বৈশাখী মেলার বদলে শহীদ হাদি মেলা করার প্রস্তাব দেননি ঢাবি শিক্ষিকা মোনামী

‘বৈশাখী’ শব্দটি ভারতীয়। বৈশাখ মেলার নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ হাদি মেলা’ রাখার প্রস্তাব জানাই।’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শেহরিন আমিন মোনামী এমন প্রস্তাব জানিয়েছেন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ছড়ানো হয়েছে।
তবে এশিয়া পোস্টের যাচাইয়ে দাবিটির সত্যতা পাওয়া যায়নি।
প্রচারিত ফটোকার্ডটি রিভার্স ইমেজ সার্চ করে জানা গেছে, দৈনিক মোল্লার দেশ নামে একটি পেজ খেকে ফটোকার্ডটি সর্বপ্রথম (৫ এপ্রিল সোমবার) পোস্ট করা হয়। সর্বশেষ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পোস্টটিতে ১৩ হাজারের কাছাকাছি প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি শতাধিক বার শেয়ার হতে দেখা গেছে। এ ছাড়াও পোস্টটিতে ১ হাজার ২ শতাধিক মন্তব্য পড়তে দেখা গেছে, যেখানে দাবিটি বিশ্বাস করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন নেটিজেনরা। যেমন: তুহিন দে নামে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘ঢাবি শিক্ষিকার এত জ্ঞান! ভাবা যায়।’ আনিসুর রহমান নামে ভিন্ন একজন লিখেছেন, ‘একে শিক্ষক থেকে বহিস্কার না করলে সমাজ দুষিত হবে।’
এ সম্পর্কিত কী-ওয়ার্ড সার্চ করে দেশের প্রতিষ্ঠিত সংবাদমাধ্যমগুলোতে এ ধরনের প্রস্তাব সম্পর্কিত কোনো সংবাদ পাওয়া যায়নি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেহরিন আমিন মোনামীর ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দাবিটি নাকচ করা একটি পোস্ট পাওয়া যায়।
অর্থ্যাৎ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা শেহরিন আমিন মোনামী বৈশাখ মেলার নাম পরিবর্তন করে ‘শহীদ হাদি মেলা’ রাখার প্রস্তাব জানিয়েছেন দাবিতে প্রচারিত ফটোকার্ডগুলো ভুয়া। এ ধরনের কোনো বক্তব্য তিনি দেননি।