logo

ডা. কামরুলের কাছে চাঁদা দাবির বিষয়ে জানেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ডা. কামরুলের কাছে চাঁদা দাবির বিষয়ে জানেন না স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস (সিকেডি) হাসপাতালের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের কাছে যুবদল পরিচয়ে চাঁদা দাবি ও হয়রানির বিষয়টি জানেন না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। 

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৯টায় রাজধানীর বিমানবন্দরে ক্রাউন প্লাজায় বাংলাদেশ প্রাইভেট মেডিকেল কলেজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিপিএমসিএ) বার্ষিক সম্মেলনে সাংবাদিকদের করা প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি। 
 
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমি এখনও এ ঘটনার কিছুই জানি না, জেনে বলতে পারব।

পরে আবারও প্রশ্ন করা হলে মন্ত্রী বলেন, আমি এখনও জানি না কি হয়েছে। তবে ডা. কামরুলের কাছে চাঁদা চাওয়া ও হয়রানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি যে দলেরই হোক না কেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

উল্লেখ্য, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাতে বিনা পারিশ্রমিকে দুই হাজার কিডনি প্রতিস্থাপনকারী ডা. কামরুলের রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত সিকেডি ইউরোলজি হাসপাতালে যুবদল নেতা পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে। 

জানা যায়, যুবদল নেতা পরিচয় দিয়ে স্থানীয় মঈন উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি হাসপাতালে গিয়ে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এই সংবাদ প্রচারিত হওয়ার পর রাতেই শ্যামলীর ওই হাসপাতালে আসেন যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়নসহ একটি প্রতিনিধিদল। তারা অধ্যাপক কামরুল ইসলামের সঙ্গে দেখা করে ঘটনার বিস্তারিত এবং চাঁদা চাওয়া ব্যক্তি সম্পর্কে জানাতে চান।

এ সময় অধ্যাপক কামরুল বলেন, ‘সে (মঈন উদ্দিন) বলছে সে যুবদলের নেতা, কাউন্সিলর ইলেকশন করতে চায়। আমি বিষয়টি নিয়ে জিডি করছি, এখানকার নেতাদের জানাই। কিন্তু তার এত বিরাট প্রভাব যে কেউ কিছু করেনি।’

পরে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি মঈন উদ্দিন আমাদের সংগঠনের কেউ না। এরা আমাদের সংগঠনের নাম ভাঙায়। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বলে দিয়েছেন এসব বিষয়ে জিরো টলারেন্স। এসব ঘটনা ঘটলে আমরা কিন্তু কাউকে ছাড় দেই না। পরে নয়ন তার ফোন থেকে র‌্যাবের একজন কর্মকর্তাকে ফোন করে মঈন নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের অনুরোধ করেন।’