যাত্রী কল্যাণ সমিতির ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গের অভিযোগকে অস্বীকার সড়ক প্রতিমন্ত্রীর

চলতি বছর ঈদুল ফিতরে যাত্রাপথে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য গত ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করতে চলেছে বলে অভিযোগ করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব।
তিনি বলেন, ভাড়া নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো যাত্রী অভিযোগ করেনি।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন তিনি।
দুটি ট্রেন ছাড়া বাকি ট্রেনগুলোর চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে জানিয়ে রশিদ হাবিব বলেন, ঈদযাত্রার বিষয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, সাফল্য-ব্যর্থতার দায় ঈদের পর নির্ধারণ হবে। ঈদ যাত্রায় দুর্ঘটনার দায় সরকারের ওপরই বর্তায়। তবে যাত্রীদেরও সচেতন থাকতে হবে।
ঈদের পর রেল সেবাকে উন্নত ও যোগাযোগ পথ বাড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এর আগে বুধবার (১৮ মার্চ) ঈদযাত্রায় ভাড়ানৈরাজ্য ও যাত্রী হয়রানি পর্যবেক্ষণের এক সংক্ষিপ্ত সমীক্ষা তুলে ধরে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি।
সেখানে বলা হয়, সরকারি ঘোষণা বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বাস-মিনিবাসে ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য চলছে। বুধবার থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন নগরীর সিটিবাসেও অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের নৈরাজ্য শুরু হয়েছে। নৌপথের বেশির ভাগ রুটে এমন নৈরাজ্যের চিত্র দেখা গেলেও সরকার বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে মালিকদের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী গণমাধ্যমে বক্তব্য দিচ্ছে।
যাত্রীকল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের ঈদে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর যাতায়াত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ছাড়া রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন নগরীর সিটি সার্ভিসের বাসে আরও প্রায় ৬০ লাখ ট্রিপ যাত্রীর যাতায়াত হতে পারে বলে সংগঠনের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।