জর্ডানের গোলের পর মাঠে নামলেন মেসি

জর্ডানের গোলের পর দ্রুত বেঞ্চ নড়াল আর্জেন্টিনা। ৬০ মিনিটে মাঠে নামলেন লিওনেল মেসি। লাউতারো মার্তিনেজকে তুলে নিয়ে তাঁকে নামিয়েছেন লিওনেল স্কালোনি।
একই সময়ে আরও দুই পরিবর্তন আনে আর্জেন্টিনা। জিওভানি লো সেলসোর জায়গায় নামেন থিয়াগো আলমাদা। এরপর ৬১ মিনিটে নিকো পাজের বদলে মাঠে আসেন আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার।
লো সেলসো ফ্রি-কিক থেকে গোল করেছিলেন, আর লাউতারো পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেছিলেন। তবে আল তামারির গোলে জর্ডান ম্যাচে ফেরার পর এখন মেসিকে নিয়ে আবার নিয়ন্ত্রণ ফেরাতে চাইছে আর্জেন্টিনা। স্কোরলাইন: জর্ডান ১-২ আর্জেন্টিনা।
জর্ডানের গোলের পর দ্রুত বেঞ্চ নড়াল আর্জেন্টিনা। ৬০ মিনিটে মাঠে নামলেন লিওনেল মেসি। লাউতারো মার্তিনেজকে তুলে নিয়ে তাঁকে নামিয়েছেন লিওনেল স্কালোনি।
একই সময়ে আরও দুই পরিবর্তন আনে আর্জেন্টিনা। জিওভানি লো সেলসোর জায়গায় নামেন থিয়াগো আলমাদা। এরপর ৬১ মিনিটে নিকো পাজের বদলে মাঠে আসেন আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার।
লো সেলসো ফ্রি-কিক থেকে গোল করেছিলেন, আর লাউতারো পেনাল্টি থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেছিলেন। তবে আল তামারির গোলে জর্ডান ম্যাচে ফেরার পর এখন মেসিকে নিয়ে আবার নিয়ন্ত্রণ ফেরাতে চাইছে আর্জেন্টিনা। স্কোরলাইন: জর্ডান ১-২ আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমেই ম্যাচে প্রভাব রাখলেন মুসা আল তামারি। ৫৫ মিনিটে তাঁর বাঁ পায়ের গোলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্যবধান কমিয়েছে জর্ডান।
ডান দিক থেকে এহসান হাদ্দাদের সহায়তায় বল পেয়ে সুযোগ কাজে লাগান আল তামারি। বিরতিতে তাঁকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত তাই দ্রুতই ফল দিয়েছে জর্ডানকে।
এর আগে ৫৩ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। বাঁ দিক থেকে ভেতরে ঢুকে বিপজ্জনক শট নিয়েছিলেন লাউতারো মার্তিনেজ, কিন্তু বল ক্রসবারে লাগে। সেই সুযোগ মিসের দুই মিনিট পরই গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনল জর্ডান। স্কোরলাইন: জর্ডান ১-২ আর্জেন্টিনা।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমেই ম্যাচে প্রভাব রাখলেন মুসা আল তামারি। ৫৫ মিনিটে তাঁর বাঁ পায়ের গোলে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্যবধান কমিয়েছে জর্ডান।
ডান দিক থেকে এহসান হাদ্দাদের সহায়তায় বল পেয়ে সুযোগ কাজে লাগান আল তামারি। বিরতিতে তাঁকে মাঠে নামানোর সিদ্ধান্ত তাই দ্রুতই ফল দিয়েছে জর্ডানকে।
এর আগে ৫৩ মিনিটে ব্যবধান আরও বাড়ানোর দারুণ সুযোগ পেয়েছিল আর্জেন্টিনা। বাঁ দিক থেকে ভেতরে ঢুকে বিপজ্জনক শট নিয়েছিলেন লাউতারো মার্তিনেজ, কিন্তু বল ক্রসবারে লাগে। সেই সুযোগ মিসের দুই মিনিট পরই গোল করে ম্যাচে উত্তেজনা ফিরিয়ে আনল জর্ডান। স্কোরলাইন: জর্ডান ১-২ আর্জেন্টিনা।
ডালাস স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হয়েছে। ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা জর্ডান বিরতির পরই দুটি পরিবর্তন এনেছে।
ওদেহ ফাখুরির জায়গায় মাঠে নেমেছেন মাহমুদ আল মার্দি। আর আলি আজাইজেহর বদলে নামানো হয়েছে মুসা আল তামারিকে। আক্রমণে নতুন গতি আনতেই এই পরিবর্তন জর্ডানের।
