logo
ডিএনসিসির টেন্ডারনামা

প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের প্রকল্পে ২৮ ঠিকাদারি কাজ আ.লীগ নেতাদের দিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনকে গুমের স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন কিসমৎ হায়াৎ। তিনি ছাড়াও গত এক বছরে ডিএনসিসির ঠিকাদারি কাজের বড় একটি অংশ গেছে আ.লীগ নেতা ও তাদের ঘনিষ্ঠদের প্রতিষ্ঠানের হাতে। এসব নিয়ে এশিয়া পোস্টের চার পর্বের ধারাবাহিক। আজ পড়ুন দ্বিতীয় পর্ব।

প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের প্রকল্পে ২৮ ঠিকাদারি কাজ আ.লীগ নেতাদের দিলেন ডিএনসিসি প্রশাসক
ছবি : এশিয়া পোস্ট গ্রাফিকস

জুলাই অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকার ২২ পয়েন্টে ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়নের কাজ শুরু হয়। চলতি বছর বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আরও ৫০টি পয়েন্টে আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থা বাস্তবায়নের নির্দেশ দেন। এটি দ্রুত বাস্তবায়নে তিনি দুই সিটির প্রশাসক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিরিজ বৈঠক করেন। মূল লক্ষ্য ছিল যানজট নিয়ন্ত্রণ। তবে এখন দরপত্র ও বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। প্রধানমন্ত্রীর আগ্রহের এই প্রকল্পের ৩৮ সিগন্যালের মধ্যে ৪২ কোটি টাকায় ২৮টির দরপত্র গেছে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতাদের হাতে।

খাতা-কলমে বাকি ১০টির কাজ পেয়েছে ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস। সহ-ঠিকাদার হিসাবে বাস্তবায়ন করছে বিআইটি টেকনোলজি ও কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং।

২০১৩ সালে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমন গুম হন। তার সঙ্গে গুম করা হয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন ছাত্রদল নেতাসহ মোট সাতজনকে। ২০২৪ সালের পটপরিবর্তনের পর গুম কমিশনের কাছে ওই ঘটনায় জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি দেন সাবেক র‌্যাব কর্মকর্তা ও বর্তমানে কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মালিক কিসমৎ হায়াৎ।

২৮ ট্রাফিক সিগন্যালের দরপত্র বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি মাইশা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড। এটি কাফরুল থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোহাম্মদ পারভেজের কোম্পানি। আরেক প্রতিষ্ঠান আসিফ ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড যুবলীগের শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হাইয়ের কোম্পানি। এইচ এম হেলাল অ্যান্ড কোং লিমিটেড এইচ এম হেলালের কোম্পানি। তিনি ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজানের ছোট ভাই।

ডিএনসিসি সূত্র ও ই-জিপির তথ্য অনুযায়ী, ডিএনসিসি এলাকার যানজট কমাতে ১০টি ইন্টারসেকশনের ট্রাফিক সিগন্যাল আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। গত বছরের ৪ ডিসেম্বর প্রথম দরপত্র আহ্বান করে সংস্থাটির ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল।

এতে চারটি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নেয়। কিন্তু যোগ্য ঠিকাদার না পাওয়ার কারণ দেখিয়ে দ্বিতীয়বার দরপত্র ডাকা হয়। তখন কিছু যোগ্যতার শর্ত বদলানো হয়।

দ্বিতীয় দফায় দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ৩ মে দুপুর ১টা। ওই দিন দুপুর ৩টায় দরপত্র খোলার কথা ছিল। কিন্তু বেলা ১টায় ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ নতুন সিদ্ধান্ত নেয়। যোগ্য ঠিকাদার না পাওয়ার কারণ দেখিয়ে তারা কাজের অভিজ্ঞতার (এসএলটি) শর্ত কমিয়ে দেয়।

এসএলটি হলো দরপত্রে অংশ নিতে একজন ঠিকাদারের আগের কাজের ন্যূনতম অভিজ্ঞতার মান। এই মান ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা থেকে কমিয়ে ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকা করা হয়। একই সঙ্গে দরপত্রের সময় এক সপ্তাহ বাড়ানো হয়। সূত্র বলছে, পছন্দের ঠিকাদারের যোগ্যতা না থাকায় কাজের অভিজ্ঞতার শর্ত কমিয়ে দেওয়া হয়।

দ্বিতীয় দফার দ্বিতীয় পর্যায়ে গত ১১ মে দুপুর ১টা পর্যন্ত দুটি পক্ষ দরপত্র জমা দেয়। যৌথভাবে দেয় কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং, বিআইটি টেকনোলজি ও এম এস মাহাবুব অ্যান্ড ব্রাদার্স। আরেকটি দেয় নৌবাহিনীর প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড। এই দুই পক্ষ প্রথম পর্যায়েও দরপত্র জমা দিয়েছিল।

ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড এসএলটিতে এগিয়ে ছিল। তবে নিজস্ব মালামালের তালিকায় তারা একটি রোড কাটার মেশিন যুক্ত করেনি। এ কারণে প্রতিষ্ঠানটি দরপত্রের শর্ত পূরণকারী (রেসপন্সিভ) হয়নি।

পিপিআর ২০২৫ অনুযায়ী, দরপত্রে ছোটখাটো ভুল বা বিচ্যুতি থাকলে মূল্যায়ন কমিটি তা বাতিল না করে গ্রহণযোগ্য বা শর্তসম্মত ধরতে পারে। শর্ত হলো, ভুলটি দরপত্র দলিলের মূল কারিগরি বিবরণ, বৈশিষ্ট্য, বাণিজ্যিক শর্ত বা অন্য বাধ্যতামূলক নিয়মে বড় কোনো পরিবর্তন আনবে না। এমন ভুল পরে সংশোধন না করলেও মূল প্রস্তাব বদলাবে না।

পিপিআর অনুযায়ী, একটি রোড কাটার মেশিন না থাকায় দরপত্রের মূল শর্তে বড় কোনো পরিবর্তন হয় না। তবু মূল্যায়ন কমিটি বড় ধরনের বিচ্যুতি (গ্রস ভায়োলেশন) দেখিয়ে এটি বাতিল করে।

তৃতীয়বার আবিদ মনসুর কনস্ট্রাকশন, কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং ও এম এস মাহাবুব অ্যান্ড ব্রাদার্স যৌথভাবে দরপত্র জমা দেয়। আলাদাভাবে দেয় ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেড। এবার বিআইটি টেকনোলজি অংশ নেয়নি। তবে দ্বিতীয়বার তারা যৌথভাবে অংশ নিয়েছিল।

ডিএনসিসি সূত্র বলছে, প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টনের সঙ্গে বিআইটি টেকনোলজি, কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং ও এম এস মাহাবুব অ্যান্ড ব্রাদার্সের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। তাই তিনি এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে কাজ দিতে আগ্রহী ছিলেন। কিন্তু ডকইয়ার্ড তিনবারই শর্ত পূরণকারী হওয়ায় তাদের বাদ দেওয়ার সুযোগ ছিল না। বাকি দুটি প্রতিষ্ঠান এসএলটির শর্তে বাদ পড়ে। এবার বিতর্ক এড়াতে কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিং ও এম এস মাহাবুব অ্যান্ড ব্রাদার্সের সঙ্গে বিআইটি টেকনোলজি যৌথভাবে দরপত্রে অংশ নেয়নি।

এই দরপত্রের আগে প্রশাসক নিজেই ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনি তার ঘনিষ্ঠ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ডকইয়ার্ডের লাইসেন্স ব্যবহার করতে দেওয়ার অনুরোধ জানান। এর আগে ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের লাইসেন্স ব্যবহার করে আরেকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রে অংশ নিয়েছিল। দরপত্র পাওয়ার পর তাদের সহ-ঠিকাদার হিসেবে কাজ দেওয়ার চুক্তি ছিল।

তৃতীয় দফার দরপত্রটি গত ৫ জুলাই উন্মুক্ত করা হয়। দেড় মাস পর ১৯ আগস্ট ডকইয়ার্ডকে কাজের অনুমতিপত্র দেওয়া হয়। চুক্তি হয় ৮ সেপ্টেম্বর। বর্তমানে ডকইয়ার্ডের সহ-ঠিকাদার হিসেবে কাজটি করছে বিআইটি টেকনোলজি। ডকইয়ার্ডের প্রতিনিধির সঙ্গে করপোরেশনের চুক্তির সময় মাহমুদুল হাসান (সুমন) ও রহিদুল ইসলাম আবির নামের দুজন সাক্ষী হিসেবে স্বাক্ষর করেন।

ডিএনসিসি সূত্র বলছে, মাহমুদুল হাসান (সুমন) শুধু খাতা-কলমেই বিআইটি টেকনোলজির ব্যবস্থাপনা পরিচালক। বাস্তবে তিনি কমব্যাক্ট ড্রিম ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেন। ১০টি ট্রাফিক সিগন্যালের আধুনিকায়নের কাজটিও তিনি কমব্যাক্টের হয়ে করছেন। এর আগেও গুলশান-২ এর ট্রাফিক সিগন্যালের সংস্কার ও পরিচালনার কাজসহ দুইটি কাজ তিনি কমব্যাক্টের প্রতিনিধি হিসেবে করছেন।

তার আগে ২০২৩ সালে মে মাসে তৎকালীন মেয়র আতিকুল ইসলামের নির্দেশে দরপত্র ছাড়াই ‘বিআইটি টেকনোলজি’ থেকে সরাসরি ৪৯ লাখ ৮৬ হাজার টাকার এআই ট্রাফিক কন্ট্রোল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কেনার অভিযোগ ওঠে। এই বিলে তৎকালীন অতিরিক্ত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (বর্তমানে অতিরিক্ত প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা) মোহাম্মদ আরিফুর রহমান স্বাক্ষর না করলে তাকে করপোরেশন থেকে অপসারণ করা হয়।

