logo
Advertisement

বুড়িগঙ্গা নদীকে বাঁচাতে না পারলে ঢাকার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়: শাহ ইশমাত আজমেরী

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
বুড়িগঙ্গা নদীকে বাঁচাতে না পারলে ঢাকার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়: শাহ ইশমাত আজমেরী
এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী ও চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ ইশমাত আজমেরী। ছবি: এশিয়া পোস্ট

বুড়িগঙ্গা নদী আমাদের প্রাণ। ঢাকার অস্তিত্ব রক্ষা করতে হলে এই নদীকে যেকোনো মূল্যে বাঁচাতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন এনভায়রনমেন্টাল ইনোভেশন অ্যান্ড রিসার্চ নেটওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী ও চিলড্রেন ওয়াচ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শাহ ইশমাত আজমেরী।

Advertisement

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জনসম্পৃক্ত নদী ও পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা: টেকসই ভবিষ্যৎ ও যৌথ দায়বদ্ধতা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি বুড়িগঙ্গা নদীর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরেন।

শাহ ইশমাত আজমেরী বলেন, বুড়িগঙ্গা আমাদের প্রাণ; আমাদের এই ঢাকা শহর বুড়িগঙ্গাকে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে। কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত বুড়িগঙ্গার কথা ভুলে যাই এবং ভাবি এটিকে নিয়ে আর নতুন কিছু করার নেই। তবে আমি মনে করি, বুড়িগঙ্গাকে নিয়ে আমাদের এখনো অনেক কিছু করার আছে। এই প্রাণপ্রবাহকে যদি আমরা বাঁচাতে না পারি, তবে আমাদের অস্তিত্ব ও ঢাকাকে রক্ষা করা সম্ভব হবে না। কারণ, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে যখনই উপস্থাপন করা হয়, তখন বুড়িগঙ্গার চিত্রই প্রথমে উঠে আসে।

তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি বুড়িগঙ্গা আবার তার হারিয়ে যাওয়া প্রাণ ফিরে পাবে। এ বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য আমি মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। পাশাপাশি পানি দূষণের ফলে আমাদের শিশু, জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ ব্যবস্থার (ইকোসিস্টেম) অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং অন্যদেরও সচেতন করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি আমাদেরও দায়িত্ব পালন করতে হবে।

সম্মিলিত প্রচেষ্টার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, আমাদের সবার সম্মিলিত চেষ্টায় বুড়িগঙ্গাকে আগের মতো দূষণমুক্ত অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব। টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) অর্জনের সময়সীমা ২০৩০ সালেই শেষ হয়ে যাবে, হাতে একদমই বেশি সময় নেই। তাই আমাদের এখন থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।