Advertisement

চলতি অর্থবছরেই ৫ স্থানীয় সরকার নির্বাচন, খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
চলতি অর্থবছরেই ৫ স্থানীয় সরকার নির্বাচন, খরচ ৬ হাজার কোটি টাকা
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরেই দেশের পাঁচটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এসব নির্বাচন সম্পন্ন করতে আনুমানিক ৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

Advertisement

সোমবার (১৭ আগস্ট) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের আওতাধীন দপ্তর সমূহের পর্যালোচনা সভা শেষে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এসব তথ্য প্রকাশ করেন।

প্রতিমন্ত্রী জানান, জাতীয় বাজেটে এই পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন তাদের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পর উভয় পক্ষের আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট তারিখ ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই এই নির্বাচনগুলো অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

মীর শাহে আলম বলেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার পেছনে খরচ হবে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা। নির্বাচন কমিশনের প্রস্তুতি শেষ হলে আলোচনা সাপেক্ষে নির্বাচনের সময় নির্ধারণ করা হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, স্থানীয় সরকার পর্যায়ে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি না থাকায় বর্তমান প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনায় কিছু জটিলতা তৈরি হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতে মাঠপর্যায়ের সেবা প্রদান কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে নতুন নির্বাচিত প্রতিনিধিরা দায়িত্ব গ্রহণ করলে স্থানীয় সেবার মান এবং উন্নয়নমূলক কাজের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে।

ই-রিকশা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী জানান, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশাকে সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার অধীনে সুনির্দিষ্ট নিবন্ধনের আওতায় আনছে সরকার। নিবন্ধন পেতে হলে ই-রিকশার ব্যাটারি অবশ্যই সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে চার্জ করতে হবে। সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার না করলে নতুন নিবন্ধন দেওয়া হবে না এবং পুরোনো নিবন্ধনও নবায়ন করা হবে না।

প্রতিমন্ত্রী জানান, ব্যাটারিচালিত ই-রিকশাকে বুয়েট এবং সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের অটোমোবাইল শাখা থেকে ফিটনেস সার্টিফিকেট নিতে হবে। প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন শেষে দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশন, পৌরসভা ও উপজেলাসহ সর্বস্তরে এই কার্যক্রম চালু করা হবে।

চলাচল নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, ঢাকাকে আটটি জোনে ভাগ করা হবে এবং প্রতিটি জোনে আলাদা রঙের ই-রিকশা চলবে। এক জোনের ই-রিকশা অন্য জোনে চলাচল করতে পারবে না। এগুলোকে ‘জিও-ফেন্সিং’-এর আওতায় আনা হবে; নির্ধারিত জোনের বাইরে গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা ও জরিমানা করা হবে।