অন্যদিকে দুই গোলের লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। লো সেলসো ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে এগিয়ে থাকা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লক্ষ্য এখন নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ম্যাচ শেষ করা।
ডালাস স্টেডিয়ামে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হয়েছে। ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা জর্ডান বিরতির পরই দুটি পরিবর্তন এনেছে।
ওদেহ ফাখুরির জায়গায় মাঠে নেমেছেন মাহমুদ আল মার্দি। আর আলি আজাইজেহর বদলে নামানো হয়েছে মুসা আল তামারিকে। আক্রমণে নতুন গতি আনতেই এই পরিবর্তন জর্ডানের।
অন্যদিকে দুই গোলের লিড নিয়ে দ্বিতীয়ার্ধ শুরু করেছে আর্জেন্টিনা। লো সেলসো ও লাউতারো মার্তিনেজের গোলে এগিয়ে থাকা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের লক্ষ্য এখন নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখে ম্যাচ শেষ করা।
ডালাস স্টেডিয়ামে বিরতিতে ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। মেসিকে বিশ্রাম দিয়ে নামা রোটেটেড একাদশ নিয়েও প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বেশির ভাগ সময়ই ছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হাতে।
শুরুতে লো সেলসোর একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়েছিল। তবে ১৯ মিনিটে সেই আক্ষেপ ভুলিয়ে দেন তিনিই। আবু তাহার চ্যালেঞ্জে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে জর্ডান গোলরক্ষক আবুলায়লাকে পরাস্ত করেন লো সেলসো। চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির বাইরে এটিই প্রথম গোল।
৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। আলভারেজকে ক্লিয়ার করতে গিয়ে মুখে আঘাত করেন হাদ্দাদ। ভিএআর দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি ইস্তভান কোভাচ। স্পট-কিক থেকে গোল করে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল পান লাউতারো।
জর্ডান প্রথমার্ধে খুব বেশি বিপদ তৈরি করতে পারেনি। তাদের দুটো চেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট বা ব্লকড হয়েছে। অন্যদিকে খুব বেশি চাপ ছাড়াই কার্যকর ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। বিরতির স্কোর: জর্ডান ০-২ আর্জেন্টিনা।
ডালাস স্টেডিয়ামে বিরতিতে ২-০ গোলে এগিয়ে আর্জেন্টিনা। মেসিকে বিশ্রাম দিয়ে নামা রোটেটেড একাদশ নিয়েও প্রথমার্ধে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ বেশির ভাগ সময়ই ছিল বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের হাতে।
শুরুতে লো সেলসোর একটি গোল অফসাইডে বাতিল হয়েছিল। তবে ১৯ মিনিটে সেই আক্ষেপ ভুলিয়ে দেন তিনিই। আবু তাহার চ্যালেঞ্জে পাওয়া ফ্রি-কিক থেকে বাঁ পায়ের দুর্দান্ত শটে জর্ডান গোলরক্ষক আবুলায়লাকে পরাস্ত করেন লো সেলসো। চলতি বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে মেসির বাইরে এটিই প্রথম গোল।
৩১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন লাউতারো মার্তিনেজ। আলভারেজকে ক্লিয়ার করতে গিয়ে মুখে আঘাত করেন হাদ্দাদ। ভিএআর দেখে পেনাল্টি দেন রেফারি ইস্তভান কোভাচ। স্পট-কিক থেকে গোল করে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল পান লাউতারো।
