দুবাইপ্রবাসী আহমদ আলীর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে

ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সংঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিহত বাংলাদেশি সালেক আহমদ ওরফে আহমদ আলীর (৪৮) মরদেহ ঢাকায় পৌঁছেছে।
সোমবার (৯ মার্চ) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তার মরদেহ পৌঁছায়।
এ সময় মরদেহ গ্রহণ করেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর, সিনিয়র সচিব ড. নেয়ামত উল্যা ভূঁইয়া, বোর্ডের মহাপরিচালক ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া।
এদিকে বেলা ১১টায় আহমদ আলীর মরদেহ সিলেটে নেওয়া হবে বলে এশিয়া পোস্টকে নিশ্চিত করেছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
জানা গেছে, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে মরদেহ গ্রহণ করবেন। এরপর সড়কপথে সালেহ আহমদের মরদেহ নিজ গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজারের বড়লেখায় নেওয়া হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে মারা যান সালেহ আহমদ। তিনি বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা (বাঁশতলা) গ্রামের মৃত সবর আলীর ছেলে।
আলীর স্বজনরা জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আজমান শহরে বসবাস করছিলেন। সেখানে পানির গাড়ি চালাতেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার সন্ধ্যায় তিনি নিয়মিত কাজের অংশ হিসেবে পানির গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এ সময় ইরানের ছোড়া একটি ক্ষেপণাস্ত্র আজমান শহরে আঘাত হানে। এতে সালেহসহ আরও কয়েকজন গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা সালেহকে মৃত ঘোষণা করেন।
আহমদ আলীর পরিবারে তার স্ত্রী, তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
এদিকে সৌদি আরবে একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় কমপক্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১২ জন। নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে একজন বাংলাদেশি, অন্যজন ভারতীয়। সৌদি আরবের আল-খার্জ গভর্নরেটের একটি কমপাউন্ডের ওই ভবনে ওই হামলা চালানো হয়েছে।
সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স এজেন্সি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে এসব তথ্য জানিয়েছে। যদিও এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।