logo

শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ থাকলেও আওতামুক্ত থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান 

শপিংমল-দোকানপাট বন্ধ থাকলেও আওতামুক্ত থাকবে যেসব প্রতিষ্ঠান 

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে ঢাকাসহ দেশের সব দোকান-শপিংমল রাত ৮টা মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি। তবে আওতামুক্ত থাকবে হোটেল, ফার্মেসি এবং জরুরি প্রয়োজনীয় সেবার দোকান, কাঁচাবাজার।

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সংগঠনটি এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি ও ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির স্ট্যান্ডিং কমিটির যৌথ সভায় আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংকটের কারণে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারকে সহযোগিতার লক্ষ্যে ঢাকাসহ বাংলাদেশের সব দোকান, বাণিজ্য বিতান এবং শপিংমল রাত ৮টা মধ্যে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২৯ মার্চ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১১ দফা নির্দেশনা জারি করে সরকার।

এতে বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সকাল ৯টা থেকে ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নিজ নিজ কক্ষে অবস্থান করতে হবে এবং দাপ্তরিক কর্মসূচি নির্ধারণের সময় এ সময়সীমা যেন বিঘ্নিত না হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার কমাতে হবে। জানালা, দরজা বা ব্লাইন্ড খুলে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অফিস চলাকালে প্রয়োজন অনুযায়ী সীমিত সংখ্যক লাইট, ফ্যান, এসি ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনারের তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে বলা হয়েছে।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, অফিস কক্ষ ত্যাগের সময় লাইট, ফ্যান ও এসিসহ সব বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম বন্ধ করতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ রাখতে হবে। অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এসিসহ সব যন্ত্রপাতি বন্ধ নিশ্চিত করতে হবে।

এ ছাড়া সরকারি নির্দেশনা ছাড়া অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার, জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়া এবং অফিসের কক্ষ, করিডোর, সিঁড়ি ও টয়লেটসহ সব স্থান নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনাগুলো বাস্তবায়ন ও তদারকির জন্য সব দপ্তর, সংস্থা ও কার্যালয়কে ভিজিল্যান্স টিম গঠনের কথাও বলা হয়েছে।