logo

নির্বাচনি দায়িত্বে ঢিলেমি-অসহযোগিতা করলে ব্যবস্থা

নির্বাচনি দায়িত্বে ঢিলেমি-অসহযোগিতা করলে ব্যবস্থা

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন পরিচালনার জন্য ইতোমধ্যে ৬৯ রিটার্নিং অফিসার এবং ৪৯৯ সহকারী রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করেছে সরকার। একইসঙ্গে বিপুলসংখ্যক শিক্ষকসহ অফিস/প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। 

এসব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষককে নির্বাচনে আইন মেনে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করতে অনুরোধ জানিয়েছে সরকার। যদি কোনো কর্মকর্তা নির্বাচনি দায়িত্ব পালনে অনীহা, অসহযোগিতা, শৈথিল্য (ঢিলামি) বা ভুল তথ্য প্রদর্শন করে— তাহলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

সম্প্রতি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের কাছে এ বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। 

চিঠিতে নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর বিধান অনুসরণ সংক্রান্ত পরিপত্র সংশ্লিষ্ট সবাইকে জানাতে বলা হয়েছে। সেই ধারাবাহিকতায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগও তাদের আওতাধীন সবাইকে এই নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণের নির্দেশ দিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাউশির সহকারী পরিচালক মো. খালিদ হোসেন জানান, গত ৯ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের একটি নির্দেশনাপত্র তাদের কাছেও এসেছে। তারাও তাদের অধস্তন মাঠ পর্যায়ের সব অঞ্চল, জেলা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তারা এবং সব সরকারি-বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানদের কাছে নির্দেশনাপত্রটি পাঠিয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন কর্মকর্তাদের শৃঙ্খলা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্বাচন কর্মকর্তা (বিশেষ বিধান) আইন, ১৯৯১-এর বিধানাবলির প্রতি সংশ্লিষ্ট সরকারের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করা যাচ্ছে। এই আইনের ৪ ধারায় নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি এবং ৫ ধারায় শৃঙ্খলামূলক বিধানাবলি বিধৃত রয়েছে।

৪ ও ৫ ধারা অনুযায়ী, আনুষ্ঠানিক নিয়োগপত্র না থাকলেও নির্বাচনের কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা কমিশনের কোনো নির্দেশ পালন বা তথ্য সরবরাহের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে বিবেচিত হবেন। দায়িত্ব পালনে অসদাচরণের অভিযোগে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তাকে অভিযুক্ত করা যাবে এবং শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।