জর্ডান প্রথমার্ধে খুব বেশি বিপদ তৈরি করতে পারেনি। তাদের দুটো চেষ্টা লক্ষ্যভ্রষ্ট বা ব্লকড হয়েছে। অন্যদিকে খুব বেশি চাপ ছাড়াই কার্যকর ফুটবল খেলেছে আর্জেন্টিনা। বিরতির স্কোর: জর্ডান ০-২ আর্জেন্টিনা।
ডান দিক দিয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণে আজ এক বিশেষ গল্পও আছে। স্কালোনি এই ম্যাচে ফুলব্যাকে খেলাচ্ছেন জুলিয়ানো সিমিওনেকে, আর তাঁর সামনে মাঝমাঠে নিকো পাজ।
২৮ বছর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচেও ছিল একই পরিবারের ছোঁয়া। সেদিন ডিয়েগো সিমিওনে, জুলিয়ানোর বাবা, ডান দিকে খেলেছিলেন। আর ডিফেন্সে ছিলেন পাবলো পাজ, নিকোর বাবা।
আজ সেই দুই পরিবারের পরের প্রজন্ম একই ফ্ল্যাঙ্কে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলছে। ৪৩ মিনিটে ডান দিক দিয়ে গতি দেখিয়ে বক্সে ঢুকে ক্রসও দেন নিকো পাজ, যদিও বক্সে কোনো সতীর্থ না থাকায় বিপদ পরিষ্কার করে জর্ডান।
ডান দিক দিয়ে আর্জেন্টিনার আক্রমণে আজ এক বিশেষ গল্পও আছে। স্কালোনি এই ম্যাচে ফুলব্যাকে খেলাচ্ছেন জুলিয়ানো সিমিওনেকে, আর তাঁর সামনে মাঝমাঠে নিকো পাজ।
২৮ বছর আগে ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ম্যাচেও ছিল একই পরিবারের ছোঁয়া। সেদিন ডিয়েগো সিমিওনে, জুলিয়ানোর বাবা, ডান দিকে খেলেছিলেন। আর ডিফেন্সে ছিলেন পাবলো পাজ, নিকোর বাবা।
আজ সেই দুই পরিবারের পরের প্রজন্ম একই ফ্ল্যাঙ্কে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলছে। ৪৩ মিনিটে ডান দিক দিয়ে গতি দেখিয়ে বক্সে ঢুকে ক্রসও দেন নিকো পাজ, যদিও বক্সে কোনো সতীর্থ না থাকায় বিপদ পরিষ্কার করে জর্ডান।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও চেষ্টা ছাড়েনি জর্ডান। ৩৫ মিনিটে পারেদেসের ভুল পাস কেটে নিয়ে আক্রমণে ওঠেন ওদেহ ফাখুরি। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর শট কাছ থেকে সাহসী ব্লকে ঠেকিয়ে দেন মার্কোস সেনেসি।
৩৭ মিনিটে আরেকটি ঘটনায় পেনাল্টির দাবি তোলে জর্ডান। আল রাওয়াবদেহ বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় লো সেলসোর সঙ্গে সংস্পর্শের পর হ্যান্ডবলের আবেদন করেন। তবে ভালো অবস্থানে থাকা রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই সেই দাবি নাকচ করে দেন।
৩৯ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে আলি ওলওয়ান ক্রস তুলেছিলেন আজাইজেহর দিকে। কিন্তু সেনেসির চাপে বল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি জর্ডান ফরোয়ার্ড।
দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পরও চেষ্টা ছাড়েনি জর্ডান। ৩৫ মিনিটে পারেদেসের ভুল পাস কেটে নিয়ে আক্রমণে ওঠেন ওদেহ ফাখুরি। বক্সের বাইরে থেকে তাঁর শট কাছ থেকে সাহসী ব্লকে ঠেকিয়ে দেন মার্কোস সেনেসি।
৩৭ মিনিটে আরেকটি ঘটনায় পেনাল্টির দাবি তোলে জর্ডান। আল রাওয়াবদেহ বল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার সময় লো সেলসোর সঙ্গে সংস্পর্শের পর হ্যান্ডবলের আবেদন করেন। তবে ভালো অবস্থানে থাকা রেফারি সঙ্গে সঙ্গেই সেই দাবি নাকচ করে দেন।
৩৯ মিনিটে বাঁ দিক দিয়ে আলি ওলওয়ান ক্রস তুলেছিলেন আজাইজেহর দিকে। কিন্তু সেনেসির চাপে বল পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি জর্ডান ফরোয়ার্ড।
