তুলে নেওয়া হয়েছে রেশনিং সীমা, যত ইচ্ছা তেল নেওয়া যাবে

ঈদযাত্রায় ভোগান্তি কমাতে জ্বালানি তেল বিক্রির রেশনিং সীমা তুলে নিয়েছে সরকার। ফলে রোববার (১৫ মার্চ) থেকে ইচ্ছামতো গণপরিবহনের জন্য তেল নেওয়া যাবে। মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেল সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় গত ৬ মার্চ থেকে সরকার তেল কেনায় সীমা বেঁধে দিয়েছিল।
রেশনিং তুলে নেওয়ার বিষয়ে শনিবার সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সাংবাদিকদের বলেন, ঈদযাত্রার চাপ বিবেচনায় দূরপাল্লার বাসসহ গণপরিবহনে জ্বালানি নেওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনো সীমা রাখা হবে না।
তিনি বলেন, রোববার থেকে ঈদযাত্রার চাপ বাড়বে। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আগেই গণপরিবহনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শনিবার রাত থেকেই দূরপাল্লার বাস ও অন্যান্য গণপরিবহনে তেল নেওয়ার কোনো সীমা থাকবে না।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে জ্বালানি সাশ্রয়ে গত ৬ মার্চ ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দেয় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)।
ওই নির্দেশনা অনুযায়ী একটি মোটরসাইকেলে দিনে ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নেওয়া যাচ্ছিল। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে নেওয়া যাচ্ছিল সর্বোচ্চ ১০ লিটার তেল। আর রাইড শেয়ার চালকদের জন্য রাতে ৫ লিটার বরাদ্দ ছিল।
এ ছাড়া স্পোর্টস ইউটিলিটি ভেহিকেল বা এসইউভি ও মাইক্রোবাস দিনে পাচ্ছে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল। পিকআপ বা লোকাল বাস দিনে ডিজেল নিতে পারছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান বা কনটেইনার ট্রাক দৈনিক ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নিতে পারছে।