logo

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ প্রয়োজন: পানিসম্পদ মন্ত্রী

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকপণ্যে কার্যকর করারোপ প্রয়োজন: পানিসম্পদ মন্ত্রী
মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। ছবি: সংগৃহীত

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন বাজেটে তামাকপণ্যে কার্যকরভাবে করারোপ করা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত তামাক কর বাস্তবায়নের মাধ্যমে অর্জিত রাজস্ব আয় বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত শক্তিশালীকরণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

‎

‎বুধবার (২০ মে) রাজধানীর ধানমন্ডিতে ঢাকা আহছানিয়া মিশন আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে কার্যকরভাবে তামাক পণ্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

‎

‎বিএনপির নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী তামাক ব্যবহারজনিত অসংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে আমরা বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, তামাকপণ্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধির মাধ্যমে একটি সুস্থ, নিরাপদ ও তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনে জাতীয় সংসদসহ সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে বিষয়টি তুলে ধরার চেষ্টা করব।

‎

‎এ্যানি চৌধিরী আরও বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং আসন্ন বাজেটে তামাকজাত দ্রব্যের কর ও মূল্য বৃদ্ধি করলে তামাক নিয়ন্ত্রণে আরও অগ্রগতি সম্ভব হবে। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে তামাকের ব্যবহার বাংলাদেশে অত্যন্ত বেশি। বর্তমান সরকার যেমন জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বদ্ধপরিকর তেমনি তামাক নিয়ন্ত্রণেও সরকারের নির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে।

‎সেমিনারে মূল প্রবন্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইনস্টিটিউট-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. শাফিউন নাহিন শিমুল বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে চার স্তরের সিগারেট বিদ্যমান; এর মধ্যে বাজারে বিক্রিত সিগারেটের প্রায় ৯০ শতাংশই নিম্ন ও মধ্যম স্তরের, যা সহজলভ্য হওয়ায় তরুণ ও নিম্ন আয়ের মানুষকে দ্রুত আসক্ত করে তুলছে। পাশাপাশি জর্দা, গুল ও বিড়ি সহজলভ্য হওয়ায় তামাক ব্যবহার আরও বাড়ছে।

‎ঢাকা আহছানিয়া মিশনের সভাপতি প্রফেসর ড. গোলাম রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য সেক্টরের উপ-পরিচালক মোখলেছুর রহমান। বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শেখ মোমেনা মনি, বিসিআইসির সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ।