চিন্তাশীল বাজেট হয়েছে, তবে আর্থিক ভিত্তি দুর্বল: দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

নতুন অর্থবছরের (২০২৬-২৭) জন্য প্রস্তাবিত বাজেটকে ‘চিন্তাশীল বাজেট’ হিসেবে অবিহিত করেছেন বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ও অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তবে তিনি মনে করেন, বাজেটের নীতিগত কাঠামো শক্তিশালী হলেও তা বাস্তবায়নের আর্থিক ভিত্তি দুর্বল।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেলে বাজেট পেশ শেষে সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, আমার কাছে মনে হয়েছে এবার একটি চিন্তাশীল বাজেট পেশ করা হয়েছে। এই চিন্তাশীল বাজেটের মূল নীতি-কাঠামোয় অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনয়নে এক বছরের সময়ের কথা বলা হচ্ছে। পাশাপাশি আরও তিন বছর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং আরও এক বছর অর্থনীতি বিনির্মাণের কথা বলা হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকার অর্থনীতিতে চাঞ্চল্য আনার জন্য বিনিয়ন্ত্রণ এবং একইসঙ্গে উদারীকরণের ওপর বড় জোর দিয়েছে। তবে নীতি কাঠামোকে বাস্তবায়ন করার জন্য যে আর্থিক কাঠামো সেটা অত্যন্ত দুর্বল। কারণ এটার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ নেই। যেখানে বিদেশি ঋণের কথা বলা হয়েছে। এই হিসেবে বাজেট বাস্তবায়নই বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, এই বাজেটের বাস্তবায়নই বড় বিষয় হয়ে দাঁড়াচ্ছে। আগামীতে ওনারা এই সুন্দর বাজেটটিকে কীভাবে বাস্তবায়ন করেন, সেটাই দেখতে চাই। সুন্দর বাজেট, আমি এটাকে চিন্তাশীল বাজেট বলছি। কিন্তু বাস্তবায়ন করার ভিত্তি আর্থিকভাবে দুর্বল।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার হতে পারে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা। আর বাজেটে মোট ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি থাকতে পারে। আসন্ন বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ধরা হতে পারে সাড়ে ৬ শতাংশ বলে জানা গেছে।



