logo
Advertisement

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে আইনমন্ত্রীর ব্যাখ্যা

এশিয়া পোস্ট ডেস্ক
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বৈত নাগরিকত্ব ইস্যুতে আইনমন্ত্রীর ব্যাখ্যা
আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি : বাসস

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়। এর ব্যাখ্যা দিয়ে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সংবিধান অনুযায়ী শপথ নিয়েছেন এবং তার শপথ গ্রহণে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।

Advertisement

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।

একই সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবকে ‘ক্যাজুয়াল’ ও ‘ইনফরমাল’ হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তিনি বিষয়টিকে খুব বেশি গুরুত্ব দিয়ে না দেখার আহ্বান জানিয়েছেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নাগরিকত্বের বর্তমান অবস্থা ও দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সরকারের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়। জবাবে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে কিছুটা অনানুষ্ঠানিকভাবে কথা বলেছেন। নাগরিকত্বের বিষয়ে জানতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই প্রশ্ন করা সবচেয়ে ভালো হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এটা বলি যে উনি একটু ইনফরমালি কথা বলছিলেন। আর এই জবাবটা আমার মনে হয় তাকেই তো জিজ্ঞেস করা হয়েছে? তার কাছে জিজ্ঞেস করাটাই সবচেয়ে ভালো অপশন।’

প্রয়োজন হলে বিষয়টি সরকার খতিয়ে দেখতে পারে মন্তব্য করে ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘এরপরও যদি এ বিষয়ে কোনো ধরনের ক্ল্যারিফিকেশন প্রয়োজন হয়, তাহলে সরকার বিষয়টি খোঁজ করে দেখতে পারে। তবে আমি মনে করি এ বিষয়ে সবচেয়ে ভালো হবে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকেই প্রশ্ন করা। তার বক্তব্যের ধরন ও প্রেক্ষাপট বিবেচনা করেই বিষয়টি দেখা উচিত।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা যদি বক্তব্যটা পড়েন এক রকম, আর বক্তব্যটা যদি দেখেন, তাহলে দেখবেন যে উনি একটু ক্যাজুয়ালি, ইনফরমালি কথা বলছিলেন। এটাকে খুব সিরিয়াসলি না নেওয়াটাই উচিত হবে।’

এর আগে সোমবার (২৪ আগস্ট) সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির নাগরিকত্ব প্রসঙ্গে বলেন, ‘আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, আপনি বলেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো সিটিজেন নিয়ে আছি, কাজ করি।’

এ সময় একটি সংবাদমাধ্যমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি আরও বলেন, ‘আপনি বলেন নেটিজেন! তো মানে কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে মানে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?’

তার ওই বক্তব্যের পরই বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক ও গণমাধ্যম অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়।