logo

আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) যশোর জেলা সফর করবেন।

রোববার (২৬ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচিতে উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জনসভায় অংশগ্রহণের কর্মসূচি রয়েছে।

সফরসূচি অনুযায়ী, সোমবার সকালে গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে আকাশপথে যশোর বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। যশোরে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী শার্শা উপজেলার উলশী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই স্থানে আয়োজিত পথসভা বা সুধী সমাবেশেও যোগ দেবেন তিনি।

শার্শা থেকে ফিরে যশোর সার্কিট হাউসে স্বল্প বিরতির পর বিকেলে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে জনসভায় বক্তব্য রাখবেন।

দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যায় যশোর বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে রাতে রাজধানীতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনের আগে ২ ফেব্রুয়ারি যশোরে এসেছিলেন। সোমবার যশোরে তার দ্বিতীয় সফর। গত ২ ফেব্রুয়ারি তিনি ঘোষণা দিয়ে গিয়েছিলেন, বাবার স্মৃতিবিজড়িত উলাশী খাল তিনি যশোরের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে পুনর্খনন করবেন। সেই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে তার এই সফর। এ ছাড়া যশোরে মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল বাস্তবায়নের। তারই রূপ দিতে তিনি আসছেন।

প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে মানুষের দাবি, বিগত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই দফায় যশোরের জনসভায় যশোর পৌরসভা সিটি কপোরেশনের ঘোষাণার প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তায়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এই ঘোষণা দেবেন এমনটি আশা করছেন তারা। ভবদহে জলবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান, যশোরে একটি সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিও পুরোনো। যশোরের সুধীজনদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটিও রয়েছে। তাদের দাবি, এই সরকারের সময়ে বিশ্ববিদ্যালয় দুটি হোক। যশোর বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক কার্গো বিমানবন্দর করার দাবিও অনেকের।

যশোর জেলা বিএপির সাধারণ সম্পাদক ও যশোর জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন জানান, প্রধানমন্ত্রীর ঐতিহাসিক এই জনসভায় লক্ষাধিক লোক সমাগমের টার্গেট করছেন। বেশিরভাগ লোকই আসবে শহরের বাইরে থেকে। বৃহত্তর যশোরের ৪ জেলা ছাড়াও খুলনা বিভাগের অন্য ১০ জেলা থেকেও কমবেশি মানুষ জনসভায় আসবেন। একটি শান্তিপূর্ণ ঐতিহাসিক জনসভা উপহার দেওয়ার চেষ্টা করছে জেলা বিএনপি। যানবাহনের দিকটিও সুন্দরভাবে দেখা হচ্ছে। এ জন্য ট্রাফিক বিভাগের সঙ্গে সমন্বয় করে পার্কিং এলাকা নির্ধারণ করা হচ্ছে।