প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে জিএলটির প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের ব্যাখ্যা

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সংবাদমাধ্যমে সম্প্রতি জেনুইন লিফ টোব্যাকো লিমিটেড (জিএলটি) নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটির মানবসম্পদ বিভাগ।
এক প্রতিবাদলিপিতে জিএলটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু সংবাদমাধ্যমে জেনুইন লিফ টোব্যাকো লিমিটেড নিয়ে এমন কিছু অপতথ্য ও সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে, যেখানে প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের অর্থায়ন, মালিকানা বা ব্যবসায়িক সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে। উক্ত তথ্য ও সংবাদ সম্পূর্ণ অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং প্রকৃত তথ্যের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। এ ধরনের সংবাদ প্রচারে আমরা গভীর উদ্বেগ ও তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’
প্রতিবাদলিপিতে জেনুইন লিফ টোব্যাকোর প্রকৃত মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে বলা হয়, ‘প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান জান্নাতুল নাঈম এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ কে এম জিয়াউদ্দীন কোম্পানিটির শতভাগ শেয়ারের মালিকানা বহন করছেন। কোম্পানির মালিকানা শেয়ার কাঠামো অনুযায়ী এছাড়া তৃতীয় কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো প্রকার শেয়ার, মালিকানা কিংবা অর্থায়নের সংশ্লিষ্টতা নেই।’
প্রকাশিত সংবাদকে বিভ্রান্তিকর দাবি করে এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসায়িক সুনাম, মর্যাদা, বিশ্বাসযোগ্যতা ও স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বাস্তব আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয় প্রতিবাদলিপিতে।
একই সঙ্গে জিএলটির পক্ষ থেকে ‘সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি, সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মকে উক্ত অসত্য, বিভ্রান্তিকর ও অপতথ্যসম্বলিত বক্তব্য সংবাদ অবিলম্বে প্রত্যাহার, সংশোধন এবং ভবিষ্যতে যাচাই ছাড়া এ ধরনের তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ’ জানানো হয়।
প্রতিবেদকের বক্তব্য
প্রতিবাদলিপিতে ‘বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম’ ও ‘কিছু সংবাদমাধ্যমে’ প্রচারিত অপতথ্য ও সংবাদের বিষয়ে সামগ্রিকভাবে নিজেদের ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে জিএলটি। অন্য প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত তথ্য ও সংবাদ নিয়ে এশিয়া পোস্টের কোনো বক্তব্য বা অবস্থান নেই। তবে গত ৬ অক্টোবর এশিয়া পোস্টে প্রকাশিত ‘আ.লীগ নেতার কারখানায় এনসিপি নেতার তামাক কোম্পানি, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর পরিদর্শন ঘিরে বিতর্ক’ শীর্ষক যে প্রতিবেদনে জিএলটির প্রসঙ্গ এসেছে; সেখানে কোনো মিথ্যা বা বানোয়াট তথ্য উপস্থাপন করা হয়নি।
নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারীর কুষ্টিয়া সফরের পর জিএলটির কারখানা নিয়ে দেশব্যাপী নানা গুঞ্জন ও কৌতুহলের সৃষ্টি হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে খোঁজ-খবর নিয়ে পাওয়া তথ্য, অভিযোগ, স্থানীয়দের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে প্রাপ্ত নথিপত্র বিশ্লেষণের পর প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। সেখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোনো বক্তব্য বা অবস্থান তুলে ধরা হয়নি।
ওই প্রতিবেদনে জিএলটি নিয়ে সকল অভিযোগ এবং প্রচারণার বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির এমডি এ কে এম জিয়াউদ্দিনের সঙ্গেও কথা বলেছে এশিয়া পোস্ট। প্রতিবেদনে তার পুরো বক্তব্য প্রকাশ করা হয়েছে। তার দেওয়া সব নথিপত্রের তথ্যও প্রতিবেদনে সংযুক্ত করা হয়েছে।