পাবজির সাউথ এশিয়া চ্যাম্পিয়নশিপ হচ্ছে বাংলাদেশে, ভারতীয় এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন

বাংলাদেশের ইস্পোর্টস ইতিহাসে প্রথমবারের মতো দেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পাবজি মোবাইল গ্লোবাল ওপেন (পিএমজিও) সাউথ এশিয়া ২০২৬ কোয়ালিফায়ার। ঐতিহাসিক এই আয়োজন বাংলাদেশের জন্য গর্বের হওয়ার কথা থাকলেও, একাধিক যোগ্য ও অভিজ্ঞ দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে উপেক্ষা করে এর প্রধান দায়িত্ব ভারতীয় এজেন্সি ইস্পোর্টস কাউন্টিকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত স্থানীয় ইস্পোর্টস অঙ্গনে তীব্র ক্ষোভ, হতাশা ও উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
বাংলাদেশের মাটিতে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পরিকল্পনা, নিয়ন্ত্রণ, বাণিজ্যিক সুবিধা ও আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি কেন ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়া হলো—এ প্রশ্ন এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রকিউরমেন্টে বাংলাদেশের একাধিক প্রতিষ্ঠিত ইস্পোর্টস এজেন্সি অংশগ্রহণ করলেও কোনো দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়নি। এই সিদ্ধান্ত কার্যত বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতার ওপর একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করেছে।
বাংলাদেশি এজেন্সিগুলো দীর্ঘদিন ধরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের টুর্নামেন্ট, ল্যান ইভেন্ট, সম্প্রচার, লিগ পরিচালনা, কনটেন্ট নির্মাণ, প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা এবং কমিউনিটি কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়ন করছে। দেশের আইন, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া, ভিসা ব্যবস্থা, নিরাপত্তা কাঠামো, ভেন্যু, সরবরাহব্যবস্থা এবং স্থানীয় ইস্পোর্টস কমিউনিটি সম্পর্কে তাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা রয়েছে। এরপরও একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেশীয় শিল্প, পেশাজীবী ও তরুণদের সক্ষমতার প্রতি স্পষ্ট অনাস্থার বার্তা দেয়।
সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—অনুষ্ঠানটি হবে বাংলাদেশে, সরকারি অনুমোদন ও সহযোগিতা আসবে বাংলাদেশ থেকে, ভেন্যু ও অবকাঠামো হবে বাংলাদেশের, অধিকাংশ বাস্তবায়নকর্মী ও সরবরাহকারীও হবেন বাংলাদেশি; অথচ প্রকল্পের নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি, বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ এবং মুনাফার বড় অংশ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের জন্য। এতে বাংলাদেশকে আয়োজক দেশ হিসেবে ক্ষমতায়িত না করে কেবল একটি বাজার, ভেন্যু ও সস্তা বাস্তবায়নভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে কি না—সেই প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক।
দেশীয় কোনো প্রতিষ্ঠান দায়িত্ব পেলে প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা ফি, পেশাজীবীদের পারিশ্রমিক, প্রযুক্তিগত বিনিয়োগ এবং মুনাফার বড় অংশ বাংলাদেশের অর্থনীতির মধ্যেই থাকত। স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ত, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হতো এবং আন্তর্জাতিক প্রকল্প পরিচালনার অভিজ্ঞতা দেশের মধ্যেই সংরক্ষিত হতো। কিন্তু ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়ায় ব্যবস্থাপনা ফি, বিদেশি জনবলের ব্যয়, পরামর্শক পারিশ্রমিক এবং প্রকল্পের মুনাফার উল্লেখযোগ্য অংশ বৈদেশিক মুদ্রায় ভারতে চলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশের জনবল মাঠপর্যায়ে কাজ করলেও প্রকল্পের মূল কৃতিত্ব ও আন্তর্জাতিক পোর্টফোলিও ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের নামে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অর্থাৎ বাংলাদেশিরা কাজ করবে, বাংলাদেশের অবকাঠামো ব্যবহৃত হবে এবং বাংলাদেশের বাজার থেকে বাণিজ্যিক মূল্য সৃষ্টি হবে—কিন্তু নেতৃত্বের স্বীকৃতি ও ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক সুবিধা যাবে ভারতীয় এজেন্সির কাছে। এটি দেশীয় শিল্পের জন্য অত্যন্ত অসম ও অপমানজনক পরিস্থিতি।
এ ধরনের সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতের জন্য আরও বিপজ্জনক নজির তৈরি করতে পারে। ভারতীয় বা অন্য বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশে এসে স্থানীয় এজেন্সিগুলোকে শুধু সাবকন্ট্রাক্টর ও সেবা সরবরাহকারীর ভূমিকায় রেখে নিজেরা মূল নিয়ন্ত্রণ, মুনাফা ও স্বীকৃতি নিয়ে গেলে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলো কখনোই আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের পর্যায়ে পৌঁছাতে পারবে না। বরং নিজেদের বাজারেই বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশি এজেন্সির অধীনস্থ হয়ে পড়বে।
