logo

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাতিলের রিটে বিজয়ী রায়ের দাবি বিভ্রান্তিকর

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাতিলের রিটে বিজয়ী রায়ের দাবি বিভ্রান্তিকর

‘জুলাই সনদের পক্ষে বিজয়ী রায় পেলেন শিশির মনির আলহামদুলিল্লাহ’, এমন দাবিতে প্রচারণা করা হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এ-সম্পর্কিত দুটি পোস্ট দেখুন এখানে এখানে এবং এখানে।

তবে এশিয়া পোস্টের যাচাইয়ে দাবিটির সত্যতা পাওয়া যায়নি। আদালত এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে জামায়াত ও আইনজীবী শিশির মনিরের নামে পরিচালিত বেশ কয়েকটি পেজ ও প্রোফাইলে থেকে এসব পোস্ট করতে দেখা গেছে।

গতকাল বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ‘জামায়াত-শিবির মিডিয়া’ সেল নামে একটি পেজ থেকে দাবিটি সর্বপ্রথম পোস্ট করা হয়। সর্বশেষ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উক্ত পোস্টে তিন হাজার ৪০০ প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি সাড়ে চার শর মতো মন্তব্য পড়েছে।

সম্পর্কিত কি-ওয়ার্ড সার্চ করে ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদ পাওয়া যায়। আরও দেখুন এখানে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘জুলাই জাতীয় সনদ বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে করা রিটের শুনানির তারিখ আগামী ১ মার্চ ধার্য করা হয়েছে। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি মো. জিয়াউল হকের বেঞ্চ এ তারিখ ধার্য করেন। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ রিটটি করেন।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সার্চ করে আইনজীবী শিশির মনিরের ফেসবুক প্রোফাইলে এ-সম্পর্কিত একটি পোস্ট পাওয়া যায়। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি করা সে পোস্টে তিনি লেখেন, ‘জুলাই জাতীয় সনদ-গণভোট ইত্যাদি চ্যালেঞ্জ করে যত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে; আইনজীবী বন্ধুদের সাথে নিয়ে দক্ষতার সাথে আমরা আদালতে মোকাবেলা করব।’ সম্পূর্ণ পোস্টটি দেখুন এখানে।

সর্বশেষ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উক্ত প্রোফাইলে দাবিটির পক্ষে যায়, এমন কোনো পোস্ট করা হয়নি।

অর্থ্যাৎ জুলাই জাতীয় সনদ বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে করা রিটে বিজয়ী রায় পাওয়ার দাবিটি সঠিক নয়। আদালত শুনানির নতুন তারিখ নির্ধারণ করলেও পক্ষে বা বিপক্ষে রায় ঘোষণা করেননি।

তবে দিনের কার্যতালিকা অনুযায়ী শুনানির জন্য ডাকা হলেও উপস্থিত ছিলেন না রিটকারী আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি তিনি রিটটি করেছিলেন।