logo

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসীরা দেশে ফিরলে কর্মসংস্থান করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নূর

যুদ্ধ পরিস্থিতিতে প্রবাসীরা দেশে ফিরলে কর্মসংস্থান করা হবে: প্রতিমন্ত্রী নূর

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে কোনো প্রবাসী শ্রমিক দেশে ফিরে আসতে বাধ্য হলে তাদের কর্মসংস্থান বা ক্ষতিপূরণের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর।

বুধবার (১১ মার্চ) নারায়ণগঞ্জ শহরের শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গণঅধিকার পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

প্রবাসীকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী শ্রমিকদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই বৈশ্বিক কোনো সংকটের কারণে প্রবাসীরা দেশে ফিরতে বাধ্য হলে তাদের পুনর্বাসন, কর্মসংস্থান কিংবা প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সরকার দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে।

নুরুল হক নূর বলেন, অতীতে গণআন্দোলন ও গণপ্রতিরোধের সময় নারায়ণগঞ্জের মানুষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। রাজপথের আন্দোলনের সময় এই জেলার মানুষ বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। তবে এখন রাজপথের লড়াই অনেকটাই শেষ হয়েছে। এখন প্রয়োজন মেধা, যুক্তি ও পরিকল্পনার মাধ্যমে দেশ ও শহর গড়ে তোলা।

তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার কথা বলা হচ্ছে। এ ক্ষেত্রে সংসদ হবে নীতিগত বিতর্ক, রাষ্ট্র সংস্কার ও গঠনমূলক আলোচনার জায়গা। অতীতের রাজনৈতিক বিভাজন ও বিদ্বেষ ভুলে দেশ গঠনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ ও দখল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, শিল্পকারখানা দেশের অর্থনীতির প্রাণ হলেও নদী দূষণ রোধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। ইতোমধ্যে বুড়িগঙ্গা নদী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, শীতলক্ষ্যাও একই ঝুঁকির মুখে রয়েছে। যদি মেঘনা নদীর পানিও অতিরিক্ত দূষিত হয়ে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মানুষের জন্য পানির বড় সংকট তৈরি হতে পারে। তাই শীতলক্ষ্যা নদীকে দূষণ ও দখলমুক্ত রাখতে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত দুই যুগে দেশের বিভিন্ন শহর পরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠলেও নারায়ণগঞ্জের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরকে ঘিরে তেমন বড় পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়নি। একটি পরিকল্পিত নগরী হিসেবে নারায়ণগঞ্জকে গড়ে তুলতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।