এর পাশাপাশি আরও একটি মৌলিক আইনগত ও নিয়ন্ত্রক প্রশ্ন সামনে এসেছে—ইস্পোর্টস কাউন্টির কি বাংলাদেশে সরাসরি এ ধরনের বাণিজ্যিক ইভেন্ট পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় বৈধ নিবন্ধন, লাইসেন্স, অনুমোদন ও আনুষঙ্গিক কাগজপত্র রয়েছে? প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশে নিবন্ধিত কোনো শাখা, প্রকল্প কার্যালয় বা অনুমোদিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কাজ করছে কি না, সেটিও স্পষ্ট করা প্রয়োজন।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটির কোম্পানি নিবন্ধন বা বিদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন, ট্রেড লাইসেন্স, কর শনাক্তকরণ নম্বর, ভ্যাট নিবন্ধন, আয়কর ও উৎসে করসংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা, বৈদেশিক মুদ্রায় অর্থ গ্রহণ ও প্রেরণের অনুমোদিত ব্যবস্থা, বিদেশি কর্মীদের কাজের অনুমতি ও উপযুক্ত ভিসা, ভেন্যু ব্যবহারের অনুমতি এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা ছাড়পত্র রয়েছে কি না—তা আয়োজন শুরুর আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করা উচিত।
ইস্পোর্টস কাউন্টি যদি কোনো স্থানীয় প্রতিষ্ঠান বা সাবকন্ট্রাক্টরের লাইসেন্স ও নিবন্ধনের আওতায় প্রকল্পটি পরিচালনা করে, তাহলে সেই স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের পরিচয়, চুক্তিভিত্তিক দায়িত্ব, আর্থিক দায় এবং আইনগত জবাবদিহিও প্রকাশ করা প্রয়োজন। প্রকল্পে কোনো অনিয়ম, কর ফাঁকি, শ্রমসংক্রান্ত সমস্যা, নিরাপত্তা লঙ্ঘন বা চুক্তিগত বিরোধ দেখা দিলে বাংলাদেশে কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান দায় বহন করবে—সেটি অস্পষ্ট রাখা গ্রহণযোগ্য নয়।
এখানে ইস্পোর্টস কাউন্টির প্রয়োজনীয় নথি নেই—এমন অপ্রমাণিত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো হচ্ছে না। বরং একটি বিদেশি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের সরকারি সহায়তা, জাতীয় ক্রীড়া অবকাঠামো, স্থানীয় জনবল এবং বাণিজ্যিক সুবিধা ব্যবহার করার আগে তার সব প্রযোজ্য নিবন্ধন, লাইসেন্স, কর-ভ্যাট নথি, ভিসা ও কাজের অনুমতি যথাযথভাবে যাচাই করার দাবি জানানো হচ্ছে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর, বাংলাদেশ ব্যাংক, ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ, সংশ্লিষ্ট স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রণালয় ও ভেন্যু কর্তৃপক্ষের উচিত নিজ নিজ এখতিয়ার অনুযায়ী এসব কাগজপত্র পরীক্ষা করা। প্রয়োজনীয় নথি ও অনুমোদনের যাচাই সম্পন্ন না করে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে কার্যক্রম পরিচালনা, সরকারি স্থাপনা ব্যবহার, বিদেশি কর্মী নিয়োজিত করা অথবা প্রকল্পের অর্থ বিদেশে প্রেরণের সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের কাছে এই প্রকল্প অর্পণের মাধ্যমে বাংলাদেশের সরকারি দপ্তর, মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া অবকাঠামো, স্পনসর, গণমাধ্যম ও স্থানীয় সরবরাহকারীদের সঙ্গে তাদের সরাসরি যোগাযোগ এবং প্রভাব তৈরির সুযোগও সৃষ্টি হচ্ছে। একটি বিদেশি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জন্য এই প্রবেশাধিকার কতটা প্রয়োজনীয়, কতটা নিয়ন্ত্রিত এবং প্রকল্প শেষ হওয়ার পরও সেই যোগাযোগ বা তথ্য ব্যবহার করা যাবে কি না—এসব বিষয়ে সুস্পষ্ট নীতিমালা থাকা জরুরি।
বিদেশি জনবলের উপস্থিতি নিজে নিরাপত্তা লঙ্ঘনের প্রমাণ নয়। তবে যথাযথ যাচাই ছাড়া কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বা কর্মী যদি মন্ত্রণালয়, সরকারি স্থাপনা, ভিসা-সংক্রান্ত নথি, খেলোয়াড়দের পাসপোর্ট ও ব্যক্তিগত তথ্য, প্রশাসনিক যোগাযোগ অথবা প্রযুক্তিগত অবকাঠামোতে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রবেশাধিকার পান, তাহলে তা তথ্য সুরক্ষা, গোপনীয়তা এবং জাতীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য বাস্তব ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।
তাই কতজন ভারতীয় কর্মকর্তা বাংলাদেশে আসবেন, তাদের দায়িত্ব কী হবে, কোন ধরনের ভিসায় তারা কাজ করবেন, তাদের বৈধ কাজের অনুমতি রয়েছে কি না, কারা তাদের পরিচয় ও পেশাগত পটভূমি যাচাই করবেন, কোন সরকারি দপ্তরে তাদের প্রবেশাধিকার থাকবে এবং সংগৃহীত তথ্য কোথায় সংরক্ষণ করা হবে—এসব বিষয় প্রকাশ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের নাগরিক ও সরকারি তথ্য বিদেশে স্থানান্তরিত হবে কি না এবং প্রকল্প শেষে সেই তথ্য মুছে ফেলা হবে কি না, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।
পাবজি মোবাইল ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বাংলাদেশের ইস্পোর্টস অংশীজনদের প্রশ্ন
• বাংলাদেশের মাটিতে যোগ্য দেশীয় প্রতিষ্ঠান থাকা সত্ত্বেও ভারতীয় এজেন্সিকে কেন প্রধান দায়িত্ব দেওয়া হলো?
