logo

রাতেও ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

রাতেও ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের একাধিক জেলায় ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৪ মিনিটে এ ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়। এক দিনে দ্বিতীয়বার ভূমিকম্পে কাঁপল বাংলাদেশের মানুষ।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে এ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫ দশমিক ৯। যদিও তাৎক্ষণিকভাবে এই ভূমিকম্পে বাংলাদেশে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

তবে অ্যান্ড্রয়েড অ্যালার্ট সিস্টেমের সূত্রে গুগল প্রথমে জানিয়েছিল, ভূমিকম্পের মাত্রা ৪ দশমিক ৯ এবং এর উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারের ম্রাউক-ইউ শহর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে বলেছেন, আজ রাত ৯টা বেজে ৩৪ মিনিটের সময় মায়ানমারের আকিয়াব শহরের পূর্ব দিকে যে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে, আমেরিকান ভূত্বাত্তিক অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, ভূমিকম্পটির মান ছিল ৫ দশমিক ৯ মাত্রার। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এই ভূমিকম্পটি একই ফল্টের ওপরে সংঘটিত হয়েছে যে ফল্টে ২০২৪ সালে ৭ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছিল। এই ফল্টটি খুবই সক্রিয় একটি ফল্ট। ফলে আগামী ২৪ ঘণ্টায় আফটারশক ভূমিকম্পের আশঙ্কা করা যাচ্ছে।  এই ভূমিকম্পটি কক্সবাজার শহর থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে ২০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে ও মিয়ানমারের আকিয়াব বন্দর থেকে পূর্ব দিকে ১০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে সংঘটিত হয়েছে, যার কারণে বাংলাদেশে অনেক ভারী ভূকম্পন অনুভূত হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার ভোর ৪টা ৩৬ মিনিটে ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে সেই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ১, যা ‘মৃদু’ শ্রেণির ভূমিকম্প হিসেবে বিবেচিত।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়। ভূমিকম্পটির ভৌগোলিক অবস্থান ছিল ২২ দশমিক ৮৪ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯ দশমিক ০১ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ।