logo

নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়া হতাশাব্যঞ্জক : ইসি মাছউদ

নির্বাচনে নারী প্রার্থী কম হওয়া হতাশাব্যঞ্জক : ইসি মাছউদ

জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নারী ভোটারের উপস্থিতি ও ভোটগ্রহণে নারী কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ সন্তোষজনক ছিল। কিন্তু প্রার্থী হিসেবে নারীদের সংখ্যা এখনও কম এবং তা হতাশাব্যঞ্জক।

সোমবার (১৬ মার্চ) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে নারী দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, গত নির্বাচনে আমরা দেখেছি নারী ভোটাররা জয়ের ক্ষেত্রে বড় ডিসাইডিং ফ্যাক্টর বা নির্ণায়ক হিসেবে কাজ করেছেন। এমনকি যেসব এলাকায় আগে নারীরা ভোট দিতে আসতেন না, সেখানেও বিপুল উপস্থিতি দেখা গেছে। কিন্তু প্রার্থী হিসেবে নারী মাত্র ০.৪ শতাংশ (বা ৪ শতাংশ), যা কোনোভাবেই প্রত্যাশিত নয়।

আরপিও উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধনের অন্যতম শর্ত হলো ২০৩০ সালের মধ্যে দলের সব পর্যায়ের কমিটিতে অন্তত ৩৩ শতাংশ নারী সদস্য রাখা। আরপিওর ৯০ (বি), (সি) এবং (জি) ধারা অনুযায়ী দলগুলো এই লক্ষ্যমাত্রা কতটুকু পূরণ করছে, তা কমিশনকে নিয়মিত জানানোর বাধ্যবাধকতা রয়েছে। যদি কোনো দল এটি প্রতিপালনে ব্যর্থ হয়, তবে কমিশন তাদের নিবন্ধন বাতিলের ক্ষমতা রাখে।

ইসি মাছউদ বলেন, যেহেতু ২০৩০ সাল পর্যন্ত সময়সীমা আছে, তাই এখনই নিবন্ধন বাতিল করা হচ্ছে না। তবে এই সময়ের পর কোনো দল শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংসদ নির্বাচন শেষ হয়েছে, এখন সামনে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সেখানে সংরক্ষিত আসনের পাশাপাশি সরাসরি পদেও নারীরা যেন বেশি সংখ্যায় প্রার্থী হন, সে বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে হবে। আমরা আশা করি, নারী নেতৃত্ব ও উন্নয়নে যারা কাজ করছেন, তারা এ বিষয়ে সাধারণ নারীদের আরও উৎসাহিত করবেন।