logo

রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা করে রেজিস্ট্রার অফিসের চিঠি

রাশেদ খানকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা করে রেজিস্ট্রার অফিসের চিঠি
রাশেদ খান ও রেজিস্ট্রার অফিস থেকে পাঠানো চিঠি। ছবি : ফেসবুক

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খানকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী ঘোষণা করে চিঠি পাঠিয়েছে রেজিস্ট্রার অফিস।

বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে চিঠি-সংবলিত এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন রাশেদ নিজেই।

রাশেদ খানকে পাঠানো চিঠিতে জানানো হয়, আপনাকে জানাচ্ছি যে, আইন উপদেষ্টার মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে সিন্ডিকেট (৩১.০৮.২০২৬) কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন-২০১৯-এর গোলাম রাব্বানীর এম.ফিল ভর্তি বাতিল হওয়ায় তার সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থীতা ও পদ বাতিল করা হলো এবং পরবর্তী সর্ব্বোচ ভোটপ্রাপ্ত প্রার্থী হিসেবে আপনাকে উক্ত মেয়াদের জন্য (২০১৯) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে বিজয়ী ঘোষণা করা হলো।

ওই পোস্টের ক্যাপশনে রাশেদ লিখেছেন, “আলহামদুলিল্লাহ। মহান আল্লাহর দরবারে লাখো-কোটি শুকরিয়া। দীর্ঘসময় পরে হলেও ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয়েছে। ২০১৯ সালের ডাকসু নির্বাচনে আমাকে যারা ভোট দিয়েছিলেন ,সেসব শিক্ষার্থী বন্ধুদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

এর আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান ও বিএনপি থেকে সম্প্রতি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেওয়া ইসহাক সরকারের ছোট ভাই বংশাল থানা বিএনপির ২ নম্বর যুগ্ম আহ্বায়ক ইয়াকুব সরকার। তাদের যোগদানের প্রসঙ্গ টেনে নিজের ফেসবুক পেজে স্ট্যাটাস দেন রাশেদ খান।

বুধবার বেলা ২টা ৩৫ মিনিটে তিনি এ পোস্ট দেন। তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো।

জামায়াতে যোগদান করা অতিরিক্ত বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমানকে ২০০৪ সালে অর্থের বিনিময়ে জামিনের আশ্বাসের অভিযোগে অপসারণ করা হয়। পরবর্তীতে অপসারণের আদেশ চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে যান শাহিদুর রহমান। কিন্তু ২০১৫ সালেও তার অপসারণ করে দেওয়া রাষ্ট্রপতির আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। এবার তিনি জামায়াতে যোগদান করে অতীতের সমস্ত বিতর্ক থেকে নিজেকে পরিশুদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছেন। জামায়াতকে ধন্যবাদ যে, জামায়াত অপরাধী ও বিতর্কিতদের পুনর্বাসন করে সঠিক পথে আনার উদ্যোগ নিয়েছে।

আবার শুনলাম, এনসিপি নেতা ইসহাক সরকারের এক ভাই ৩৬ বছর ধরে মানুষ হতে না পারলেও জামায়াতে যোগদান করার সঙ্গে সঙ্গে মানুষ হয়ে গেছে মর্মে বক্তব্য দিয়েছেন। জামায়াতের এ আলাদিনের চেরাগ দেখার খুব ইচ্ছে। সেখানে কি জাদু আছে যে, মুহূর্তের মধ্যে একজন অপরাধীও পাপ মুক্ত মানুষ হয়ে যায়। ভোটের আগে জান্নাতের টিকিটের মতোন জামায়াত বর্তমানে ‘অপরাধী পাপ মুক্তকরণ টিকিট’ চালু করেছে বলে মনে হচ্ছে। তবে এটা অবশ্য ইতিবাচক যে, সব অপরাধী যদি জামায়াতে গিয়ে ভাল মানুষ হয়ে যায়। তাও দেশটা অপরাধী মুক্ত হবে।

মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দেন বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সাবেক বিচারপতি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কওমি আলেমসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ৬৫০ জন। তাদের মধ্যে অন্যতম সাবেক বিচারপতি সৈয়দ শাহিদুর রহমান ও ইয়াকুব সরকার।