১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁসের অভিযোগ, ইসির নাকচ

আলোচনা ছাড়াই দীর্ঘদিনের প্রচলিত প্রথা ভেঙে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট পর্যবেক্ষণে কার্ড পেতে সাংবাদিকদের অনলাইন পদ্ধতিতে আবেদন করতে বলে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। যদিও পরবর্তীতে তোপের মুখে সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয় ইসি। তবে এরইমধ্যে অনলাইনে আবেদন করা ১৪ হাজার সাংবাদিকের তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
বেশ কয়েকজন সংবাদিকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, নিবন্ধন অনুমোদিত হয়েছে কিনা দেখতে শনিবার বিকেলে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেন তারা। এরপর সঙ্গে সঙ্গে ১৪ হাজার সাংবাদিকের আবেদনের তালিকা হোম পেজে চলে আসে। সেখানে তাদের দেওয়া এনআইডি নম্বর, মোবাইল নম্বরসহ আবেদনের কপির সকল তথ্য উন্মুক্তভাবে দেখা যাচ্ছিল। কিছুক্ষণ পর ওয়েবসাইটটিতে আর প্রবেশ করা যায়নি।
উন্মুক্তভাবে দেখা যাওয়ার তথ্য স্বীকার করলেও কোনো তথ্য ফাঁস হয়নি বলে জানান নির্বাচন কমিশনের (ইসি) জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক।
তিনি বলেন, সাংবাদিকদের আপত্তির মুখে গত বৃহস্পতিবার ওয়েবসাইটে তাদের আবেদনের বিষয়টি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু পর্যবেক্ষকের অপশনটি বন্ধ করতে আমাদের আইটি টিম সার্ভারটি ওপেন করে। এ সময় নিবন্ধনকারীদের মধ্যে যারা নিজের ড্যাশবোর্ডে লগইন করেছেন, তারা অ্যাডমিন প্যানেলও দেখতে পেয়েছেন। এতেই অনেকেই মনে করেছেন সাইট হ্যাক বা তথ্য পাচার হয়ে গেছে।
রুহুল আমিন মল্লিক আরও বলেন, তথ্য ফাঁসের বিষয়টি সঠিক নয়। কিছু সময়ের জন্য এনআইডি, নাম এমন তথ্যগুলো দেখা গেছে। তবে কেউ কপি বা ডাউনলোড করতে পারেনি।


