জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুত রুখতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধে অবৈধ মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে সরকার। এখন থেকে অবৈধ মজুতকারীদের তথ্য দিলে বিশেষ পুরস্কার দেবে সরকার।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ফেসবুক পেজে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, জ্বালানি তেলের সরবরাহ তদারকিতে দেশের সব জেলায় ‘ভিজিলেন্স টিম’ গঠন করেছে সরকার। একই সঙ্গে অবৈধ মজুতদারি বন্ধে তথ্য প্রদানকারীর জন্য আসছে বিশেষ পুরস্কারের ঘোষণা। এছাড়া সচেতন নাগরিকদের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও পরামর্শ দিতে অনুরোধ জানানো হয়।
এদিকে, শুক্রবার দুপুরে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, জ্বালানির দাম বাড়লে পরিবহন ও খাদ্যপণ্যের দাম বেড়ে যায়, যা সাধারণ মানুষের জন্য অসহনীয় হয়ে ওঠে। তাই বিশ্বের ৮০টি দেশ জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি করলেও জনগণের স্বার্থে বাংলাদেশ তা করেনি। আর এজন্য প্রতিদিন জ্বালানি খাতে ১৬৭ কোটি টাকা ভর্তুকি দিচ্ছে সরকার।
তিনি বলেন, মার্চ মাসে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ১২ হাজার টন ডিজেলের চাহিদা থাকে, সেখানে ঈদের আগে প্রতিদিন ২৪ থেকে ২৫ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করা হয়েছে।
জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার আগামী এপ্রিল পর্যন্ত জনগণের জ্বালানির চাহিদা নিশ্চিত করতে সক্ষম। আগামী দিনগুলোতেও যাতে সরকার ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত নিশ্চিত করতে পারে, সেটির কাজও শুরু হয়েছে।
এছাড়া হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ইরানের অনুমতি পাওয়াকে সরকারের বড় কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে অভিহিত করেন তিনি।