পেনাল্টি থেকে গোল করে শুধু আর্জেন্টিনার ব্যবধানই বাড়াননি লাউতারো মার্তিনেজ, বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলও পেয়েছেন তিনি। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলে নিয়মিত ভূমিকা থাকলেও বিশ্বকাপে গোলের অপেক্ষা ছিল তাঁর।
দুই আসর মিলিয়ে নবম ম্যাচে এসে সেই অপেক্ষা শেষ হলো জর্ডানের বিপক্ষে। মেসি বেঞ্চে থাকা ম্যাচে লো সেলসোর ফ্রি-কিকের পর লাউতারোর গোল আর্জেন্টিনাকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিয়েছে।
পেনাল্টি থেকে গোল করে শুধু আর্জেন্টিনার ব্যবধানই বাড়াননি লাউতারো মার্তিনেজ, বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোলও পেয়েছেন তিনি। ২০২২ বিশ্বকাপজয়ী দলে নিয়মিত ভূমিকা থাকলেও বিশ্বকাপে গোলের অপেক্ষা ছিল তাঁর।
দুই আসর মিলিয়ে নবম ম্যাচে এসে সেই অপেক্ষা শেষ হলো জর্ডানের বিপক্ষে। মেসি বেঞ্চে থাকা ম্যাচে লো সেলসোর ফ্রি-কিকের পর লাউতারোর গোল আর্জেন্টিনাকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিয়েছে।
ভিএআর দেখে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা, আর সুযোগ হাতছাড়া করেননি লাউতারো মার্তিনেজ। ৩১ মিনিটে স্পট-কিক থেকে গোল করে জর্ডানের বিপক্ষে ব্যবধান ২-০ করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার।
ঘটনাটি ঘটে ২৯ মিনিটে। হুলিয়ান আলভারেজ ডাইভিং হেড নিতে গেলে ক্লিয়ার করতে গিয়ে এহসান হাদ্দাদের পা তাঁর মুখে লাগে। প্রথমে খেলা কর্নার দিয়ে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ভিএআর থেকে রেফারি ইস্তভান কোভাচকে মনিটরে দেখতে বলা হয়।
রিপ্লে দেখে মাঠে ফিরে পেনাল্টির বাঁশি দেন রেফারি। এরপর ডান পায়ের শটে গোল করেন লাউতারো। মেসি বেঞ্চে থাকা ম্যাচে লো সেলসোর ফ্রি-কিকের পর এবার লাউতারোর গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করল আর্জেন্টিনা।
ভিএআর দেখে পেনাল্টি পায় আর্জেন্টিনা, আর সুযোগ হাতছাড়া করেননি লাউতারো মার্তিনেজ। ৩১ মিনিটে স্পট-কিক থেকে গোল করে জর্ডানের বিপক্ষে ব্যবধান ২-০ করেন আর্জেন্টাইন স্ট্রাইকার।
ঘটনাটি ঘটে ২৯ মিনিটে। হুলিয়ান আলভারেজ ডাইভিং হেড নিতে গেলে ক্লিয়ার করতে গিয়ে এহসান হাদ্দাদের পা তাঁর মুখে লাগে। প্রথমে খেলা কর্নার দিয়ে শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ভিএআর থেকে রেফারি ইস্তভান কোভাচকে মনিটরে দেখতে বলা হয়।
রিপ্লে দেখে মাঠে ফিরে পেনাল্টির বাঁশি দেন রেফারি। এরপর ডান পায়ের শটে গোল করেন লাউতারো। মেসি বেঞ্চে থাকা ম্যাচে লো সেলসোর ফ্রি-কিকের পর এবার লাউতারোর গোলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্ত করল আর্জেন্টিনা।
অবশেষে গোল পেল আর্জেন্টিনা। ১৯ মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর অসাধারণ ফ্রি-কিকে জর্ডানের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আবু তাহার চ্যালেঞ্জে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। বক্সের বাইরে ডান দিক ঘেঁষা জায়গা থেকে বাঁ পায়ে শট নেন লো সেলসো। বল দেয়ালের বাইরে দিয়ে ঘুরে দূরের কোণে ঢুকে যায়।
এর আগে অফসাইডে তাঁর একটি গোল বাতিল হয়েছিল। এবার আর কোনো বাধা নেই। স্কোরলাইন: আর্জেন্টিনা ১-০ জর্ডান।
