logo

বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ: গোয়েন্দা ব্যর্থতা নেই, বলছে পুলিশ

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণ: গোয়েন্দা ব্যর্থতা নেই, বলছে পুলিশ
ব্রিফিং করছেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ। ছবি: এশিয়া পোস্ট

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণসহ সহিংসতার ঘটনায় কোনো গোয়েন্দা ব্যর্থতা নেই বলে দাবি করেছেন ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ।

সোমবার (২১ আগস্ট) বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে রাত আনুমানিক ১০টা ৩৭ মিনিটে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে এই ব্রিফিংয়ের আয়োজন করা হয়।

এ সময় তিনি বলেন, ঘটনার পরপরই রেলওয়ে কর্মকর্তা, রেলওয়ে পুলিশ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরবর্তীতে গোপন তথ্য ও গোয়েন্দা বিশ্লেষণের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারদের একজন বাংলাদেশ রেলওয়ের ইলেকট্রিশিয়ান এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক থানা সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন রায়হান এবং অপরজন যুবলীগ কর্মী মোহাম্মদ সানমুন।

তিনি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা বলেছেন যে জনগণের মধ্যে ভীতি সঞ্চার করা এবং নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়েছিল। এ ঘটনায় ২০ সেপ্টেম্বর ঢাকা রেলওয়ে থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন ও বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পুলিশ জানায়, দুষ্কৃতকারীরা সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বন করে অপরাধ করে থাকে। ঢাকা একটি মেগা সিটি হওয়ায় নিয়মিত সভা-সমাবেশ, মিছিল ও রাজনৈতিক আন্দোলন সামলানোর পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনগুলোর তৎপরতার ওপর পুলিশকে প্রতিনিয়ত নজর রাখতে হয়। তবে পুলিশ একদিকে যেমন প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে, অন্যদিকে ঘটনা ঘটার পরও দ্রুত আসামিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনছে।

হারুন অর রশিদ বলেন, পুলিশ তাদের আইন ও বিধি মোতাবেক দায়িত্ব পালন করছে বলেই সাধারণ মানুষ স্বাচ্ছন্দ্যে চলাচল করতে পারছে; ফলে পুলিশের ব্যবস্থা গ্রহণ বা গোয়েন্দা তথ্যে কোনো দুর্বলতা বা ব্যর্থতা রয়েছে—এমনটি বলার সুযোগ নেই।