logo

আগেই নিতে এলাম, তবে জীবিত নয় মৃত: বৃষ্টির বাবা

আগেই নিতে এলাম, তবে জীবিত নয় মৃত: বৃষ্টির বাবা

যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় পিএইচডি করে গিয়ে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা সুলতানা বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন আকন বলেছেন, জুলাইয়ের ১৭ তারিখে মেয়ের দেশে ফেরার কথা ছিল। আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম সে বিমানবন্দরে নামবে, আমরা তাকে নিতে আসব। কিন্তু তার আগেই তাকে নিতে এলাম, তবে জীবিত নয়, মৃত।

রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে শনিবার (৯ মে) সকালে বৃষ্টির মরদেহ গ্রহণ করতে এসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে বৃষ্টির মরদেহ বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

মেয়ের ইচ্ছের কথা উল্লেখ করে বাবা জহির উদ্দিন বলেন, বৃষ্টির ইচ্ছে ছিল বড় হয়ে দেশের সাধারণ মানুষের জন্য কিছু করবে এবং বাড়ির সামনে তার নামের আগে ‘ডক্টর’ লেখা একটি নেমপ্লেট টাঙাবে।

তিনি বলেন, সার্টিফিকেট যদিও পেয়েছে, কিন্তু সেটা মরণোত্তর সার্টিফিকেট।

তিনি বলেন, মরদেহ দেশে আসার আগে যখন পুলিশ মরদেহটি গলিত ও বস্তাবন্দী অবস্থায় উদ্ধার করেছে। তখন অন্তত একবারের জন্য হলেও মেয়ের মুখটি শেষবারের মতো দেখতে চেয়েছিলাম।

ঘাতকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে বৃষ্টির বাবা জহির উদ্দিন বলেন, মেয়ে বৃষ্টি ও তার সহপাঠী লিমনকে হত্যার ঘটনায় ঘাতকের সর্বোচ্চ শাস্তি (মৃত্যুদণ্ড) নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার ও মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ কামনা করি।