logo

তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কে এই তরুণী

তাহসিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার কে এই তরুণী
কে এম তাহসিফ সৌরির সঙ্গে লিফটের সামনে জেরিকা তাসনীম দিশা। ছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সৌরির মৃত্যুর ঘটনায় তার কথিত বান্ধবী জেরিকা তাসনীম দিশাকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে নৌ পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর রোববার (১ নভেম্বর) তাকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। ওই রিমান্ড আবেদনে দিশার পরিচয় পাওয়া গেছে।

টঙ্গী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক (নিরস্ত্র) ফিরোজ উদ্দিন স্বাক্ষরিত আবেদনের তথ্য অনুযায়ী, জেরিকা তাসনীম দিশার বাসা কাফরুল থানাধীন ইব্রাহিমপুরের মমিন সরনীতে।

এর আগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকার একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সূত্রমতে, গণমাধ্যমে নাম প্রকাশ হওয়ার পর থেকে দিশা আত্মগোপনে ছিলেন। মরদেহ উদ্ধারের আগে দিশা তাহসিফ সৌরির বাসার ঠিক উল্টো পাশে একটি ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার পর থেকেই দিশা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছোটাছুটি করেন। শনিবার রাতে তার খালার বাসায় এসে একজনকে জানান, নিরাপদে আছেন। পরে পুলিশ প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার সন্ধান পায় এবং রাতে তাকে গ্রেপ্তার করে।

এর আগে সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, গত ২৭ অক্টোবর রাত ১০টা ১৭ মিনিটে উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের একটি রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বারে পৌঁছান তাহসিফ, দীপ ও দিশা। তারা একটি মোটরসাইকেলে সেখানে যান। কিছুক্ষণ পর আরেকটি মোটরসাইকেলে করে পৌঁছান দীপ। পরে তিনজনকে একসঙ্গে রেস্টুরেন্টে প্রবেশ করতে দেখা যায় ক্যামেরায়।

রেস্টুরেন্টের আরেকটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজে দেখা যায়, তাহসিফ ও ওই তরুণী লিফটের সামনে অপেক্ষা করছেন। কিছুক্ষণ পর হেলমেট পরা অবস্থায় সেখানে পৌঁছান দীপ। এরপর তিনজন একসঙ্গে লিফটে ওঠেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা পর রাত ১১টা ৫১ মিনিটে রেস্টুরেন্ট থেকে বের হতে দেখা যায়। পরে মোটরসাইকেলে করে সেখান থেকে চলে যান তারা।

রেস্টুরেন্ট থেকে তারা তিনজন কোথায় গেলেন, সেই তথ্য হন্যে হয়ে খুঁজছে তদন্তকারী দল।

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তাহসিফের মৃত্যুর ঘটনায় পরিবারের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তার বন্ধু দীপকে প্রথমে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ সময় তাহসিফের সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে যাওয়া ও সেসব স্থানে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে তথ্য দেন দীপ। তবে তার বক্তব্যে অসংগতি পাওয়া যায়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে পিবিআই।

নূর মামুন

সম্পাদনা

নূর মামুন

জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক | এশিয়া পোস্ট