logo
Advertisement

জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে অবিচল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এশিয়া পোস্ট নিউজ
জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে অবিচল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবিচল রয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন কলকাতায় বাংলাদেশ উপদূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত উপ-হাইকমিশনার সিকদার মো. আশরাফুল রহমান।

Advertisement

মঙ্গলবার বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

কলকাতার একটি পাঁচ তারকা হোটেলের ওই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি, সুশীল সমাজ, শিক্ষাঙ্গন, ব্যবসা, সরকারি আধিকারিক, মিডিয়া জগতের বিশিষ্টজন অংশ নেন।

ভারপ্রাপ্ত উপ-হাইকমিশনার বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে একত্র করে এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের দিকনির্দেশনা দেয়। বাংলাদেশের জনগণের অপরিসীম ত্যাগের বিনিময়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

মো. আশরাফুল রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধকালীন ভারতের, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের ভ্রাতৃপ্রতীম সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করেন।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও সবার অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব শান্তিপূর্ণভাবে গণতন্ত্রের পথে উত্তরণ ঘটে।

জিয়াউর রহমান-প্রবর্তিত ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ পররাষ্ট্রনীতি উল্লেখ করে উপ-হাইকমিশনার বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বার্থকে সম্মুখে রেখে প্রতিবেশী দেশ ও বহির্বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনে সাফল্য লাভ করেন। তার এই পররাষ্ট্রনীতি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া সাফল্যের সঙ্গে অনুসরণ করেন এবং বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে শহীদ জিয়ার পররাষ্ট্রনীতিতে অবিচল রয়েছেন।

তিনি তারেক রহমানের ব্যতিক্রমী ও সৃজনশীল জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশের জনগণ এসব উদ্যোগের ফলে ‘স্বাধীনতার প্রকৃত স্বাদ’ উপলব্ধি করা শুরু করেছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতোমধ্যে ‘সাধারণ মানুষের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রীর ব্যতিক্রমী ও সৃজনশীল জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলোর আলোকচিত্র অনুষ্ঠান হলে কয়েকটি ফটোবোর্ডে প্রদর্শন করা হয়।

বহুমাত্রিক ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের আলোকে প্রধানমন্ত্রী যৌথ সমৃদ্ধির স্বার্থে ভারতের সঙ্গে বাস্তববাদী, পারস্পরিক সম্মান ও উন্নয়নের অংশীদারত্ব বজায় রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন বলে তিনি অবহিত করেন। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে লেখা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পত্রের অংশবিশেষ তিনি পাঠ করে শোনান।

ভারপ্রাপ্ত উপ-হাইকমিশনার বাংলাদেশ ও ভারতের সুদৃঢ় বন্ধুত্বের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।