logo

প্রকৌশলীর উদাসীনতায় আটকে আছে ঢাকায় শতাধিক স্কুল নির্মাণ

প্রকৌশলীর উদাসীনতায় আটকে আছে ঢাকায় শতাধিক স্কুল নির্মাণ

প্রকৌশলীর উদাসীনতা, প্রশাসনিক জটিলতা এবং জমি সংক্রান্ত বিরোধে রাজধানীতে শতাধিক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ কার্যত ঝুলে আছে। ছয় বছর আগে শুরু হওয়া একটি প্রকল্পের আওতায় ১৫৬টি বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত শেষ হয়েছে মাত্র ২০টির কাজ। 

কোথাও পুরনো ভবন ভেঙে ফেলার পর নতুন ভবন নির্মাণ শুরুই করা যায়নি, কোথাও আবার জমি জটিলতায় মাঝপথে থেমে আছে কাজ। ফলে অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে, আবার কোথাও অস্থায়ী কক্ষে চলছে পাঠদান। প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা প্রতিবেদনে বাস্তবায়নকারী নির্বাহী প্রকৌশলীর অবহেলা ও উদাসীনতার অভিযোগ তুলেছেন প্রকল্প পরিচালক। 

ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ (১ম সংশোধিত) শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাস্তবে কাজের গতি এতটাই ধীর যে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্প শেষ করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি প্রকল্প পরিচালক সাইফুর রহমান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীর কাছে পাঠানো অগ্রগতি প্রতিবেদনে এ চিত্র তুলে ধরেন। 

জমি জটিলতায় বন্ধ একাধিক বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ 
রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গায় অবস্থিত নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। একই প্রাঙ্গণে রয়েছে নীলক্ষেত হাই স্কুল। আগে এখানে বালক ও বালিকা আলাদা দুইটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ছিল। পরে প্রতিষ্ঠান দুটিকে একীভূত করা হয়। এখন বিদ্যালয়টির পুরোনো জরাজীর্ণ ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে নতুন জটিলতা তৈরি হয়েছে। 

জায়গার মালিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অনুমতি মিললেও পুরোনো ভবনের জায়গায় খেলার মাঠ করার দাবি তুলেছে নীলক্ষেত হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ। এই বিরোধের জেরে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে আছে। এতে করে বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থী সংখ্যাও কমে গেছে। 

নীলক্ষেত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা জান্নাতুন নাঈমা বলেন, ‘ভবন ভাঙার পরে এখানে খেলার মাঠ তৈরির দাবি করছে নীলক্ষেত হাই স্কুল কর্তৃপক্ষ। দ্রুত ভবনের কাজ না হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছেড়ে চলে যাচ্ছে। এরমধ্যেই ৩০০ থেকে ১৮০ জনে ঠেকেছে। তিন শিফটে ক্লাস নিলেও উপস্থিতি অনেক কম।’ 

একই ধরনের পরিস্থিতি বিমানবন্দর থানা এলাকার শৈলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। স্কুলটির জমির মালিক বাংলাদেশ বিমানবাহিনী। পুরোনো ভবন ভেঙে ফেলার পর নতুন ভবন নির্মাণের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও আপত্তি জানায় বিমানবাহিনী। ফলে নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। 

শৈলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রাবেয়া বেগম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘জমির মালিক বিমানবাহিনী। গত বছর স্কুলের ভবন ভাঙার পর থেকে পাশের বালুরঘাট উচ্চ বিদ্যালয়ের পাঁচটি কক্ষে দুপুর ১টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ক্লাস চলছে। তবে বিকালে ক্লাস হওয়ায় শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেক কম। গত বছর শিক্ষার্থী ছিল ৪৫০ জন, এ বছরের শুরুতে এ সংখ্যা ৩৮০ জনে ঠেকেছে। বিমানবাহিনী স্কুলের জন্য আরেকটি জায়গা দিতে চেয়েছে, তবে সেটি হস্তান্তর না হওয়া পর্যন্ত কাজ শুরু হবে না। স্কুল ভবন অনিশ্চিত হওয়ায় যত দিন যাচ্ছে ততই শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমছে।’ 

পাশের পশ্চিম ভাষানটেক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবস্থাও প্রায় একই। স্কুলটির জমির মালিক জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ। তাদের আপত্তিতে পুরনো ভবন ভেঙে নতুন ভবন নির্মাণের কাজ বন্ধ হয়ে আছে। 

প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এ ধরনের জমি-সংক্রান্ত জটিলতায় রাজধানীর অন্তত ১০টি বিদ্যালয়ের নির্মাণকাজ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে পুরোনো ভবন ভেঙে ফেলার পর নতুন ভবন নির্মাণ শুরু করা যায়নি বা মাঝপথে থেমে আছে কাজ। ফলে শিক্ষার্থীদের অনেক সময় অস্থায়ী কক্ষে কিংবা অন্য প্রতিষ্ঠানের কক্ষে ক্লাস করতে হচ্ছে। 

ধীরগতিতে এগোচ্ছে বড় অবকাঠামো প্রকল্প 
ঢাকা মহানগরী ও পূর্বাচলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপন ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ দৃষ্টিনন্দনকরণ প্রকল্প শুরু হয় ২০২০ সালে। প্রথমে ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে কাজের গতি কমে যাওয়ায় প্রকল্পের মেয়াদ বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত করা হয়। 

প্রকল্পটির মোট প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩৭২ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর বাস্তবায়ন করছে ১৩৩৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকার কাজ। প্রকল্পের আওতায় ১৫৬টি বিদ্যালয়ের মধ্যে ১৩২টি পুনর্নির্মাণ, ১৪টি নতুন বিদ্যালয় নির্মাণ এবং ১০টি মেরামতের পরিকল্পনা রয়েছে।
 
প্রকল্পে এমন পরিকল্পনার কথা বলা হলেও বাস্তবে কাজের অগ্রগতি খুবই কম। এখন পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি মাত্র ৩০ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ১৭ শতাংশ। ১৫৬টি বিদ্যালয়ের মধ্যে কাজ শেষ হয়েছে মাত্র ২০টির। আরও ৮২টির মাঠপর্যায়ে কাজ চলছে। এর মধ্যে ১০টির অগ্রগতি ৫০ শতাংশের মতো। 

প্রকল্প পরিচালক সাইফুর রহমান তাঁর অগ্রগতি প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলীর সভাপতিত্বে এবং তাঁর উপস্থিতিতে একাধিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু কম অগ্রগতি সম্পন্ন এবং বন্ধ কাজগুলোর বিষয়ে যে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ছিল, তা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নেওয়া হয়নি। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়েনি। 

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিগত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নিয়মিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নির্ধারিত মাসিক লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায়নি। এতে প্রকল্প কার্যালয়কে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট নির্বাহী প্রকৌশলী সভায় উপস্থিত থাকেন না। এসব কারণে কাজের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। 

২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকল্পটির জন্য এডিপিতে বরাদ্দ ছিল ৪৫০ কোটি টাকা। কিন্তু কাজের ধীরগতির কারণে সংশোধিত এডিপিতে লক্ষ্যমাত্রা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ২৭১ কোটি ২০ লাখ টাকা। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত খরচ হয়েছে প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। ফলে চলতি অর্থবছরেও সংশোধিত এডিপি শতভাগ বাস্তবায়ন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। 

কাজ না করেই কোটি টাকার বিল 
প্রকল্পে ধীরগতির পাশাপাশি দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছে। গত বছরের ২৮ আগস্ট দুর্নীতি দমন কমিশনের এক অভিযানে রাজধানীর গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নতুন ভবন নির্মাণে বড় ধরনের অনিয়মের তথ্য পাওয়া যায়। 

অভিযোগ, ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলার বাস্তব নির্মাণকাজ সম্পন্ন না হলেও তা সম্পন্ন দেখিয়ে মেজারমেন্ট বুকে উল্লেখ করা হয়। পরে সেই দেখানো কাজের ভিত্তিতে প্রায় ১ কোটি ২২ লাখ টাকার অতিরিক্ত বিল উত্তোলন করা হয়। 

এ ঘটনায় ঢাকা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া, সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মো. ছাবের আলী, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শামস জায়েদ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স নির্মাণ প্রকৌশলীর স্বত্বাধিকারী আবু সাঈদ খানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে মামলা হয়েছে। 

এজাহারে বলা হয়, গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছয়তলা ভবন নির্মাণের চুক্তিমূল্য ছিল ৫ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৪১০ টাকা। ২০২৩ সালের মে মাসে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে চতুর্থ চলতি বিলের জন্য ১ কোটি ৫১ লাখ টাকার আবেদন করা হয়। কিন্তু দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, ভবনের তৃতীয় ও চতুর্থ তলার কাজ বাস্তবে সম্পন্ন হয়নি। অথচ নথিপত্রে কাজ সম্পন্ন হয়েছে দেখিয়ে জালিয়াতির আশ্রয় নেওয়া হয়। 

