logo

জামায়াত আমিরকে থামালেন স্পিকার, বললেন পরে সুযোগ পাবেন

জামায়াত আমিরকে থামালেন স্পিকার, বললেন পরে সুযোগ পাবেন

গণভোট নিয়ে সংসদে কথা বলতে চাইলে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানকে থামিয়ে দেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। মূলত, তারকা চিহ্নিত প্রশ্ন পর্বের বাইরে কথা বলায় তাকে থামিয়ে দেওয়া হয়।

রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়। বৈঠকের শুরুতে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা ও উত্তর পর্ব চলে।

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তার প্রশ্ন পর্বে বলেন, আজকের এই সংসদে প্রথম দিনেই আমরা অনুভব করেছি এবং স্বীকৃতি দিয়েছে যে, বিশেষ প্রেক্ষাপটে জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে সংসদ পর্যায়ক্রমে গঠিত হয়েছে। এই সংসদের কাছে জনগণের অনেক প্রত্যাশা। একই দিনে দুটি ভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে, একটি সংসদ নির্বাচন আরেকটি গণভোট।

 

এরপর বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বিষয়টি আজকে উত্থাপন করা জরুরি। আমি আজকে সময় পাব তো বিষয়টি নিয়ে কথা বলার? পরে স্পিকার বলেন, এখন এটা উত্থাপন করা যাবে না। প্রশ্নোত্তর পর্বের পরে কথা বলার সময় দেওয়া হবে।

এর আগে, শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. হামিদুর রহমান আজাদ বলেন, দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ যেখানে গণভোটের পক্ষে রায় দিয়েছেন, সেখানে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে বিএনপি জনগণকে অপমান করেছে।

তিনি বলেন, সরকার যদি দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডাকার ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বিরোধী দলগুলো রাজপথে নামতে বাধ্য হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই জোটের শীর্ষ নেতাদের বৈঠকে পরবর্তী কর্মসূচি নির্ধারণ করা হবে।

অন্যদিকে রোববার সংসদ অধিবেশন শুরুর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে সংস্কার পরিষদের কোনো অস্তিত্ব নেই। গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে পরিষদ গঠন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে। সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখনও বিচারাধীন।