অবশেষে গোল পেল আর্জেন্টিনা। ১৯ মিনিটে জিওভানি লো সেলসোর অসাধারণ ফ্রি-কিকে জর্ডানের বিপক্ষে এগিয়ে গেল বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আবু তাহার চ্যালেঞ্জে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা। বক্সের বাইরে ডান দিক ঘেঁষা জায়গা থেকে বাঁ পায়ে শট নেন লো সেলসো। বল দেয়ালের বাইরে দিয়ে ঘুরে দূরের কোণে ঢুকে যায়।
এর আগে অফসাইডে তাঁর একটি গোল বাতিল হয়েছিল। এবার আর কোনো বাধা নেই। স্কোরলাইন: আর্জেন্টিনা ১-০ জর্ডান।
শুরুতে বাতিল গোলের পরও আক্রমণ ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। ১২ মিনিটে জর্ডানের রক্ষণ থেকে ভুল পাস কেটে নিয়ে দ্রুত আক্রমণ গড়েন মার্কোস সেনেসি। বল বাড়ানো হয়েছিল হুলিয়ান আলভারেজের দিকে, তবে বক্সের সামনে সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
এরপর ১৩ মিনিটে কর্নার থেকে ভালো সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। লো সেলসোর ইনসুইং কর্নারে নিয়ার পোস্টে উঠে হেড করেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।
১৫ মিনিটে লেয়ান্দ্রো পারেদেস লং বল তুলে দেন জর্ডানের রক্ষণ পেরিয়ে। আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ দুজনই সেই পাসের দিকে দৌড়ালেও কেউই শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি। বল চলে যায় জর্ডান গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলায়লার হাতে।
শুরুতে বাতিল গোলের পরও আক্রমণ ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। ১২ মিনিটে জর্ডানের রক্ষণ থেকে ভুল পাস কেটে নিয়ে দ্রুত আক্রমণ গড়েন মার্কোস সেনেসি। বল বাড়ানো হয়েছিল হুলিয়ান আলভারেজের দিকে, তবে বক্সের সামনে সেটি নিয়ন্ত্রণে নিতে পারেননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।
এরপর ১৩ মিনিটে কর্নার থেকে ভালো সুযোগ পায় আর্জেন্টিনা। লো সেলসোর ইনসুইং কর্নারে নিয়ার পোস্টে উঠে হেড করেন নিকোলাস ওতামেন্দি। তবে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডারের হেড অল্পের জন্য ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।
১৫ মিনিটে লেয়ান্দ্রো পারেদেস লং বল তুলে দেন জর্ডানের রক্ষণ পেরিয়ে। আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ দুজনই সেই পাসের দিকে দৌড়ালেও কেউই শেষ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারেননি। বল চলে যায় জর্ডান গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলায়লার হাতে।
বল জালে পাঠিয়েছিলেন জিওভানি লো সেলসো, কিন্তু গোলের আনন্দ করতে পারল না আর্জেন্টিনা। হুলিয়ান আলভারেজ বল পেয়ে সামনে তাকিয়ে দারুণ পাস বাড়ান লো সেলসোর দৌড়ের পথে।
পাসটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরের পায়ের চমৎকার ফিনিশিংয়ে গোল করেন লো সেলসো। তবে উদ্যাপনের আগেই সহকারী রেফারি পতাকা তোলেন।
অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। শুরুতেই আর্জেন্টিনার আক্রমণ বিপজ্জনক দেখাচ্ছে, কিন্তু স্কোরলাইন এখনো ০-০।
বল জালে পাঠিয়েছিলেন জিওভানি লো সেলসো, কিন্তু গোলের আনন্দ করতে পারল না আর্জেন্টিনা। হুলিয়ান আলভারেজ বল পেয়ে সামনে তাকিয়ে দারুণ পাস বাড়ান লো সেলসোর দৌড়ের পথে।
পাসটি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে বাইরের পায়ের চমৎকার ফিনিশিংয়ে গোল করেন লো সেলসো। তবে উদ্যাপনের আগেই সহকারী রেফারি পতাকা তোলেন।
অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল হয়। শুরুতেই আর্জেন্টিনার আক্রমণ বিপজ্জনক দেখাচ্ছে, কিন্তু স্কোরলাইন এখনো ০-০।
ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে জর্ডান ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ। রেফারির দায়িত্বে আছেন ইস্তভান কোভাচ। গ্রুপসেরা নিশ্চিত থাকায় অনেক বদল নিয়ে নামা আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে খেলার চেষ্টা করছে।
ম্যাচের শুরুতেই ফাউল করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। নিজার আল রাশদানের ওপর চ্যালেঞ্জে ফ্রি-কিক পায় জর্ডান। ৫ মিনিটে জর্ডান রক্ষণ চাপ সামলে নেয়, গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলায়লা দলকে স্বস্তি দেন।
ডালাস স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে জর্ডান ও আর্জেন্টিনার ম্যাচ। রেফারির দায়িত্বে আছেন ইস্তভান কোভাচ। গ্রুপসেরা নিশ্চিত থাকায় অনেক বদল নিয়ে নামা আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই বলের দখল নিয়ে খেলার চেষ্টা করছে।
ম্যাচের শুরুতেই ফাউল করেন জুলিয়ানো সিমিওনে। নিজার আল রাশদানের ওপর চ্যালেঞ্জে ফ্রি-কিক পায় জর্ডান। ৫ মিনিটে জর্ডান রক্ষণ চাপ সামলে নেয়, গোলরক্ষক ইয়াজিদ আবুলায়লা দলকে স্বস্তি দেন।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে হারা ম্যাচের একাদশ থেকে দুই পরিবর্তন এনেছে জর্ডান। মাহমুদ আল মার্দির জায়গায় আক্রমণভাগের পেছনে সুযোগ পেয়েছেন ওদেহ ফাখুরি। আর মুসা আল তামারির বদলে সামনে আছেন আলি আজাইজেহ।
জর্ডান ৩-৪-২-১ ফরমেশনে শুরু করছে। তাদের লক্ষ্য আর্জেন্টিনার রোটেটেড একাদশের বিপক্ষে দ্রুত চাপ তৈরি করা, যদিও কাগজে-কলমে বড় ফেভারিট বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরাই।
জর্ডান একাদশ: ইয়াজিদ আবুলায়লা; হুসাম আবু দাহাব, ইয়াজান আল আরব, আবদাল্লাহ নাসিব; মোহান্নাদ আবু তাহা, নূর আল রাওয়াবদেহ, নিজার আল রাশদান, এহসান হাদ্দাদ; ওদেহ ফাখুরি, আলি ওলওয়ান; আলি আজাইজেহ।
আলজেরিয়ার বিপক্ষে ২-১ গোলে হারা ম্যাচের একাদশ থেকে দুই পরিবর্তন এনেছে জর্ডান। মাহমুদ আল মার্দির জায়গায় আক্রমণভাগের পেছনে সুযোগ পেয়েছেন ওদেহ ফাখুরি। আর মুসা আল তামারির বদলে সামনে আছেন আলি আজাইজেহ।
জর্ডান ৩-৪-২-১ ফরমেশনে শুরু করছে। তাদের লক্ষ্য আর্জেন্টিনার রোটেটেড একাদশের বিপক্ষে দ্রুত চাপ তৈরি করা, যদিও কাগজে-কলমে বড় ফেভারিট বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরাই।
জর্ডান একাদশ: ইয়াজিদ আবুলায়লা; হুসাম আবু দাহাব, ইয়াজান আল আরব, আবদাল্লাহ নাসিব; মোহান্নাদ আবু তাহা, নূর আল রাওয়াবদেহ, নিজার আল রাশদান, এহসান হাদ্দাদ; ওদেহ ফাখুরি, আলি ওলওয়ান; আলি আজাইজেহ।
আর্জেন্টিনা ৪-৪-২ ফরমেশনে শুরু করছে। মাঝমাঠে লেয়ান্দ্রো পারেদেস, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, নিকো পাজ ও জিওভানি লো সেলসো। আক্রমণে লাউতারো মার্তিনেজের সঙ্গে থাকছেন হুলিয়ান আলভারেজ।
আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ; নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস ওতামেন্দি, জুলিয়ানো সিমিওনে; নিকো পাজ, লেয়ান্দ্রো পারেদেস, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, জিওভানি লো সেলসো; লাউতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ।