ওই বছরই মশক নিধনে করপোরেশনের মশক-পরিচ্ছন্ন কর্মী ও সুপারভাইজারদের জিপিএস নির্ভর ফোরজি বডি ক্যামেরা দেড় গুণ দামে ৩৯ লাখ টাকায় ২০টি ক্যামেরা কেনে। কাজটি বাস্তবায়ন করছে চীনের হায়তেরা কোম্পানির স্থানীয় পরিবেশক ‘বিআইটি টেকনোলজির’ বিরুদ্ধে। পরবর্তীতে ৬৩৯ জন মশক পরিচ্ছন্ন কর্মী ও সুপারভাইজারদের জিপিএস নির্ভর ফোরজি বডি ক্যামেরা দেড়গুণ দামে কেনার কথা থাকলেও সমালোচনার মুখে পড়ে সেগুলো আর কেনা হয়নি।

ডিএনসিসির তিনজন প্রকৌশলী জানান, বিআইটি টেকনোলজির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাহমুদুল হাসান আওয়ামী লীগ আমল থেকে কমব্যাক্টের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করে আসছেন। তিনি এখন কমব্যাক্টের সঙ্গে মিলে সহ-ঠিকাদার হিসেবে ডকইয়ার্ড থেকে ১০টি ট্রাফিক সিগন্যালের কাজ করছেন।

মাহমুদুল হাসান এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘আমরা ১০টি সিগন্যালের দরপত্রে অংশগ্রহণ করে কাজটি পাইনি। এখন সহ-ঠিকাদার হিসেবে একটি অংশের কাজ বাস্তবায়ন করছি। তবে গুলশান-২ এর ট্রাফিক সিগন্যাল সংস্কার ও পরিচালনার কাজটি কমব্যাক্ট নিজেই করছে। গুলশানের সিগন্যালের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই। এ কাজটি কমব্যাক্ট নিজেরাই বাস্তবায়ন করছে।’

২৮ ইন্টারসেকশনের কাজ

ডিএনসিসির ১০টি ট্রাফিক ইন্টারসেকশনের কাজে দরপত্র মূল্য ও যোগ্যতা বেশি হওয়ায় আওয়ামী সিন্ডিকেটের কয়েকটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিতে পারেনি। গত ২৯ জুলাই ২৮টি ইন্টারসেকশনের সিগন্যাল ব্যবস্থার দরপত্র আহ্বানের সময় সেটি আরও সহজ করতে কৌশলে ট্রাফিক ইঞ্জিনিয়ারিং সার্কেল পাঁচটি প্যাকেজে ভাগ করে দরপত্র আহ্বান করে।

এই পাঁচ প্যাকেজের মধ্যে মাইশা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড ৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকায় ছয়টি ইন্টারসেকশনের কাজ পায়। আসিফ ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড চারটি ইন্টারসেকশনের কাজ পায় ৫ কোটি ৯৭ লাখ টাকায়।

মাইশা কনস্ট্রাকশন লিমিটেড ও ইয়াসিন ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড যৌথভাবে ৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকায় পাঁচটি ইন্টারসেকশনের কাজ পায়। আসিফ ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং এম এস ইফাদ এন্টারপ্রাইজ যৌথভাবে ৮ কোটি ৪০ লাখ টাকায় পাঁচটি ইন্টারসেকশনের কাজ পায়। এইচ এম হেলাল অ্যান্ড কোং লিমিটেড ও আসিফ ইনফ্রাস্ট্রাকচার যৌথভাবে ১০ কোটি ৬৪ লাখ টাকায় আটটি ইন্টারসেকশনের কাজ পায়।

বিগত আওয়ামী লীগ আমলে ডিএনসিসির ৮০ শতাংশ উন্নয়নকাজ ছিল আওয়ামী লীগ নেতাদের মালিকানাধীন মাইশা কনস্ট্রাকশন, আসিফ ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং এইচ এম হেলাল অ্যান্ড কোং-এর দখলে। জুলাই অভ্যুত্থানের পর প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজের সময়েও তারা একচেটিয়া কাজ পায়। বর্তমান প্রশাসকেরও আস্থাভাজন হিসেবে কাজ পাচ্ছে তারা।

যা বলছেন প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন

অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে ডিএনসিসির প্রশাসক শফিকুল ইসলাম মিল্টন এশিয়া পোস্টকে বলেন, ‘সিটি করপোরেশনের দরপত্রের কার্যক্রম ইজিপিতে হয়। এখানে যারা এসএলটিতে ও টিডিএসে এগিয়ে থাকে তারা কাজ পায়। কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশনের সুযোগ থাকে না। ট্রাফিক ও বর্জ্যের কাজও একই প্রক্রিয়ায় হয়েছে। আর র‌্যাব কর্মকর্তার প্রতিষ্ঠানের কাজ প্রসঙ্গে আমার জানা ছিল না।’