logo
Advertisement

মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে ২৫ এজেন্সি, বায়রার একাংশের উদ্বেগ ও ৪ দাবি

এশিয়া পোস্ট প্রতিবেদক
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে ২৫ এজেন্সি, বায়রার একাংশের উদ্বেগ ও ৪ দাবি
ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণে নতুন করে মাত্র ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির তালিকা প্রকাশের খবরে গভীর উদ্বেগ, হতাশা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সিসের (বায়রা) সদস্যরা। তারা এই প্রক্রিয়াকে একচেটিয়া ব্যবসার পাঁয়তারা ও নতুন সিন্ডিকেট সুযোগ হিসেবে অভিহিত করেন।

Advertisement

রোববার (২৩ আগস্ট) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বায়রার সাবেক নেতারা ও সদস্যরা সরকারের প্রতি ২৫ এজেন্সিকেন্দ্রিক এই সুযোগ অবিলম্বে বন্ধের দাবি জানান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশে প্রায় আড়াই হাজার লাইসেন্সপ্রাপ্ত বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সি থাকা সত্ত্বেও মাত্র ২৫টি সংস্থাকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। অতীতেও এভাবে সীমিতসংখ্যক এজেন্সিকে সুযোগ দেওয়ার ফলে অনিয়ম, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় ও কর্মীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছিল। একই প্রক্রিয়ার পুনরাবৃত্তি ঘটলে সাধারণ কর্মীরা যেমন আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, তেমনি বিপুলসংখ্যক বৈধ ও অভিজ্ঞ এজেন্সি তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে।

নেতারা আরও উল্লেখ করে বলেন, ইতোমধ্যে নেপাল ২৫টি এজেন্সির সিন্ডিকেট প্রত্যাখ্যান করেছে। দেশের রেমিট্যান্স, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও সাধারণ কর্মীদের স্বার্থে মালয়েশিয়া শ্রমবাজারকে কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে না দিয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক রাখার আহ্বান জানান তারা।

প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ ক‌রে বায়রার বিজ্ঞ‌প্তি‌তে বলা হয়, আমরা এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জরুরি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। প্রকাশিত ২৫ এজেন্সির তালিকা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করে, কোনো ধরনের সিন্ডিকেট বা একচেটিয়া ব্যবস্থা কার্যকর না করার জন্য সরকারের প্রতি জোর আহ্বান জানাচ্ছি।

বিবৃতিতে বায়রার সাবেক সহসভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু, রিয়াজুল ইসলাম, সাবেক মহাসচিব এম এ সালাম, সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ফখরুল ইসলাম, আকবর হোসেন মঞ্জুসহ অন্যান্য সদস্য ও বিভিন্ন এজেন্সির মালিকরা স্বাক্ষর করেন।

বায়রা সদস্যদের ৪ দফা দাবি

১. ২৫ এজেন্সিকেন্দ্রিক সিন্ডিকেট বা একচেটিয়া ব্যবসা অবিলম্বে বন্ধ করা।

২. মালয়েশিয়া শ্রমবাজারকে সিন্ডিকেটমুক্ত, স্বচ্ছ ও বৈষম্যহীনভাবে সব বৈধ ও যোগ্য রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য উন্মুক্ত করা।

৩. কর্মীদের যৌক্তিক ও কম অভিবাসন ব্যয় নিশ্চিত করা, যাতে কোনো বিশেষ গোষ্ঠী অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সুযোগ না পায়।

৪. প্রয়োজনে সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বোয়েসেল’-এর মাধ্যমে 'ওয়ান স্টপ সার্ভিস' চালু করে সব বৈধ এজেন্সিকে সমান সুযোগ দেওয়া।