতে পেনাল্টি মিস করে বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন লিওনেল মেসি। তবে সেই হতাশা কাটিয়ে প্রথমার্ধের শেষ দিকে ইতিহাসগড়া গোল করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
বাঁ দিক থেকে ফাকুন্দো মেদিনার দারুণ পাস পেয়ে নিজের চেনা ভঙ্গিতে নিয়ার পোস্টে নিখুঁত শটে গোল করেন মেসি। এই গোলেই বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন তিনি। ১৭ গোল নিয়ে মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার নম্বর টেন।
মেসির এই বিশ্বকাপে এটি চতুর্থ গোল। গোলের পর ডালাসের গ্যালারি আর্জেন্টিনা উৎসবে পরিণত হয়। অস্ট্রিয়া শুরুতে হাই প্রেসে আর্জেন্টিনাকে অস্বস্তিতে ফেললেও গোলের ধাক্কায় শেষ দিকে তারাই কিছুটা এলোমেলো হয়ে পড়ে।
অবশেষে ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার নম্বর টেন।
এর আগে ১৬ গোল নিয়ে মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন মেসি। আজকের গোল তাঁকে ক্লোসার ওপরে তুলে দিল। বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও নিজের নাম নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
শুরুতে পেনাল্টি মিস করে বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন মেসি। কিন্তু সেই হতাশা পেছনে ফেলে ঠিকই গোল পেলেন তিনি। আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।
অবশেষে ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গোল করে বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন আর্জেন্টিনার নম্বর টেন।
এর আগে ১৬ গোল নিয়ে মিরোস্লাভ ক্লোসার সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে ছিলেন মেসি। আজকের গোল তাঁকে ক্লোসার ওপরে তুলে দিল। বিশ্বকাপের মঞ্চে আবারও নিজের নাম নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
শুরুতে পেনাল্টি মিস করে বড় সুযোগ হাতছাড়া করেছিলেন মেসি। কিন্তু সেই হতাশা পেছনে ফেলে ঠিকই গোল পেলেন তিনি। আর্জেন্টিনা এগিয়ে গেল ১-০ গোলে।
শুরুতেই আর্জেন্টিনাকে স্বস্তিতে খেলতে দিচ্ছে না অস্ট্রিয়া। রালফ রাংনিকের দল ওপর থেকে চাপ দিচ্ছে, ফলে আর্জেন্টিনা এখনো মাঝমাঠে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছে না।
মেসি-দে পলদের পায়ে বল এলেও অস্ট্রিয়ার দ্রুত প্রেসিংয়ে আর্জেন্টিনার পাসিং এখন পর্যন্ত খুব মসৃণ নয়। শুরুটা তাই প্রত্যাশার চেয়ে কঠিন হলো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য।
শুরুতেই আর্জেন্টিনাকে স্বস্তিতে খেলতে দিচ্ছে না অস্ট্রিয়া। রালফ রাংনিকের দল ওপর থেকে চাপ দিচ্ছে, ফলে আর্জেন্টিনা এখনো মাঝমাঠে ছন্দ খুঁজে পাচ্ছে না।
মেসি-দে পলদের পায়ে বল এলেও অস্ট্রিয়ার দ্রুত প্রেসিংয়ে আর্জেন্টিনার পাসিং এখন পর্যন্ত খুব মসৃণ নয়। শুরুটা তাই প্রত্যাশার চেয়ে কঠিন হলো বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের জন্য।
ডালাসে শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা, কিন্তু কাজে লাগাতে পারলেন না লিওনেল মেসি। ৮ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের ওপর ফাউলের ঘটনায় VAR দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি।
স্পট কিকে দাঁড়ান মেসি। গোল করতে পারলেই মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যেতেন তিনি। কিন্তু শটটি এতটাই কোণে রাখতে চেয়েছিলেন যে বল পোস্টের বাইরে চলে যায়।
৯ মিনিটে পেনাল্টি মিস করে বড় সুযোগ হাতছাড়া করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তথ্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার জার্সিতে এটি মেসির ষষ্ঠ পেনাল্টি মিস। স্কোরলাইন এখনো আর্জেন্টিনা ০-০ অস্ট্রিয়া।
ডালাসে শুরুতেই এগিয়ে যাওয়ার দারুণ সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা, কিন্তু কাজে লাগাতে পারলেন না লিওনেল মেসি। ৮ মিনিটে লাউতারো মার্তিনেজের ওপর ফাউলের ঘটনায় VAR দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি।
স্পট কিকে দাঁড়ান মেসি। গোল করতে পারলেই মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যেতেন তিনি। কিন্তু শটটি এতটাই কোণে রাখতে চেয়েছিলেন যে বল পোস্টের বাইরে চলে যায়।
৯ মিনিটে পেনাল্টি মিস করে বড় সুযোগ হাতছাড়া করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। তথ্য অনুযায়ী, আর্জেন্টিনার জার্সিতে এটি মেসির ষষ্ঠ পেনাল্টি মিস। স্কোরলাইন এখনো আর্জেন্টিনা ০-০ অস্ট্রিয়া।
ম্যাচ শুরু হয়েছে।
ম্যাচ শুরু হয়েছে।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শুধু জয় নয়, লিওনেল মেসির সামনে আজ ইতিহাস গড়ারও সুযোগ। বিশ্বকাপে মেসির গোল এখন ১৬টি, মিরোস্লাভ ক্লোসার সমান। আজ এক গোল করলেই ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
মেসি তার শেষ পাঁচ বিশ্বকাপ ম্যাচে সরাসরি ১০ গোলে জড়িত, করেছেন ৮ গোল, করিয়েছেন ২টি। আজ গোল পেলে আরেকটি বিরল অর্জনও ছুঁবেন তিনি—বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল করা মাত্র তৃতীয় ফুটবলার হওয়ার সুযোগ তার সামনে।
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকা: মেসি ১৬, মিরোস্লাভ ক্লোসা ১৬, রোনালদো নাজারিও ১৫, কিলিয়ান এমবাপ্পে ১৪, গার্ড মুলার ১৪।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শুধু জয় নয়, লিওনেল মেসির সামনে আজ ইতিহাস গড়ারও সুযোগ। বিশ্বকাপে মেসির গোল এখন ১৬টি, মিরোস্লাভ ক্লোসার সমান। আজ এক গোল করলেই ক্লোসাকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসের একক সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে যাবেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক।
মেসি তার শেষ পাঁচ বিশ্বকাপ ম্যাচে সরাসরি ১০ গোলে জড়িত, করেছেন ৮ গোল, করিয়েছেন ২টি। আজ গোল পেলে আরেকটি বিরল অর্জনও ছুঁবেন তিনি—বিশ্বকাপে টানা ছয় ম্যাচে গোল করা মাত্র তৃতীয় ফুটবলার হওয়ার সুযোগ তার সামনে।
বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকা: মেসি ১৬, মিরোস্লাভ ক্লোসা ১৬, রোনালদো নাজারিও ১৫, কিলিয়ান এমবাপ্পে ১৪, গার্ড মুলার ১৪।
জর্ডানের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ের পর আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একাদশে তিন পরিবর্তন এনেছেন অস্ট্রিয়া কোচ রালফ রাংনিক। কেভিন ডানসো, পল ভানার ও মাইকেল গ্রেগোরিচ জায়গা পেয়েছেন একাদশে। বাইরে গেছেন ফিলিপ লিয়েনহার্ট, ফিলিপ মভেনে ও সাশা কালাইদজিচ।
অস্ট্রিয়া একাদশ: আলেক্সান্ডার শ্লাগার; কেভিন ডানসো, স্টেফান পস, ডেভিড আলাবা; জাভের শ্লাগার, নিকোলাস সাইভাল্ড, মার্সেল সাবিৎজার, রোমানো শ্মিড, কনরাড লাইমার, পল ভানার; মাইকেল গ্রেগোরিচ।
জর্ডানের বিপক্ষে ৩-১ গোলের জয়ের পর আর্জেন্টিনার বিপক্ষে একাদশে তিন পরিবর্তন এনেছেন অস্ট্রিয়া কোচ রালফ রাংনিক। কেভিন ডানসো, পল ভানার ও মাইকেল গ্রেগোরিচ জায়গা পেয়েছেন একাদশে। বাইরে গেছেন ফিলিপ লিয়েনহার্ট, ফিলিপ মভেনে ও সাশা কালাইদজিচ।
অস্ট্রিয়া একাদশ: আলেক্সান্ডার শ্লাগার; কেভিন ডানসো, স্টেফান পস, ডেভিড আলাবা; জাভের শ্লাগার, নিকোলাস সাইভাল্ড, মার্সেল সাবিৎজার, রোমানো শ্মিড, কনরাড লাইমার, পল ভানার; মাইকেল গ্রেগোরিচ।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শক্তিশালী একাদশ নিয়েই নামছে আর্জেন্টিনা। আক্রমণে আছেন লিওনেল মেসি ও লাউতারো মার্তিনেজ। মাঝমাঠে রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও থিয়াগো আলমাদা।
আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ; নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ফাকুন্দো মেদিনা; রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, থিয়াগো আলমাদা; লাউতারো মার্তিনেজ ও লিওনেল মেসি।
অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শক্তিশালী একাদশ নিয়েই নামছে আর্জেন্টিনা। আক্রমণে আছেন লিওনেল মেসি ও লাউতারো মার্তিনেজ। মাঝমাঠে রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও থিয়াগো আলমাদা।
আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ; নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ফাকুন্দো মেদিনা; রদ্রিগো দে পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, থিয়াগো আলমাদা; লাউতারো মার্তিনেজ ও লিওনেল মেসি।
ডালাস স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়া। ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে দারুণ আবহ। প্রায় ৮০ হাজার দর্শক অপেক্ষায়, গ্যালারির বড় অংশ আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা রঙে রাঙানো।
দুই দলের ফুটবলাররাও টানেল থেকে মাঠে নামার প্রস্তুতিতে। মাঠের কভার সরানো হচ্ছে, এখন শুধু বল গড়ানোর অপেক্ষা।
ডালাস স্টেডিয়ামে বিশ্বকাপের গ্রুপ ‘জে’ ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও অস্ট্রিয়া। ম্যাচ শুরুর আগে স্টেডিয়ামে দারুণ আবহ। প্রায় ৮০ হাজার দর্শক অপেক্ষায়, গ্যালারির বড় অংশ আর্জেন্টিনার আকাশি-সাদা রঙে রাঙানো।
দুই দলের ফুটবলাররাও টানেল থেকে মাঠে নামার প্রস্তুতিতে। মাঠের কভার সরানো হচ্ছে, এখন শুধু বল গড়ানোর অপেক্ষা।