• ইস্পোর্টস কাউন্টির কি বাংলাদেশে এ ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রযোজ্য সব নিবন্ধন, লাইসেন্স ও অনুমোদন রয়েছে?
• প্রতিষ্ঠানটির বাংলাদেশে নিবন্ধিত শাখা, প্রকল্প কার্যালয় অথবা অনুমোদিত স্থানীয় আইনগত অংশীদার কে?
• তাদের ট্রেড লাইসেন্স, কর শনাক্তকরণ নম্বর, ভ্যাট নিবন্ধন এবং আয়করসংক্রান্ত নথি কোন কর্তৃপক্ষ যাচাই করেছে?
• বিদেশি কর্মকর্তা ও কর্মীদের উপযুক্ত ভিসা এবং কাজের অনুমতি রয়েছে কি না?
• প্রকল্পের অর্থ বিদেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে কর, ভ্যাট ও বৈদেশিক মুদ্রাসংক্রান্ত নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করা হবে কি না?
• নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেশীয় অভিজ্ঞতা, কর্মসংস্থান ও জাতীয় অর্থনৈতিক স্বার্থকে কতটা মূল্যায়ন করা হয়েছে?
• প্রকল্পের কত অর্থ বাংলাদেশে থাকবে এবং কত অর্থ ব্যবস্থাপনা ফি ও মুনাফা হিসেবে ভারতে চলে যাবে?
• বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো কি শুধু ভারতীয় এজেন্সির সাবকন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করবে?
• মন্ত্রণালয়, সরকারি স্থাপনা ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগের সীমা কী হবে?
• খেলোয়াড়, কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যক্তিগত তথ্য কোন দেশে সংরক্ষিত হবে?
• কোনো আইনগত বা আর্থিক অনিয়ম ঘটলে বাংলাদেশে কোন প্রতিষ্ঠান দায় বহন করবে?
• প্রকল্পের আন্তর্জাতিক কৃতিত্ব ও পোর্টফোলিওতে বাংলাদেশি অংশীদারদের অবদান কীভাবে স্বীকৃত হবে?
পিএমজিও সাউথ এশিয়া ২০২৬ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশের অর্থ, শ্রম, অবকাঠামো, প্রশাসনিক সহায়তা ও বাজার ব্যবহার করে যদি নেতৃত্ব, মুনাফা, প্রভাব এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি একটি ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যায়, তাহলে এই আয়োজনকে বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ অর্জন বলা কঠিন।
বাংলাদেশের ইস্পোর্টস-সংশ্লিষ্টদের দাবি—প্রকিউরমেন্টের মূল্যায়ন পদ্ধতি প্রকাশ করা হোক, ইস্পোর্টস কাউন্টির সব প্রযোজ্য নিবন্ধন, লাইসেন্স, কর-ভ্যাট নথি, ভিসা ও কাজের অনুমতি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে যাচাই করা হোক, অর্থের বৈদেশিক বহিঃপ্রবাহের হিসাব নিশ্চিত করা হোক, বিদেশি জনবলের ভূমিকা ও প্রবেশাধিকার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হোক এবং বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ইস্পোর্টস প্রকল্পে যোগ্য দেশীয় প্রতিষ্ঠানকে প্রধান বা যৌথ নেতৃত্ব দেওয়ার বাধ্যতামূলক নীতি গ্রহণ করা হোক।
বাংলাদেশের মাটিতে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানকে দর্শক বা সহযোগী বানিয়ে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানকে নেতৃত্ব দেওয়ার এই প্রবণতা এখনই প্রশ্নবিদ্ধ না হলে ভবিষ্যতে দেশের ইস্পোর্টস বাজার, পেশাগত সুযোগ এবং কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ ক্রমেই বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে চলে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়বে।
