logo

টুপটুপ রিসোর্টের ছিল না অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স, করা হয়েছিল সতর্ক

টুপটুপ রিসোর্টের ছিল না অগ্নিনিরাপত্তা লাইসেন্স, করা হয়েছিল সতর্ক
আগুনে পুড়ে ছাই টুপটুপ রিসোর্ট। ছবি: এশিয়া পোস্ট

কক্সবাজারের ইনানী পাটোয়ারটেক এলাকার টুপটুপ রেস্টো অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিনিরাপত্তার লাইসেন্স ছিল না। গত জুন মাসে এ বিষয়ে রিসোর্ট কর্তৃপক্ষকে সতর্ক করেছিল ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

ডিজি জানান, চলতি বছরের জনু মাসে এই রিসোর্টটিকে অগ্নিনিরাপত্তার সতর্ক করা হয়েছিল কারণ কর্তৃপক্ষের লাইসেন্স ছিল না। এই রিসোর্টের নিচে রান্নাঘর ছিল। এর ওপরে ছিল আবাসিক ব্যবস্থা। সেখান থেকেই অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কমান্ডার দোলন আচার্য এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, মৃত ব্যক্তিরা সবাই পর্যটক বলে ধারণা করছে ফায়ার সার্ভিস।

অগ্নিকাণ্ডে মৃত ব্যক্তিরা হলেন, রাজধানী ঢাকার বনশ্রীর ইসরাত জাহান মালিহা (৩০) ও মিলিতা মেহেজাবিন আলভী (২৩), খিলগাঁওয়ের লায়লা জাহান নাবিলা (২৭), নাফিসতা মীম (২৭), চুয়াডাঙ্গার ফারিহা কবির (৩৩), ফায়িজান আহম্মেদ (৫) ও ঢাকা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতির স্ত্রী নাসরিন আক্তার মুক্তা।

এ ঘটনায় আহত ছয়জনকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে আনা হয়েছে। তারা হলেন মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক শিহাব উদ্দীন (৩১), তার স্ত্রী নাফিজা নেওয়াজ খান (২৯), মান্নান (৩৪), মেহেরুন্নেসা (৩০), মাসুদ (৩০) ও সামিদা (৩২)।

এর আগে শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। বেলা ১১টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো হয় বলে জানিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া কর্মকর্তা তালহা বিন জসীম।