জুলাই সনদ নিয়ে সংসদে আলোচনার সময় নির্ধারণ

জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন নিয়ে জাতীয় সংসদে আলোচনার জন্য নোটিশ দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। এ বিষয়ে আগামী মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংসদের কার্যদিবসের শেষ ভাগে দুই ঘণ্টা সময় বরাদ্দ দিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে সংসদের বৈঠকে প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে শফিকুর রহমান নোটিশটি উত্থাপন করেন এবং তা নিয়ে আলোচনার দাবি জানান। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।
অধিবেশন চলাকালে স্পিকার জানান, কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।
অনির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, গত ১৫ মার্চ তিনি একই বিষয় সংসদে উত্থাপন করেছিলেন। স্পিকারের পরামর্শ অনুযায়ী তিনি যথাযথভাবে নোটিশ জমা দেন এবং তা সংসদে উপস্থাপন করেন।
এ সময় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি বলেন, প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন ও ৭১ বিধির কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর এ ধরনের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। তিনি বিরোধীদলীয় নেতাকে নিয়ম মেনে অপেক্ষা করার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার প্রস্তাব নিয়ে সরকারেরও বক্তব্য রয়েছে। তবে সংসদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হলে এটি প্রশ্নোত্তর পর্ব ও ৭১ বিধির আলোচনা শেষে উত্থাপন করা উচিত, যাতে অন্য সদস্যদের অধিকারও সুরক্ষিত থাকে।
জবাবে শফিকুর রহমান বলেন, স্পিকারের নির্দেশনা অনুযায়ীই তিনি প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে বক্তব্য দিয়েছেন এবং এটি তার সাংসদ হিসেবে দায়িত্ব ও অধিকার।
এ সময় সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে সংক্ষিপ্ত তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে ডেপুটি স্পিকার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে আলোচনার জন্য রেখে দিয়ে ৭১ বিধিতে জনগুরুত্বসম্পন্ন নোটিশের ওপর আলোচনা শুরু করেন।