বদলি হয়ে আবারও স্বপদে 
অনিয়মের অভিযোগের পর চলতি বছরের ১১ জানুয়ারি নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়াকে এলজিইডির ঢাকা জেলা থেকে সদরদপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। কিন্তু এক মাসের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আরেক অফিস আদেশে সেই বদলি বাতিল করে তাঁকে আবার আগের পদে ফেরানো হয়। ফলে তদন্ত চলমান থাকলেও তিনি একই দায়িত্বে বহাল আছেন। 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী প্রকৌশলী জোনায়েত আলম এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘এ পর্যন্ত ২০টি স্কুলের নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। আগামী জুনের মধ্যে আরও ২০টির কাজ শেষ হবে বলে আশা করছি। নীলক্ষেত,শৈলপুর, পশ্চিম ভাসানটেক প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ ১০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি জটিলতায় বর্তমানে কাজ বন্ধ আছে।’ 
তিনি বলেন, ‘প্রকল্পের বর্তমান মেয়াদ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও জমি প্রাপ্তিতে বিলম্ব হওয়ায় এবং কাজ চলমান থাকায় এই মেয়াদ আরও বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে।’ 

উপ-প্রকল্প পরিচালক এস এম মোর্শেদ এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘প্রকল্পের গতি ও সমন্বয়ের জন্য বার বার এলজিইডিকে তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।’ 

অন্যদিকে প্রকল্পের ধীরগতির বিষয়ে এলজিইডির ঢাকা জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ বাচ্চু মিয়া এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘পুরো বাংলাদেশের সব প্রকল্পই এ রকম। পুরো বাংলাদেশে কোনো প্রকল্প শুরু হয়ে বৃষ্টি, নির্বাচন... নির্বাচন গেল। এবার তো অতিবৃষ্টি। আর এগুলো হলো ঢাকার একবারে অলি-গলিতে কাজ। অনেক সময় মেশিনপত্র যায় না। আবার এটাকে ডিজাইন চেঞ্জ করতে হয়। এছাড়া ঢাকার জমি নিয়ে অনেক ঝামেলা থাকে। পুরাতন ভবন ভাঙতে, গাছ কাটতে অনেক সময় লাগে। এসবের সঙ্গে আবার অনেক দপ্তর জড়িত, জটিলতা অনেক। এটা একটা চ্যালেঞ্জিং প্রকল্প। বাস্তবায়নকারী সংস্থা এলজিইডি বলেই এতটা চাপ নিয়ে এত ঝামেলায় পড়েও কাজগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে।’ 

গাবতলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজ শেষের আগে বিল উত্তোলন নিয়ে দুদকের মামলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ওইটা আরও ছয়, সাত মাস আগের ঘটনা। এটা নিয়ে ১০০টা নিউজ হয়েছে। এটা তো দেখছেন। এটা একটা পুরাতন কাসুন্দি। এখন তদন্তাধীন আছে, তারা তো তদন্ত করছে। দেখুক রেজাল্ট কী আসে। আমার কাজ এখন হয়ে গেছে। সব কমপ্লিট। কোনো রকম কোনো গ্যাপ নেই। বিল নিয়ে যেটা প্রশ্ন আছে এর চেয়ে ডাবল কাজ হয়ে আসছে।’ 

এ বিষয়ে এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী (চলতি দায়িত্ব) বেলাল হোসেন এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাজের অবহেলা ও উদাসীনতা এবং দুদকের মামলার বিষয়ে মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে এখন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।’  অভিযুক্ত প্রকৌশলীর বদলি বাতিল এবং তদন্ত চলাকালে স্বপদে থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটাতে কোন সমস্যা হবে না। তিনি ওই চেয়ারে থাকাকালীন তদন্ত চলতে পারে।’

এ বিষয়ে জানতে এশিয়া পোস্টের পক্ষ থেকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের মোবাইল ফোন ও হোয়াটসঅ্যাপে একাধিকবার কল দিয়ে এবং মেসেজ পাঠিয়েও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মন্ত্রনালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা হৃদয় মাহমুদের মাধ্যমে যোগাযোগ করেও সাড়া মেলেনি।