logo
Advertisement

জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় পুলিশের সতর্কতা জারি নিয়ে দুই ধরনের তথ্য

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় পুলিশের সতর্কতা জারি নিয়ে দুই ধরনের তথ্য
বাংলাদেশ পুলিশের লোগো। ছবি: সংগৃহীত

জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় দেশের সব জেলা ও রেঞ্জে সর্বোচ্চ সতর্কতা (হাই অ্যালার্ট) জারি করার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) রাতে দেশের প্রতিটি এলাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুলিশের উচ্চপর্যায়ের একটি সূত্র এশিয়া পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিতও করেছে।

Advertisement

তবে সতর্কতা জারির এই তথ্য অস্বীকার করে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন একটি জাতীয় দৈনিককে জানান, দেশজুড়ে বোমা হামলার আশঙ্কায় হাই অ্যালার্ট জারির যে খবর প্রচার হচ্ছে, সেটি সঠিক নয়। এটি একটি গুজব।

সবাইকে গুজবে কান না দিয়ে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান পুলিশের এই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। একই সঙ্গে যাচাই-বাছাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার বা শেয়ার না করারও অনুরোধ জানান তিনি।

তবে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকে মাঠপর্যায়ে পাঠানো একটি নির্দেশনায় বলা হয়, আসসালামু আলাইকুম, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গেছে আজ সারা বাংলাদেশে বোমা হামলা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আপনার জেলাধীন যেসব পুলিশ সদস্য নৈশকালীন চেকপোস্ট/ টহল/ মোবাইল ডিউটিতে নিয়োজিত থাকবেন, তাঁরা সর্বোচ্চ সতর্কতার সহিত ডিউটি করবেন। অপ্রীতিকর কোনো ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিক অবগত করবেন। অতীব জরুরি। নির্দেশনা: পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।

এই বার্তাটি সত্যি বলে পুলিশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধির সঙ্গে কথা বলে নিশ্চিত হয় এশিয়া পোস্ট। তবে সূত্রটি নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।

তথ্যটি প্রকাশের পর তা সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশটে দাবি করা হয়, দেশের সব রেঞ্জ ডিআইজি, জেলা পুলিশ সুপার (এসপি), মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার এবং পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোর কাছে এ-সংক্রান্ত জরুরি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। এতে বিশেষ করে রাতের চেকপোস্ট, মোবাইল পেট্রোল ও টহল ডিউটিতে নিয়োজিত সদস্যদের নিজস্ব নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সন্দেহজনক ব্যক্তি, বস্তু ও যানবাহনের ওপর নজরদারি বাড়াতে বলা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় স্থাপনা (কেপিআই), বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন, জনসমাগমপূর্ণ এলাকা এবং দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে তল্লাশি ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদারের কথাও ওই স্ক্রিনশটে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব তথ্যকে ভিত্তিহীন ও গুজব বলে দাবি করছে পুলিশ সদর দপ্তর।

বিষয় :