সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদ ও কারাবন্দি সাংবাদিকদের মুক্তির দাবি

চব্বিশ সালের ৫ আগস্টের পর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণের পরবর্তী সময় রাজনীতিবিদ ছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার লোকদের ওপরও নেমে আসে নির্মম নির্যাতন-নিপীড়ন। দেশের সংবাদিকরাও তা থেকে রেহাই পায়নি। সারা দেশের ৫ শতাধিক সাংবাদিকের বিরুদ্ধে গায়েবি হত্যা মামলা, অর্ধশত সাংবাদিক গ্রেপ্তার, ১৬৮ পেশাদার সাংবাদিকের অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড বাতিল, জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শতাধিক সাংবাদিকের সদস্য পদ বাতিল অথবা স্থগিত করা হয়।
এই অবস্থার প্রেক্ষিতে সাংবাদিক নির্যাতন-নিপীড়ন বিরোধী সাংবাদিক ফ্রন্ট গঠন করা হয়। সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাত আটটায় রাজধানীর একটি হোটেলে সাংবাদিকদের এক সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে এই নতুন সংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘটে।
সভার সিদ্ধান্তক্রমে আকতার হোসেনকে আহ্বায়ক ও শেখ জামালকে সদস্য সচিব করে ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। সভায় অবিলম্বে কারাবন্দির সাংবাদিকদের মুক্তি, হত্যা মামলা প্রত্যাহার ও চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের পুনর্বহালের দাবি জানানো হয়।
কমিটি নিম্নরূপ
আহ্বায়ক: আকতার হোসেন
যুগ্ম আহবায়ক: আশরাফুল ইসলাম
যুগ্ম আহবায়ক: জাকির হোসেন ইমন
সদস্য সচিব: শেখ জামাল
সদস্য বৃন্দ:
১। অমিয় ঘটক পুলক
২। খায়রুল আলম
৩। কে এম শহীদুল হক
৪। সোহেলী চৌধুরী
৫। আসাদুর রহমান
৬। জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরী
৭। সাজেদা হক
৮। ইকরামুল কবীর টিপু
৯। এ কে এম ওবায়দুর রহমান
১০। সাজেদা পারভীন
১১। শামীমা আক্তার
১২। প্রদীপ কুমার চৌধুরী
১৩। সাবিরা ইসলাম
১৪। হামিদ মোহাম্মদ জসিম
১৫। এস এম সাইফ আলী
১৬। জুবায়ের রহমান চৌধুরী
১৭। রাগীবুল রেজা
১৮। মোহাম্মদ নাঈমুদ্দিন
১৯। রেজাউল কারীম
২০। রেজাউল করিম রেজা
২১। রফিকুল ইসলাম সুজন
২২। আবুল হোসেন
২৩। কাজী মোবারক হোসেন
২৪। শহীদ রানা
২৫। শেখ কলিমুল্লাহ নয়ন
২৬। ওয়ারেসুন্নবী খন্দকার
২৭। ইকবাল জাফর
২৮। রমজান আলী
২৯। জাহাঙ্গীর খান বাবু
৩০। রফিকুল ইসলাম রফিক
৩১। শফিকুল ইসলাম
৩২। গাজী তুষার আহমেদ
৩৩। রহিমা খানম
৩৪। মাজেদুল ইসলাম পাপেল
৩৫। মুক্তা মনোয়ার
৩৬। রফিকুল ইসলাম পিন্টু
৩৭। বিউটি রানী
৩৮। হাসনাত শাহিন
৩৯। কামরুল ইসলাম
৪০। ইমরানুল আজিম চৌধুরী
৪১। ইসরাফিল শাহিন
৪২। এস এম কামরুজ্জামান সাগর
৪৩। রুবেল হাসান
৪৪। নাসিরুদ্দিন চৌধুরী
৪৫। নাঈমুর রহমান স্বপন
৪৬। ইসরাফিল হাওলাদার
৪৭। হাসান আহমেদ
৪৮। মো. শফিউর রহমান