আর্জেন্টিনা বেঞ্চ: হুয়ান মুসো, গনসালো মন্তিয়েল, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, রদ্রিগো দি পল, ভ্যালেন্তিন বারকো, লিওনেল মেসি, জেরোনিমো রুলি, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকো গনসালেস, থিয়াগো আলমাদা, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, হোসে মানুয়েল লোপেস, এনজো ফার্নান্দেজ, ফাকুন্দো মেদিনা, নাহুয়েল মোলিনা।
আর্জেন্টিনা ৪-৪-২ ফরমেশনে শুরু করছে। মাঝমাঠে লেয়ান্দ্রো পারেদেস, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, নিকো পাজ ও জিওভানি লো সেলসো। আক্রমণে লাউতারো মার্তিনেজের সঙ্গে থাকছেন হুলিয়ান আলভারেজ।
আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেজ; নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস ওতামেন্দি, জুলিয়ানো সিমিওনে; নিকো পাজ, লেয়ান্দ্রো পারেদেস, এক্সেকিয়েল পালাসিওস, জিওভানি লো সেলসো; লাউতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ।
আর্জেন্টিনা বেঞ্চ: হুয়ান মুসো, গনসালো মন্তিয়েল, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, রদ্রিগো দি পল, ভ্যালেন্তিন বারকো, লিওনেল মেসি, জেরোনিমো রুলি, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নিকো গনসালেস, থিয়াগো আলমাদা, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, হোসে মানুয়েল লোপেস, এনজো ফার্নান্দেজ, ফাকুন্দো মেদিনা, নাহুয়েল মোলিনা।
জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বড় রোটেশন নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জেতা একাদশ থেকে ৯টি পরিবর্তন এনেছেন লিওনেল স্কালোনি। গ্রুপসেরা হওয়া নিশ্চিত থাকায় নিয়মিতদের অনেককে বিশ্রাম দিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আগের ম্যাচের একাদশ থেকে শুধু এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ জায়গা ধরে রেখেছেন। সবচেয়ে বড় খবর, লিওনেল মেসি শুরু করছেন বেঞ্চে। তাঁর জায়গায় আক্রমণে সুযোগ পেয়েছেন হুলিয়ান আলভারেজ।
রক্ষণভাগও পুরো বদলে গেছে। মেদিনা, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও মোলিনার জায়গায় খেলছেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস ওতামেন্দি ও জুলিয়ানো সিমিওনে।
জর্ডানের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে বড় রোটেশন নিয়ে নামছে আর্জেন্টিনা। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জেতা একাদশ থেকে ৯টি পরিবর্তন এনেছেন লিওনেল স্কালোনি। গ্রুপসেরা হওয়া নিশ্চিত থাকায় নিয়মিতদের অনেককে বিশ্রাম দিয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
আগের ম্যাচের একাদশ থেকে শুধু এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও লাউতারো মার্তিনেজ জায়গা ধরে রেখেছেন। সবচেয়ে বড় খবর, লিওনেল মেসি শুরু করছেন বেঞ্চে। তাঁর জায়গায় আক্রমণে সুযোগ পেয়েছেন হুলিয়ান আলভারেজ।
রক্ষণভাগও পুরো বদলে গেছে। মেদিনা, লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো ও মোলিনার জায়গায় খেলছেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো, মার্কোস সেনেসি, নিকোলাস ওতামেন্দি ও জুলিয়ানো সিমিওনে।