logo

ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি চলছে

ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনের টিকিট বিক্রি চলছে

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের চাপ সামাল দিতে বুধবার (৪ মার্চ) দ্বিতীয় দিনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আজ বিক্রি হচ্ছে আগামী ১৪ মার্চের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট।

ঈদ উপলক্ষে বরাবরের মতো এবারও সাত দিনের অগ্রিম টিকিট বিশেষ ব্যবস্থায় ছাড়ছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সব টিকিট শতভাগ অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে।

সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের সব আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। আর পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে।

রাজধানীর রেল ভবনে আয়োজিত ঈদযাত্রা প্রস্তুতি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রেলওয়ের সূচি অনুযায়ী, গতকাল ৩ মার্চ বিক্রি হয়েছে ১৩ মার্চের টিকিট। আর আগামীকাল ৫ মার্চ বিক্রি হবে ১৫ মার্চের টিকিট। এ ছাড়া ১৬ মার্চের টিকিট ৬ মার্চ, ১৭ মার্চের টিকিট ৭ মার্চ, ১৮ মার্চের টিকিট ৮ মার্চ ও ১৯ মার্চের টিকিট ৯ মার্চ বিক্রি করা হবে।

চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করে ২০, ২১ ও ২২ মার্চের টিকিট ছাড়ার সিদ্ধান্তও রয়েছে। এ ছাড়া নন-এসি কোচের ২৫ শতাংশ দাঁড়িয়ে যাওয়ার টিকিট যাত্রার দিন স্টেশন থেকে সংগ্রহ করা যাবে।

একজন যাত্রী ঈদযাত্রার অগ্রিম টিকিট একবারই কিনতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ চারটি আসন সংগ্রহের সুযোগ থাকছে। বিক্রি হওয়া টিকিট ফেরত নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে রেলওয়ে।

এ ছাড়া ঈদযাত্রাকে ঘিরে অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটায় নতুন কঠোর নীতিমালা চালু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। সাধারণ যাত্রীরা যেন নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্নভাবে টিকিট সংগ্রহ করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই সার্ভার সুরক্ষা ও ব্যবহারবিধিতে আনা হয়েছে বড় পরিবর্তন।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যবহারকারী একই ইউআরএলে এক মিনিটে ১০ বার বা তার বেশি রিকোয়েস্ট পাঠালে তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঁচ মিনিটের জন্য ব্লক করা হবে। অর্থাৎ অস্বাভাবিক ক্লিক বা রিফ্রেশ করলে সঙ্গে সঙ্গে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

আরও বলা হয়েছে, কোনো ব্যবহারকারী ১৫ মিনিটের মধ্যে তিনবার বা তার বেশি সিট নির্বাচন করলে তার সিট সিলেকশন সুবিধা এক ঘণ্টার জন্য বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ বারবার সিট ধরে রাখার চেষ্টা করলে সরাসরি নিষেধাজ্ঞা।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত বা অস্বাভাবিক রিকোয়েস্ট সার্ভারে চাপ তৈরি করে, যার ফলে অন্য যাত্রীরা টিকিট কাটতে গিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন। কৃত্রিম ভিড় সৃষ্টি বা স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার ব্যবহার করে সিট দখলের প্রবণতা ঠেকাতেই এই সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে সাধারণ ব্যবহারকারীরা সমান ও স্বচ্ছ সুযোগ পাবেন বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।