কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

ষাটের দশকের প্রখ্যাত ছাত্রনেতা, মুক্তিযোদ্ধা এবং একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শুক্রবার (১৯ জুন) এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
তারেক রহমান বলেন, কবি আল মুজাহিদী গণতন্ত্র, মানবাধিকার এবং দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের পক্ষে আজীবন সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেছেন। তার মৃত্যুতে আমাদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গভীর শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে, যা সহজে পূরণ হওয়ার নয়।
আল মুজাহিদী আজ দুপুরে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। প্রায় এক বছর আগে চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত হওয়ার পর থেকেই কবি শয্যাশায়ী ছিলেন। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন সমস্যা ও হৃদরোগে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন।
কবির প্রথম জানাজা আজ এশার নামাজের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে। আগামীকাল শনিবার (২০ জুন) দুপুর ১২টায় জাতীয় প্রেসক্লাবে দ্বিতীয় এবং বাদ জোহর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে তৃতীয় নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে বেলা ১১টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষ মরহুমের কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করবেন। সবশেষ মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে কবিকে দাফন করা হবে।
কবিতা, উপন্যাস ও শিশুসাহিত্যে আল মুজাহিদীর অবদান অপরিসীম। ‘হেমলকের পেয়ালা’, ‘ধ্রুপদ ও টেরাকোটা’ এবং ‘যুদ্ধ নাস্তি’-র মতো কালজয়ী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা তিনি। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি একুশে পদকসহ দেশি-বিদেশি বহু সম্মাননা পেয়েছেন।
