Advertisement

প্লাস্টিকের বদলে সরকারি দপ্তরে কাগজের কলম ব্যবহারের নির্দেশ

এশিয়া পোস্ট নিউজ
প্লাস্টিকের বদলে সরকারি দপ্তরে কাগজের কলম ব্যবহারের নির্দেশ
কাগজের কলম। ছবি : সংগৃহীত

প্লাস্টিক দূষণ রোধে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়সহ দেশের সব সরকারি দপ্তরে প্লাস্টিকের কলমের বদলে কাগজের তৈরি পরিবেশবান্ধব কলম ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। একই সঙ্গে দাপ্তরিক কাজে রিসাইকেল্ড কাগজের ব্যবহার বাড়ানো ও পুনঃব্যবহার অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে গত ২৮ জুলাই পাঠানো এক চিঠির মাধ্যমে সব মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয়গুলো নিজ নিজ আওতাধীন দপ্তর, পরিদপ্তর ও সংস্থাকে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দিয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, অনিয়ন্ত্রিত প্লাস্টিকের ব্যবহার ও প্লাস্টিক বর্জ্যের কারণে পরিবেশ এবং মানবস্বাস্থ্য চরম ঝুঁকির মুখে পড়ছে। পরিবেশ সংরক্ষণ ও প্লাস্টিক বর্জ্য হ্রাসে প্লাস্টিকের বিকল্প হিসেবে সরকারি কার্যালয়ে রিসাইকেল্ড কাগজের তৈরি কলম ও কাগজের অগ্রাধিকার নিশ্চিত করা কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব এসব কলমে প্লাস্টিকের বদলে পুনঃচক্রায়িত কাগজ, আঠা ও সিস ব্যবহার করা হয়। ৩ থেকে ৫ টাকা ব্যয়ে উৎপাদিত এসব কলমের কালি শেষ হওয়ার পর মাটিতে ফেললে সংযুক্ত বীজ থেকে উদ্ভিদের জন্ম হয়, যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। বর্তমানে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এসব কলম উৎপাদন করছেন।

দেশে বছরে তৈরি হচ্ছে প্রায় ৮ লাখ টন প্লাস্টিক বর্জ্য। ৩৬ শতাংশ রিসাইক্লিং ও ৩৯ শতাংশ ল্যান্ডফিলে গেলেও ২৫ শতাংশ সরাসরি পরিবেশ দূষিত করছে। নদী-নালা ও ড্রেনের প্রবাহ আটকে কৃত্রিম বন্যা তৈরি করছে পলিথিন ও ‘সিঙ্গেল ইউজ’ প্লাস্টিক। ২০০২ সালে পলিথিন নিষিদ্ধ হলেও আইনের প্রয়োগহীনতায় ঢাকাসহ দেশে প্রায় ১২০০টি কারখানায় তৈরি হচ্ছে ক্ষতিকর পলিথিন।