logo

জনকণ্ঠে অবৈধ ছাঁটাই বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

জনকণ্ঠে অবৈধ ছাঁটাই বন্ধ না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি
ছবি: এশিয়া পোস্ট

দৈনিক জনকণ্ঠে গণ-ছাঁটাই, কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান এবং কার্যালয় বন্ধ রাখার প্রতিবাদে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিক নেতারা।

রোববার (১৪ জুন) দৈনিক জনকণ্ঠ ভবনের সামনে আয়োজিত এক অবস্থান কর্মসূচিতে অনতিবিলম্বে এসব সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার এবং বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধের দাবি জানানো হয়। দৈনিক জনকণ্ঠ সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক দিদারুল আলম বলেন, শেখ হাসিনাকে ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে সহায়তাকারী জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষ এখনও ফ্যাসিবাদের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। পলাতক হাসিনা ও তার দোসরদের ইন্ধনে দেশপ্রেমিক সাংবাদিক ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বেআইনি সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। গণ-ছাঁটাই ও শোকজের এই ধারা অব্যাহত থাকলে সাংবাদিক সমাজ জনকণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে আইন মেনে জবাবদিহিতা করতে বাধ্য করবে।

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সভাপতি আবু সালেহ আকন তার বক্তব্যে বলেন, জনকণ্ঠের নিপীড়নের ইতিহাস পুরনো। ইতিপূর্বে স্বৈরাচারী হাসিনা তাদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে এবং ভারতের অর্থায়নে তারা তাবেদারি করেছে।

তিনি প্রশ্ন তোলেন, এখন কাদের আশ্রয়ে তারা সাংবাদিকদের ওপর নির্যাতন চালাচ্ছে?

জনকণ্ঠের কর্তৃপক্ষের নির্যাতনের কারণে অতীতে অনেক সাংবাদিক হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন, আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান না হলে এমন আন্দোলন গড়ে তোলা হবে যেখানে ফ্যাসিবাদী কর্তৃপক্ষ পালাবার পথ পাবে না।

অবস্থান কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য রাখেন দৈনিক জনকণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত বার্তা সম্পাদক মুনির জারিফ, বিশেষ প্রতিনিধি মীর মোহাম্মদ জসিম এবং মহাব্যবস্থাপক মফিজুর রহমানসহ অন্যান্যরা।

বক্তারা জনকণ্ঠের বর্তমান কর্তৃপক্ষকে ফ্যাসিবাদের দোসর আখ্যা দিয়ে বলেন, পত্রিকাটিতে এখনও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা সক্রিয়। একজন ভারতীয় প্রতিনিধিকে হর্তাকর্তা বানিয়ে দেশপ্রেমিক সাংবাদিকদের ছাঁটাই করা হচ্ছে। অনতিবিলম্বে এই হয়রানি বন্ধ এবং পত্রিকা অফিস খুলে না দিলে মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান সোহেলকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করাসহ অফিস ঘেরাওয়ের মতো কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন আন্দোলনকারীরা।