ঢাকায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি

দুই দিনের সফর শেষে ঠাকুরগাঁও থেকে ঢাকায় পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানিয়েছে রাষ্ট্রপতির প্রেস উইং।
প্রেস উইংয়ের তথ্যমতে, দুই দিনের সফর শেষে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নিরাপদে ঢাকায় পৌঁছেছেন।
এর আগে সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার জামালপুর এলাকায় ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন রাষ্ট্রপতি। এসময় সংঘাত ও প্রতিশোধের রাজনীতি পরিহার করে আলাপ-আলোচনা এবং সমঝোতার মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘অনেক ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র যাতে বজায় থাকে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।’
নিজ এলাকার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ঠাকুরগাঁও অনেকটাই অবহেলিত। ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষের জন্য উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যাওয়া হবে। এরই মধ্যে জেলায় মেডিকেল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে এবং বিমানবন্দর পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য প্রয়োজনীয় জমি শিল্প মন্ত্রণালয় ও ঠাকুরগাঁও সুগার মিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে পাওয়া গেছে। এ জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।’
রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান ও সদস্যরা আজ এখানে উপস্থিত হয়েছেন। আশা করা যাচ্ছে, দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের নকশা (প্ল্যান ও ডিজাইন) চূড়ান্ত হবে এবং মূল নির্মাণকাজ শুরু হবে।’
তিনি বলেন, “আজ এ এলাকার মানুষের জন্য এক আনন্দের দিন। উচ্চশিক্ষার প্রসারের মাধ্যমে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং দেশের উন্নয়নে নতুন সুযোগ তৈরি হবে। আমি বিশ্বাস করি, এ বিশ্ববিদ্যালয় সত্যিকার অর্থেই একটি ‘সেন্টার অব এক্সেলেন্স’ হিসেবে গড়ে উঠবে।”
বেকারত্ব দূর করতে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে তরুণদের শুধু চাকরির পেছনে না ছুটে নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। একইসঙ্গে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বেলা দেড়টার দিকে নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের শহীদ মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামে রাষ্ট্রপতিকে বহনকারী হেলিকপ্টারটি অবতরণ করে। তখন তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানায় নাগরিক সংবর্ধনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসন।


