৯৯৯-এ ফোন, মহাখালী থেকে চুরি হওয়া বাস উদ্ধার মিরপুর বেড়িবাঁধে

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে চুরি হওয়া এনা পরিবহনের একটি বাস উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বাসের ভেতর থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে বাসটি চুরি হয়। পরে বাসে থাকা জিপিএস ট্র্যাকারের মাধ্যমে সেটির অবস্থান শনাক্ত করে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দেন মাহফুজ নামে এক ব্যক্তি।
এ বিষয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর গণমাধ্যম ও জনসংযোগ কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার জানান, ৪০ আসনের এনা পরিবহনের বাসটি টার্মিনালে পার্ক করা ছিল। চুরির পর জিপিএস ট্র্যাকারে বাসটিকে মিরপুর বেড়িবাঁধ এলাকায় চলমান অবস্থায় দেখতে পান বাস কর্তৃপক্ষ।
পরে ৯৯৯-এ কল দেওয়ার পর কলটি গ্রহণ করেন ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল সাখাওয়াত হোসেন। পরে বাস উদ্ধারে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি ডিএমপি কন্ট্রোলরুম, তুরাগ থানা ও রূপনগর থানাকে জানানো হয়। একই সঙ্গে কলার ও সংশ্লিষ্ট থানার সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখেন ৯৯৯ পুলিশ ডিসপাচার এসআই আমিনুল ইসলাম।
৯৯৯ থেকে খবর পেয়ে রূপনগর থানা পুলিশের একটি দল মিরপুর বেড়িবাঁধের পঞ্চবটি মোড় থেকে প্রায় ৫০০ গজ উত্তরে অভিযান চালায়। এ সময় ধাওয়া করে এনা পরিবহনের ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৭৩০৯ নম্বরের বাসটি আটক করা হয়। বাস থেকে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—মো. রাসেল (২১) ও লালচান (৩০)। রাসেল নরসিংদীর রায়পুর থানার হিঙ্গাতলী এলাকার মো. রবিউল্লাহর ছেলে। তিনি বর্তমানে মহাখালী বাস টার্মিনালে থাকেন। অন্য গ্রেপ্তার লালচানের বাড়ি শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার পাইকড়া এলাকায়। তিনি বর্তমানে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন তিব্বত এলাকার আলকাতরা ফ্যাক্টরিতে থাকেন।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯।



