একনেকে অনুমোদন পায়নি আলোচিত চীনা অর্থনৈতিক প্রকল্প

চলতি অর্থবছরের ১২তম এবং বিএনপি সরকারের চতুর্থ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় আজ। এতে বহুল আলোচিত চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রকল্প অনুমোদন পায়নি।
তবে সভায় মোট আটটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এসব প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২৬৬ কোটি টাকা।
মঙ্গলবার (৯ জুন) সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক সভাপতি তারেক রহমান।
একনেক সভায় নতুন ও সংশোধিত মিলিয়ে ১২টি প্রকল্প উত্থাপিত হয়। যেখান থেকে আটটি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো—
১. বরিশাল সেচ প্রকল্পের রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়) প্রকল্প।
২. আনোয়ারা-বাঁশখালী-টইটং-পেকুয়া-বদরখালী-চকরিয়া আঞ্চলিক মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীতকরণ প্রকল্প।
৩. দেশের ৩৩টি জেলায় সার্কিট হাউস উন্নয়ন।
৪. ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে লিফট সংযোজন প্রকল্প।
৫. বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট সম্প্রসারণ প্রকল্প-২।
৬. ঢাকা সিএমএইচে ক্যানসার সেন্টার নির্মাণ (দ্বিতীয় পর্যায়) (প্রথম সংশোধন) প্রকল্প।
৭. মাদ্রাসা এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (এমইএমআইএস) সাপোর্ট (তৃতীয় সংশোধন) এবং দেশের ৬৫৩টি মাদ্রাসায় মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন (তৃতীয় সংশোধিত) প্রকল্প।
৮. বিদ্যমান গ্রিড উপকেন্দ্র ও সঞ্চালন লাইনের ক্ষমতাবর্ধন (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্প।
একনেক সভায় মূল ৮টি প্রকল্প অনুমোদনের পাশাপাশি পরিকল্পনামন্ত্রী কর্তৃক এরই মধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়-সংবলিত আরও ছয়টি প্রকল্প সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়।
এগুলোর মধ্যে রয়েছে ৩০টি পৌরসভায় পানি সরবরাহ ও স্যানিটেশন (দ্বিতীয় সংশোধিত), ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আধুনিক যান-যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও মেকানাইজড পার্কিং স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধিত), ডাকসেবার সম্প্রসারণ, ঢাকা সেনানিবাস এমইএস ট্রেনিং সেলের অবকাঠামো সম্প্রসারণ, বাল্যবিয়ে বন্ধে বিশেষ প্রকল্প (ফেজ-২) এবং খুলনা পাইকগাছা কৃষি কলেজ স্থাপন (দ্বিতীয় সংশোধন) প্রকল্প।
সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর; বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম; স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন; স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ; গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের; ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু; শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন; পানি সম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি; জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী; পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকিসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
