রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিলেন প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও বিরোধীদলীয় নেতা

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন চলছে। এতে ভোট দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ, ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে ভোট দেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুর ২টায় জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য।
এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েও ভোট দিতে পারছেন না ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী ও লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। কারণ, তিনি জাতীয় সংসদের সদস্য নন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ সদস্যরাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটার। বর্তমানে সংসদে থাকা ৩৪৯ জন সদস্যকে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তবে আদালতের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম-৪ আসনের নির্বাচিত প্রার্থী অযোগ্য হওয়ায় ওই আসনে বর্তমানে কোনো সংসদ সদস্য নেই।
সংসদে সাধারণ আসনে বিএনপির ২১১ জন, জামায়াতের ৬৮ জন, এনসিপির ৬ জন, অন্যান্য দলের ৭ জন এবং স্বতন্ত্র ৭ জন সংসদ সদস্য রয়েছেন। সংরক্ষিত আসনে বিএনপি ও সমমনা দলের ৩৬ জন, জামায়াত জোটের ১৩ জন এবং স্বতন্ত্র একজন সদস্য রয়েছেন।
এর আগে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের সংসদীয় দলের বৈঠক দুপুর ১২টায় সংসদ ভবনের বিরোধীদলীয় সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটদান পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে। সংসদে বিরোধী দলের সদস্য সংখ্যা ৯০ জন। এরমধ্যে নৈতিকস্খলনের দায়ে সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের এমপি গাজী নজরুল ইসলাম বহিষ্কৃত হওয়ায় তাকে আজকের বৈঠকে ডাকা হয়নি।
গত ২৪ জুলাই অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পদত্যাগ করেন ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ৬ আগস্ট শূন্য পদে নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করে ইসি। গত ১৩ আগস্ট বিএনপি মনোনীত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং ১১ দলীয় ঐক্য মনোনীত অলি আহমদ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাইয়ে দুই প্রার্থীর মনোনয়নই বৈধ হয়।



