logo

নববর্ষে নতুন প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নববর্ষে নতুন প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীর প্রতি ঐক্য, সম্প্রীতি ও নতুন প্রত্যয়ে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।

তিনি বলেছেন, বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের সর্বজনীন উৎসব, যা আমাদের অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য ও সম্প্রীতির উজ্জ্বল প্রতীক। জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে পহেলা বৈশাখ সবার জন্য আনন্দ ও মিলনের দিন হয়ে ওঠে। বাঙালির গৌরবময় ঐতিহ্য, সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও আত্মপরিচয়ের ধারক হিসেবে এ উৎসবের গুরুত্ব অপরিসীম।

 আগামীকাল (১৪ এপ্রিল) বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষ্যে সোমবার (১৩ এপ্রিল) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি নতুন বছরকে স্বাগত জানান। এ উপলক্ষে তিনি দেশবাসীসহ বিশ্বের সব বাংলা ভাষাভাষী মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বৈশাখের আগমনে মানুষের জীবনে জাগে নতুন আশা, প্রতিশ্রুতি ও সম্ভাবনার স্বপ্ন। অতীতের গ্লানি ও ব্যর্থতা পেছনে ফেলে নতুন উদ্যমে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দেয় এ উৎসব।

তিনি বলেন, একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে। সরকার স্বল্প সময়ের মধ্যেই প্রতিশ্রুত জনকল্যাণমুখী ও দূরদর্শী কর্মসূচি বাস্তবায়ন শুরু করেছে। কৃষিনির্ভর দেশের প্রেক্ষাপটে পহেলা বৈশাখে ‘কৃষক কার্ড’ চালুর উদ্যোগকে তিনি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। এ কর্মসূচি কৃষি খাতের উন্নয়ন ও কৃষকের জীবনমান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

বর্তমান বৈশ্বিক বাস্তবতায় নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হওয়ার কথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এ পরিস্থিতিতে সবাইকে আরও সংযমী, ধৈর্যশীল ও দায়িত্বশীল হতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টা, সততা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে সব বাধা অতিক্রম করে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও মানবিক রাষ্ট্র গঠন সম্ভব।

রাষ্ট্রপতি প্রত্যাশা করেন, সব অশুভ শক্তি দূর হয়ে সত্য ও সুন্দরের জয়ধ্বনি ছড়িয়ে পড়বে সর্বত্র। বিদায়ী বছরের দুঃখ-বেদনা মুছে গিয়ে নতুন বছর ব্যক্তি ও জাতীয় জীবনে বয়ে আনবে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি।

দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্প্রীতি ও সহমর্মিতার বন্ধন আরও জোরদার করে ভেদাভেদ ভুলে একটি অসাম্প্রদায়িক, ঐক্যবদ্ধ ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গড়ে তুলতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।