logo
Advertisement

১০ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় সিনিয়র সহকারী সচিব বরখাস্ত

এশিয়া পোস্ট নিউজ
১০ মাস কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকায় সিনিয়র সহকারী সচিব বরখাস্ত
ছবি: ইন্টারনেট থেকে নেওয়া

অনুমোদন ছাড়া টানা ১০ মাসেরও বেশি সময় কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সিনিয়র সহকারী সচিব মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৪(৩)(ঘ) বিধি অনুযায়ী গুরুদণ্ড হিসেবে পলায়নের তারিখ অর্থাৎ ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকেই মোহাম্মদ মনিরুজ্জামানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।

জানা গেছে, মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান (পরিচিতি নম্বর ২০৬৮৯) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে পদায়নকৃত ছিলেন। এর আগে তিনি দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর তাকে ইউএনও হিসেবে পদায়নের লক্ষ্যে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ন্যস্ত করা হয়। ৩১ অক্টোবর তিনি দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে অবমুক্ত হলেও নির্ধারিত সময়ের (২০২৪ সালের ২১ ডিসেম্বর) মধ্যে সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করেননি। এ বিষয়টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়।

পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বদলিপূর্বক বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (সিনিয়র সহকারী সচিব) হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে সেখানেও তিনি যোগদান থেকে বিরত থাকেন।

কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া ২০২৪ সালের ১ নভেম্বর থেকে ধারাবাহিকভাবে কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকার অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) ও ৩(গ) বিধি অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ‘অসদাচরণ’ ও ‘পলায়ন’-এর অভিযোগে বিভাগীয় মামলা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ দুটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে চাকরি থেকে বরখাস্তের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের আলোকেই তাকে দ্বিতীয় কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরবর্তীতে এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মতামত চাওয়া হলে তারাও চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত পোষণ করে। পরিশেষে রাষ্ট্রপতি এই বরখাস্তের প্রস্তাবের চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।