logo

মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে সেবা দিতে হবে: আইজিপি

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে সেবা দিতে হবে: আইজিপি
কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিচ্ছেন মো. আলী হোসেন ফকির। বুধবার রাজধানীর মিরপুরে। ছবি: পুলিশ সদর দপ্তর

পেশাদারত্বের পাশাপাশি মানবিকতা ও সেবার মনোভাব নিয়ে জনগণকে পুলিশি সেবা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর মিরপুরে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের মাল্টিপারপাস হলে দুই দিনব্যাপী ‘কমিউনিটি পুলিশিং নীতিমালা প্রণয়ন’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, জনমুখী পুলিশিংয়ের মূল ভিত্তি হলো জনগণের আস্থা অর্জন এবং সেই আস্থাকে কার্যকর অংশীদারত্বে রূপ দেওয়া। জনগণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ এবং নিরাপদ সমাজ গঠনে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি কমিউনিটি পুলিশিংয়ের মাধ্যমে কিশোর গ্যাং প্রতিহত করা এবং মাদকবিরোধী অভিযান যথাযথভাবে পরিচালনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

আইজিপি বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রতিভাবান তরুণ খেলোয়াড় খুঁজে বের করে সেরা খেলোয়াড়দের সমন্বয়ে জাতীয় কাবাডি দল গঠনের লক্ষ্যে ‘১ম কমিউনিটি পুলিশিং কাবাডি টুর্নামেন্ট-২০২৬’ সারাদেশে প্রাণচাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। কাবাডি আমাদের জাতীয় খেলা ও গৌরবের অংশ। এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ সততা, ন্যায়সংগত আচরণ ও পারস্পরিক সম্মানের সঙ্গে জনগণকে সেবা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল কমিউনিটি গড়ে তোলার লক্ষ্যে জনগণের সঙ্গে পুলিশের অংশীদারত্ব আরও শক্তিশালী করে পারস্পরিক আস্থা অর্জনের মাধ্যমে অপরাধ প্রতিরোধ করতে হবে।

পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের রেক্টর (অতিরিক্ত আইজি) কাজী মো. ফজলুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে রেক্টর কাজী মো. ফজলুল করিম ‘বাংলাদেশে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিং পুনর্গঠন: একটি জনমুখী, প্রতিরোধমূলক ও গোয়েন্দা-তথ্যনির্ভর পুলিশিং কাঠামোর পথে’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

তিনি বিদ্যমান অভিজ্ঞতা ও অর্জনের ভিত্তিতে কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও প্রতিরোধমূলক, জবাবদিহিমূলক, তথ্যনির্ভর ও জনসম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনা করেন অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মো. সায়েদুর রহমান এবং ভাইস-রেক্টর ড. মো. আব্দুস সোবহান। তারা কমিউনিটি ও বিট পুলিশিংকে আরও কার্যকর করার বিভিন্ন বাস্তব দিক তুলে ধরে মতামত দেন।