logo

আগেও ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পেয়েছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, এবারও তালিকায় নাম

আগেও ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পেয়েছিলেন জাফরুল্লাহ চৌধুরী, এবারও তালিকায় নাম

দেশের জাতীয় পর্যায়ে গৌরব ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ চলতি বছর ১৫ ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এরমধ্যে বিশিষ্ট চিকিৎসক ও গণস্বাস্থ্য আন্দোলনের পথিকৃৎ প্রয়াত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর নামও রয়েছে। এর আগেও তিনি দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক রাষ্ট্রীয় এই সম্মাননা পেয়েছিলেন। বিষয়টি বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কারণ, একই ব্যক্তিকে দুইবার এই সম্মাননা দেওয়ার নজির নেই।

১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পুরস্কার দেওয়া হয়। ওই বছরেই জাফরুল্লাহ চৌধুরী এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। নতুন করে তার নাম আসার বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনও পাওয়া যায়নি। সাধারণত একজন ব্যক্তি একবারই এ সম্মাননা পান।

বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও এ ধরনের ঘটনা ঘটেছিল। মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানীকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া সিদ্ধান্ত হয়। বিষয়টি আলোচনার জন্ম দিলে পরে বাদ দেওয়া হয়।  

এবার যারা পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

‘স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশ গঠনে’ সার্বিক অবদানের জন্য সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। 

এ ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল, সাহিত্যে আশরাফ সিদ্দিকী, সমাজসেবায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মাহেরীন চৌধুরী, সংস্কৃতিতে বশির আহমেদ এবং জনপ্রশাসনে কাজী ফজলুর রহমান মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন।

এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম, সংস্কৃতিতে এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত), ক্রীড়ায় জোবেরা রহমান (লিনু), সমাজসেবায় সাইদুল হক, গবেষণা ও প্রশিক্ষণে মোহাম্মদ আবদুল বাকী, এম এ রহিম ও সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণে আবদুল মুকিত মজুমদার এ সম্মাননা পাচ্ছেন।

প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), এসওএস শিশু পল্লী এবং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে।